ঢাকা ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

‘মসজিদ’ মনে করে ইহুদিদের সিনাগগ ধ্বংস করল ইসরাইল

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র ৩৯ দিন ধরে যৌথভাবে ইরানে আগ্রাসন চালাচ্ছে। তাদের বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে রেহাই পাচ্ছে না স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মসজিদ, ঐতিহাসিক স্থাপনা- কিছুই। যুদ্ধের অংশ না হলেও শিশু, নারী, বৃদ্ধদের গণহারে হত্যা করছে ওয়াশিংটন ও তেল আবিব। এবার তাদের হামলার শিকার হয়েছে একটি সিনাগগ বা ইহুদিদের উপাসনালয়।

ইরানের স্থানীয় গণমাধ্যম আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জানিয়েছে, হামলায় তেহরানের একটি সিনাগগ সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে।

মঙ্গলবার ভোরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের তেহরানে একটি সিনাগগ সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে দেশটির মেহর সংবাদ সংস্থা এবং শার্ঘ পত্রিকা।

শার্ঘ জানায়, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, রাফি-নিয়া সিনাগগ আজ সকালের হামলায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।

ইহুদিধর্ম ইরানে আইনত স্বীকৃত সংখ্যালঘু ধর্মগুলোর একটি এবং দেশটিতে একটি ছোট ইহুদি সম্প্রদায় এখনও রয়েছে, যদিও ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর অনেকেই দেশ ছেড়ে চলে যায়।

সরকারিভাবে সুনির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা প্রকাশ না হলেও ধারণা করা হয়, ইরানে এখনও কয়েক হাজার ইহুদি বসবাস করছেন।

স্থানীয়দের ধারণা, মসজিদ মনে করে সিনাগগটিকে টার্গেট করে থাকতে পারে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র।

শার্ঘ পত্রিকা সিনাগগটিকে ‘খোরাসান অঞ্চলের ইহুদিদের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমাবেশ ও উৎসবের স্থান’ হিসেবে বর্ণনা করেছে, যা ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি প্রদেশ।

ইরানে শিয়া ইসলাম প্রধান ধর্ম হলেও সংবিধানে সুন্নি ইসলাম, জরথুস্ত্রবাদ, ইহুদিধর্ম ও খ্রিস্টধর্মকে সংখ্যালঘু ধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে এবং সব সম্প্রদায়ের সংসদে প্রতিনিধিত্ব আছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

‘মসজিদ’ মনে করে ইহুদিদের সিনাগগ ধ্বংস করল ইসরাইল

আপডেট সময় ০১:৫০:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র ৩৯ দিন ধরে যৌথভাবে ইরানে আগ্রাসন চালাচ্ছে। তাদের বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে রেহাই পাচ্ছে না স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মসজিদ, ঐতিহাসিক স্থাপনা- কিছুই। যুদ্ধের অংশ না হলেও শিশু, নারী, বৃদ্ধদের গণহারে হত্যা করছে ওয়াশিংটন ও তেল আবিব। এবার তাদের হামলার শিকার হয়েছে একটি সিনাগগ বা ইহুদিদের উপাসনালয়।

ইরানের স্থানীয় গণমাধ্যম আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জানিয়েছে, হামলায় তেহরানের একটি সিনাগগ সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে।

মঙ্গলবার ভোরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের তেহরানে একটি সিনাগগ সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে দেশটির মেহর সংবাদ সংস্থা এবং শার্ঘ পত্রিকা।

শার্ঘ জানায়, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, রাফি-নিয়া সিনাগগ আজ সকালের হামলায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।

ইহুদিধর্ম ইরানে আইনত স্বীকৃত সংখ্যালঘু ধর্মগুলোর একটি এবং দেশটিতে একটি ছোট ইহুদি সম্প্রদায় এখনও রয়েছে, যদিও ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর অনেকেই দেশ ছেড়ে চলে যায়।

সরকারিভাবে সুনির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা প্রকাশ না হলেও ধারণা করা হয়, ইরানে এখনও কয়েক হাজার ইহুদি বসবাস করছেন।

স্থানীয়দের ধারণা, মসজিদ মনে করে সিনাগগটিকে টার্গেট করে থাকতে পারে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র।

শার্ঘ পত্রিকা সিনাগগটিকে ‘খোরাসান অঞ্চলের ইহুদিদের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমাবেশ ও উৎসবের স্থান’ হিসেবে বর্ণনা করেছে, যা ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি প্রদেশ।

ইরানে শিয়া ইসলাম প্রধান ধর্ম হলেও সংবিধানে সুন্নি ইসলাম, জরথুস্ত্রবাদ, ইহুদিধর্ম ও খ্রিস্টধর্মকে সংখ্যালঘু ধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে এবং সব সম্প্রদায়ের সংসদে প্রতিনিধিত্ব আছে।