ঢাকা ০২:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ পলাতকদের ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক তৎপরতা চলমান: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এমপি শিমুল বিশ্বাসকে ‘কটূক্তি’, এনসিপিকে পাবনায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন আল থানি মারা গেছেন অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন শিক্ষার্থীরা, ঝড়বৃষ্টিতে জবিতে বাসের ওপর ভেঙে পড়ল কৃষ্ণচূড়া গাছ বৃষ্টিতে ঢাকার বিভিন্ন রাস্তায় পানি, পরীক্ষা বন্ধ অনেক প্রতিষ্ঠানে করাচির হাসপাতালে হঠাৎ ৮০ শিশু এইডসে আক্রান্ত ওমান, কাতারসহ উপসাগরীয় দেশগুলোতে একযোগে ইরানের হামলা সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার মারা গেছেন সুইসদের রূপকথা থামিয়ে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা

গুমের সঙ্গে জড়িতরা আইনের ফাঁক দিয়ে বের হতে পারবে না : আইনমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ব্যারিস্টার আরমানের মতো বাংলাদেশের ৭০০ এর বেশি মানুষ গুমের শিকার হয়েছিলেন- তাদের মধ্যে আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এখানে আছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যেভাবে গুমের শিকার হয়েছিলেন, মৃত্যুর প্রহর গুনেছিলেন প্রতিদিন; যেভাবে তাকে পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রে ‘ডাম্পিং’ করা হয়েছিল, যেভাবে উনি বিচারের মুখোমুখি হয়েছিলেন এবং বাংলাদেশে ফেরত এসেছেন- এটা মনে করার কোনো কারণ নাই যে, গুমের সঙ্গে জড়িত অপরাধীরা আইনের ফাঁক দিয়ে বের হতে পারবে।

রবিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রথম অধিবেশনের অষ্টম দিন ঢাকা-১৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মীর আহমদ বিন কাসেম আরমানের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, যারা গুম হয়েছেন তারা কেউ আমার স্বজন, আমার ভাই, আমার বোন, আমার আত্মীয়, আমার প্রতিবেশী, আমার বাংলাদেশের মানুষ। আমার জিয়া পরিবারের সদস্যসহ বাংলাদেশের মানুষের তারা হৃদয়ের প্রতিবেশী।

আইনমন্ত্রী বলেন, মানবাধিকার কমিশন আইন এবং গুম প্রতিরোধ আইন যেভাবে অর্ডিন্যান্সে করা হয়েছে, সেটা বলবৎ করলে গুমের শিকার সদস্যদের প্রতি অবিচার করা হবে। কারণ, আমরা একই সঙ্গে আইসিটি অ্যাক্ট ১৯৭৩-এর আওতায় ‘ক্রাইম এগেইনস্ট হিউম্যানিটি’-র মধ্যে গুমের সংজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত করেছি। সেখানে বিচার হবে, তদন্ত হবে। আবার এদিকে গুম আইনে আমরা এটাকে ভিন্ন একটা তদন্তের কথা বলছি। ওখানে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কিংবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড; অথচ গুমের যে আইনটার কথা অর্ডিন্যান্সে বলা হয়েছে, সেখানে ১০ বছর পর্যন্ত সাজা দেয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা বলেছি, গুমের আইনে যে সাজা প্রস্তাব করা হয়েছে, যে তদন্তের পদ্ধতির কথা বলা হয়েছে, আর আইসিটি অ্যাক্টে গুমের যে অপরাধের কথা বলা হয়েছে- দুটোর মধ্যে যেন সাংঘর্ষিক কোনো অবস্থা না থাকে। সে কারণে এই আইনগুলো আমাদের যাচাই-বাছাই করা দরকার। আবার মানবাধিকার কমিশন আইনের তদন্ত সংস্থাকে রেফার করা হয়েছে। সবগুলো আমাদের যাচাই-বাছাই করতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘এই নিয়ম কোনোভাবেই মানা যায় না’, লাল কার্ড নিয়ে ক্ষুব্ধ সুইস কোচ

গুমের সঙ্গে জড়িতরা আইনের ফাঁক দিয়ে বের হতে পারবে না : আইনমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৮:১৫:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ব্যারিস্টার আরমানের মতো বাংলাদেশের ৭০০ এর বেশি মানুষ গুমের শিকার হয়েছিলেন- তাদের মধ্যে আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এখানে আছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যেভাবে গুমের শিকার হয়েছিলেন, মৃত্যুর প্রহর গুনেছিলেন প্রতিদিন; যেভাবে তাকে পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রে ‘ডাম্পিং’ করা হয়েছিল, যেভাবে উনি বিচারের মুখোমুখি হয়েছিলেন এবং বাংলাদেশে ফেরত এসেছেন- এটা মনে করার কোনো কারণ নাই যে, গুমের সঙ্গে জড়িত অপরাধীরা আইনের ফাঁক দিয়ে বের হতে পারবে।

রবিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রথম অধিবেশনের অষ্টম দিন ঢাকা-১৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মীর আহমদ বিন কাসেম আরমানের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, যারা গুম হয়েছেন তারা কেউ আমার স্বজন, আমার ভাই, আমার বোন, আমার আত্মীয়, আমার প্রতিবেশী, আমার বাংলাদেশের মানুষ। আমার জিয়া পরিবারের সদস্যসহ বাংলাদেশের মানুষের তারা হৃদয়ের প্রতিবেশী।

আইনমন্ত্রী বলেন, মানবাধিকার কমিশন আইন এবং গুম প্রতিরোধ আইন যেভাবে অর্ডিন্যান্সে করা হয়েছে, সেটা বলবৎ করলে গুমের শিকার সদস্যদের প্রতি অবিচার করা হবে। কারণ, আমরা একই সঙ্গে আইসিটি অ্যাক্ট ১৯৭৩-এর আওতায় ‘ক্রাইম এগেইনস্ট হিউম্যানিটি’-র মধ্যে গুমের সংজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত করেছি। সেখানে বিচার হবে, তদন্ত হবে। আবার এদিকে গুম আইনে আমরা এটাকে ভিন্ন একটা তদন্তের কথা বলছি। ওখানে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কিংবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড; অথচ গুমের যে আইনটার কথা অর্ডিন্যান্সে বলা হয়েছে, সেখানে ১০ বছর পর্যন্ত সাজা দেয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা বলেছি, গুমের আইনে যে সাজা প্রস্তাব করা হয়েছে, যে তদন্তের পদ্ধতির কথা বলা হয়েছে, আর আইসিটি অ্যাক্টে গুমের যে অপরাধের কথা বলা হয়েছে- দুটোর মধ্যে যেন সাংঘর্ষিক কোনো অবস্থা না থাকে। সে কারণে এই আইনগুলো আমাদের যাচাই-বাছাই করা দরকার। আবার মানবাধিকার কমিশন আইনের তদন্ত সংস্থাকে রেফার করা হয়েছে। সবগুলো আমাদের যাচাই-বাছাই করতে হবে।