ঢাকা ১২:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

র‍্যাব থাকবে কিনা সিদ্ধান্ত সরকারের, তবে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন আছে : র‌্যাব মহাপরিচালক

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নাম পরিবর্তন বা সংস্থাটি থাকবে কিনা—এ সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে সরকারের ওপর নির্ভরশীল। তবে আমার ব্যক্তিগত মতামত হলো দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে র‍্যাবের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে জানিয়েছেন র‍্যাব মহাপরিচালক আহসান হাবীব।

দায়িত্ব গ্রহণের পর আজ দুপুরে প্রথমবারের মতো রাজধানীর কাওরানবাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

র‍্যাবের পুনর্গঠন, সংস্কার বা নাম পরিবর্তনের বিষয়ে মহাপরিচালক বলেন, এসবই সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের বিষয়। এ নিয়ে র‍্যাবের পক্ষ থেকে আলাদাভাবে কোনো উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজন নেই। বর্তমানে সংস্থাটির মূল অগ্রাধিকার দায়িত্বশীলভাবে কাজ করা।

মানবাধিকার লঙ্ঘন বা অন্যান্য অনিয়মের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাহিনীর অভ্যন্তরে এ ধরনের অভিযোগ উঠলে তা নিজস্ব ব্যবস্থায় তদন্ত করা হয় এবং কোনো ক্ষেত্রেই ছাড় দেওয়া হয় না। এ ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ধীরে ধীরে র‍্যাবের বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগগুলো কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

র‍্যাবের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আহসান হাবীব বলেন, এটি একটি বিশেষায়িত বাহিনী, যার প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। র‍্যাব মূলত পুলিশেরই একটি অংশ এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সমন্বিতভাবে কাজ করে। বাইরে থেকে যে ধারণা তৈরি হয়, বাস্তবে র‍্যাব আরও বেশি সংগঠিত ও কাঠামোবদ্ধ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি জানান, র‍্যাবকে একটি পেশাদার, মানবিক ও প্রযুক্তিনির্ভর বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। অপরাধ প্রতিরোধ ও দমনে ভবিষ্যতেও সংস্থাটি আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

ক্রসফায়ার সংক্রান্ত মামলার নথি চাওয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মহাপরিচালক বলেন, বিচারপ্রক্রিয়ার স্বার্থে কোনো সংস্থা তথ্য বা সহায়তা চাইলে র‍্যাব সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে। সংস্থার কাছে থাকা তথ্য আইনানুগভাবে সরবরাহ করা হবে। তবে যে তথ্য র‍্যাবের কাছে নেই বা দেওয়ার সক্ষমতার বাইরে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হবে।

র‍্যাবের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা এবং দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংস্থার সমালোচনার বিষয়ে তিনি বলেন, সংস্থার গঠনকাল থেকে বিভিন্ন সময়ে কিছু বিচ্যুতি বা ভুলত্রুটি থাকতে পারে। তবে সেসব জায়গা সংশোধনের মাধ্যমে পরিস্থিতির উন্নয়ন সম্ভব। গত দেড় বছরে র‍্যাবের কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

আহসান হাবীব আশা প্রকাশ করে বলেন, ধারাবাহিকভাবে ভালো কাজের মাধ্যমে ভবিষ্যতে এসব বিতর্ক ও সমস্যার সমাধান হবে এবং র‍্যাব একটি আস্থার জায়গায় পৌঁছাতে সক্ষম হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

র‍্যাব থাকবে কিনা সিদ্ধান্ত সরকারের, তবে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন আছে : র‌্যাব মহাপরিচালক

আপডেট সময় ০১:১৫:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নাম পরিবর্তন বা সংস্থাটি থাকবে কিনা—এ সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে সরকারের ওপর নির্ভরশীল। তবে আমার ব্যক্তিগত মতামত হলো দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে র‍্যাবের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে জানিয়েছেন র‍্যাব মহাপরিচালক আহসান হাবীব।

দায়িত্ব গ্রহণের পর আজ দুপুরে প্রথমবারের মতো রাজধানীর কাওরানবাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

র‍্যাবের পুনর্গঠন, সংস্কার বা নাম পরিবর্তনের বিষয়ে মহাপরিচালক বলেন, এসবই সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের বিষয়। এ নিয়ে র‍্যাবের পক্ষ থেকে আলাদাভাবে কোনো উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজন নেই। বর্তমানে সংস্থাটির মূল অগ্রাধিকার দায়িত্বশীলভাবে কাজ করা।

মানবাধিকার লঙ্ঘন বা অন্যান্য অনিয়মের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাহিনীর অভ্যন্তরে এ ধরনের অভিযোগ উঠলে তা নিজস্ব ব্যবস্থায় তদন্ত করা হয় এবং কোনো ক্ষেত্রেই ছাড় দেওয়া হয় না। এ ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ধীরে ধীরে র‍্যাবের বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগগুলো কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

র‍্যাবের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আহসান হাবীব বলেন, এটি একটি বিশেষায়িত বাহিনী, যার প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। র‍্যাব মূলত পুলিশেরই একটি অংশ এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সমন্বিতভাবে কাজ করে। বাইরে থেকে যে ধারণা তৈরি হয়, বাস্তবে র‍্যাব আরও বেশি সংগঠিত ও কাঠামোবদ্ধ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি জানান, র‍্যাবকে একটি পেশাদার, মানবিক ও প্রযুক্তিনির্ভর বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। অপরাধ প্রতিরোধ ও দমনে ভবিষ্যতেও সংস্থাটি আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

ক্রসফায়ার সংক্রান্ত মামলার নথি চাওয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মহাপরিচালক বলেন, বিচারপ্রক্রিয়ার স্বার্থে কোনো সংস্থা তথ্য বা সহায়তা চাইলে র‍্যাব সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে। সংস্থার কাছে থাকা তথ্য আইনানুগভাবে সরবরাহ করা হবে। তবে যে তথ্য র‍্যাবের কাছে নেই বা দেওয়ার সক্ষমতার বাইরে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হবে।

র‍্যাবের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা এবং দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংস্থার সমালোচনার বিষয়ে তিনি বলেন, সংস্থার গঠনকাল থেকে বিভিন্ন সময়ে কিছু বিচ্যুতি বা ভুলত্রুটি থাকতে পারে। তবে সেসব জায়গা সংশোধনের মাধ্যমে পরিস্থিতির উন্নয়ন সম্ভব। গত দেড় বছরে র‍্যাবের কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

আহসান হাবীব আশা প্রকাশ করে বলেন, ধারাবাহিকভাবে ভালো কাজের মাধ্যমে ভবিষ্যতে এসব বিতর্ক ও সমস্যার সমাধান হবে এবং র‍্যাব একটি আস্থার জায়গায় পৌঁছাতে সক্ষম হবে।