ঢাকা ০৭:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় পতাকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে সততা-দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয় আর্জেন্টিনাকে নিয়ে ব্যঙ্গ করে গান গাওয়ায় ১৭ শিক্ষার্থীকে পেটালেন শিক্ষক গাজী নজরুলের আরেকটি ভিডিও ভাইরাল, ‘নতুন তরুণীকে’ ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে শেখ হাসিনার ফোনালাপ, যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তিন দাবিতে শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সুফিবাদী সুন্নি মহাসমাবেশ ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি সরকারের স্বচ্ছতার নিদর্শন: ত্রাণমন্ত্রী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম লাইফ সাপোর্টে সরকারের আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ককরোচ জনতা পার্টির চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে ৫ জনকে পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করলো বিজিবি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা চলছে

শ্যালোমেশিন মাথায় নিয়ে ফিলিং স্টেশনে অর্ধশতাধিক কৃষক

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহীর বাগমারায় জ্বালানি তেল (ডিজেল) সংকটের প্রভাব পড়েছে সেচ পাম্পগুলোতে। বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিং আর ডিজেল সংকটে সেচের অভাবে ১৮ হাজার হেক্টর জমির বোরো চাষ হুমকির মুখে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে বোরো খেতে সেচ দেওয়ার জন্য ডিজেল নিতে সরাসরি শ্যালোমেশিন মাথায় নিয়ে ফিলিং স্টেশনে ছুটে আসেন এলাকার কৃষকরা।

শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে মচমইল বাজারে সোহেল ফিলিং স্টেশনের চারদিকে প্রায় অর্ধশতাধিক কৃষককে শ্যালোমেশিন মাথায় নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।

বিষয়টি মুহূর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তা প্রসাশনের নজরে আসে। তাৎক্ষণিকভাবে ওই ফিলিং স্টেশনে উপস্থিত হন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইফুল ইসলাম ভূঞা এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক।

এরপর প্রসাশনের নির্দেশে ওই ফিলিং স্টেশন থেকে অপেক্ষমান কৃষকদের শ্যালোমেশিনের ট্যাঙ্ক ভরে ডিজেল দেওয়া হয়।

এ সময় দ্বীপপুর ইউনিয়নের নানসর গ্রামের কৃষক ইসলাম সরদার জানান, বিলসতি বিলে ডিজেলচালিত শ্যালোমেশিন দিয়ে সেচ দিয়ে এবার তিনি ২০ বিঘা জমিতে বোরো চাষ করছেন। কিন্তু প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে তিনি ডিজেল সংগ্রহ করতে না পারায় তার সেচ পাম্প বন্ধ রয়েছে। ফলে সেচের অভাবে তার খেতের ফসল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অবশেষে অনেক কষ্টের পর প্রশাসনের হস্তক্ষেপে আজ তিনি ডিজেল পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।

গনিপুর ইউনিয়নের দুবিলা বিলের শ্যালোচালিত সেচের মালিক জাফর আলীও একই মন্তব্য করেন।

উপজেলা কৃষি অফিসের দেওয়া তথ্যমতে, বিদ্যুৎ ও ডিজেলচালিত গভীর নলকূপ ও শ্যালোমেশিনে সেচ সুবিধার আওতায় বাগমারায় এবার মোট ১৮ হাজার ৯০ হেক্টর জমিতে বোরোর আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে শুধু ডিজেলচালিত গভীর নলকুপ ২৪৮টি আর শ্যালোমেশিন রয়েছে ১৮০ টিরও বেশি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, জ্বালানি তেল সংকটের কারণে ডিজেলচালিত গভীর নলকূপ ও শ্যালো মেশিনগুলো দিয়ে বোরো খেতে সেচে দিতে কৃষকদের সাময়িকভাবে একটু সমস্যা হচ্ছে। তবে খুব শিগগিরই এ সমস্যা কেটে যাবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় পতাকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে সততা-দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয়

শ্যালোমেশিন মাথায় নিয়ে ফিলিং স্টেশনে অর্ধশতাধিক কৃষক

আপডেট সময় ০৭:৪৮:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহীর বাগমারায় জ্বালানি তেল (ডিজেল) সংকটের প্রভাব পড়েছে সেচ পাম্পগুলোতে। বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিং আর ডিজেল সংকটে সেচের অভাবে ১৮ হাজার হেক্টর জমির বোরো চাষ হুমকির মুখে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে বোরো খেতে সেচ দেওয়ার জন্য ডিজেল নিতে সরাসরি শ্যালোমেশিন মাথায় নিয়ে ফিলিং স্টেশনে ছুটে আসেন এলাকার কৃষকরা।

শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে মচমইল বাজারে সোহেল ফিলিং স্টেশনের চারদিকে প্রায় অর্ধশতাধিক কৃষককে শ্যালোমেশিন মাথায় নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।

বিষয়টি মুহূর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তা প্রসাশনের নজরে আসে। তাৎক্ষণিকভাবে ওই ফিলিং স্টেশনে উপস্থিত হন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইফুল ইসলাম ভূঞা এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক।

এরপর প্রসাশনের নির্দেশে ওই ফিলিং স্টেশন থেকে অপেক্ষমান কৃষকদের শ্যালোমেশিনের ট্যাঙ্ক ভরে ডিজেল দেওয়া হয়।

এ সময় দ্বীপপুর ইউনিয়নের নানসর গ্রামের কৃষক ইসলাম সরদার জানান, বিলসতি বিলে ডিজেলচালিত শ্যালোমেশিন দিয়ে সেচ দিয়ে এবার তিনি ২০ বিঘা জমিতে বোরো চাষ করছেন। কিন্তু প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে তিনি ডিজেল সংগ্রহ করতে না পারায় তার সেচ পাম্প বন্ধ রয়েছে। ফলে সেচের অভাবে তার খেতের ফসল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অবশেষে অনেক কষ্টের পর প্রশাসনের হস্তক্ষেপে আজ তিনি ডিজেল পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।

গনিপুর ইউনিয়নের দুবিলা বিলের শ্যালোচালিত সেচের মালিক জাফর আলীও একই মন্তব্য করেন।

উপজেলা কৃষি অফিসের দেওয়া তথ্যমতে, বিদ্যুৎ ও ডিজেলচালিত গভীর নলকূপ ও শ্যালোমেশিনে সেচ সুবিধার আওতায় বাগমারায় এবার মোট ১৮ হাজার ৯০ হেক্টর জমিতে বোরোর আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে শুধু ডিজেলচালিত গভীর নলকুপ ২৪৮টি আর শ্যালোমেশিন রয়েছে ১৮০ টিরও বেশি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, জ্বালানি তেল সংকটের কারণে ডিজেলচালিত গভীর নলকূপ ও শ্যালো মেশিনগুলো দিয়ে বোরো খেতে সেচে দিতে কৃষকদের সাময়িকভাবে একটু সমস্যা হচ্ছে। তবে খুব শিগগিরই এ সমস্যা কেটে যাবে।