ঢাকা ১০:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড়, ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রম ধাপে ধাপে এগিয়ে নেওয়া হবে: অর্থমন্ত্রী নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা শুরু:অর্থনীতির ঝুঁকি বাড়ার সতর্কতা আইএমএফের বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানি বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে : পর্যটনমন্ত্রী বিএনপি ধর্ম-বর্ণের বিভেদে বিশ্বাস করে না: শামা ওবায়েদ সরকার নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর: মাহদী আমিন ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী বন্যা-জলাবদ্ধতায় আ.লীগ, ইন্টেরিম ও বিএনপি সরকারের আচরণ একই: এবি পার্টি ইউক্রেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী সেরহি কোরেৎসকি জুলাই আন্দোলন নিয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করলে ব্যবস্থা: ডিএমপি

বিএনপির কথা-কাজে মিল নেই: মঞ্জু

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে বিএনপির কথা ও কাজে মিল নেই বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।

বিকালে পল্টনের বিজয়-৭১ চত্বরে এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন। ছাত্র-জনতার বিপ্লবের অর্জন ‘জুলাই সনদ’ নিয়ে টালবাহানা ও ‘গণভোট অধ্যাদেশ’ বাতিলের অপচেষ্টার প্রতিবাদে এ বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

মজিবুর রহমান মঞ্জু তার বক্তব্যে বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে জুলাই অভ্যুত্থান কিছুটা স্বার্থক হয়েছে বলে মনে হবে। অন্যথায় জুলাই অভ্যুত্থান পুরোটাই ব্যর্থ। সরকারি দল গণভোট ও জুলাই সনদ নিয়ে যে ধরনের টালবাহানা ও সাংবিধানিক বিতর্ক তৈরি করেছে, তা খুবই হতাশাজনক।

তিনি বলেন, ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে যদি আমাদের পরাজয় ঘটতো তাহলে শেখ মুজিব, জিয়াউর রহমানসহ সব মুক্তিযোদ্ধারা দেশদ্রোহিতা ও পাকিস্তানের সংবিধান লঙ্ঘনের দায়ে ফাঁসির মুখোমুখি হতেন। জুলাইয়ের শক্তিগুলোর মধ্যে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে যে বিভেদ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে এর সূত্র ধরে যদি আবার কখনো আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয় তাহলে তারেক রহমান, শফিকুর রহমান, ড. ইউনুস, নাহিদ ইসলামসহ আমাদের সবাইকে সংবিধান লঙ্ঘন ও বিপ্লবের দায়ে শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে।

সবাইকে সতর্ক করে এবি পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, গণভোট, জুলাই জাতীয় সনদ আদেশ ও জুলাই সনদকে সাংবিধানিক প্রশ্নে বিতর্কিত করা ফ্যাসিবাদি আওয়ামী লীগের কণ্ঠে সুর মিলানোর শামিল।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলের ঠিকানা হচ্ছে রাজপথ। রাজপথই বাংলাদেশের ইতিহাস বারবার বদলে দেয়। যদি জুলাই সনদ নিয়ে টালবাহানা হয় তবে আমাদের রাজপথই বেছে নিতে হবে এবং গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করতে হবে। কারণ আমরা জুলাইয়ের শহীদ আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ওয়াসিমও আনাসসহ ৬ বছরের শিশু শহীদ রিয়া গোপকে ভুলতে পারবো না। জুলাইয়ের শহীদদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত নতুন বাংলাদেশকে আমরা রক্ষা করবই করবো।

বিক্ষোভ সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা ওহাব মিনার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল মামুন রানা, এবিএম খালিদ হাসান, আমিনুল ইসলাম এফসিএ, শাহাদাতুল্লাহ টুটুল, ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক সেলিম খান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুল হালিম খোকন, শ্রমিক বিষয়ক সম্পাদক শাহ আব্দুর রহমান, এবি যুব পার্টির সদস্য সচিব হাদীউজ্জামান খোকন, গাজীপুর মহানগরের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার আলমগীর হোসাইন, স্বেচ্ছাসেবক পার্টির আহ্বায়ক কেফায়েত হোসাইন তানভীর, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব বারকাজ নাসির আহমদ, পাঠাগার ও গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার ফারুক, গাজীপুর জেলা ও মহানগরের সদস্য সচিব মাসুদ জমাদার রানা, ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব সামিউল ইসলাম সবুজ, স্বেচ্ছাসেবক পার্টির সদস্য সচিব তোফাজ্জল হোসাইন রমিজ, কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক সফিউল বাশার, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ওমর ফারুক, এবি পেশাজীবি কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব শামীম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (ঢাকা) শাজাহান ব্যাপারী ও শ্রমিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক আজিজা সুলতানা, নারী উন্নয়ন বিষয়ক সহ-সম্পাদক আমেনা বেগম, পেশাজীবী কাউন্সিলের যুগ্ম আহ্বায়ক তানভীর ইউসুফ, রমনা থানা এবি পার্টির আহ্বায়ক আব্দুল কাদের মুন্সী, পলাশ থানার আহ্বায়ক কাজল মিয়া।

সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল বিজয়নগর, কাকরাইল, নয়া পল্টন ও পল্টন মোড় হয়ে এবি পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় চত্বরে এসে শেষ হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড়, ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

বিএনপির কথা-কাজে মিল নেই: মঞ্জু

আপডেট সময় ০৩:১০:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে বিএনপির কথা ও কাজে মিল নেই বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।

বিকালে পল্টনের বিজয়-৭১ চত্বরে এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন। ছাত্র-জনতার বিপ্লবের অর্জন ‘জুলাই সনদ’ নিয়ে টালবাহানা ও ‘গণভোট অধ্যাদেশ’ বাতিলের অপচেষ্টার প্রতিবাদে এ বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

মজিবুর রহমান মঞ্জু তার বক্তব্যে বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে জুলাই অভ্যুত্থান কিছুটা স্বার্থক হয়েছে বলে মনে হবে। অন্যথায় জুলাই অভ্যুত্থান পুরোটাই ব্যর্থ। সরকারি দল গণভোট ও জুলাই সনদ নিয়ে যে ধরনের টালবাহানা ও সাংবিধানিক বিতর্ক তৈরি করেছে, তা খুবই হতাশাজনক।

তিনি বলেন, ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে যদি আমাদের পরাজয় ঘটতো তাহলে শেখ মুজিব, জিয়াউর রহমানসহ সব মুক্তিযোদ্ধারা দেশদ্রোহিতা ও পাকিস্তানের সংবিধান লঙ্ঘনের দায়ে ফাঁসির মুখোমুখি হতেন। জুলাইয়ের শক্তিগুলোর মধ্যে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে যে বিভেদ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে এর সূত্র ধরে যদি আবার কখনো আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয় তাহলে তারেক রহমান, শফিকুর রহমান, ড. ইউনুস, নাহিদ ইসলামসহ আমাদের সবাইকে সংবিধান লঙ্ঘন ও বিপ্লবের দায়ে শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে।

সবাইকে সতর্ক করে এবি পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, গণভোট, জুলাই জাতীয় সনদ আদেশ ও জুলাই সনদকে সাংবিধানিক প্রশ্নে বিতর্কিত করা ফ্যাসিবাদি আওয়ামী লীগের কণ্ঠে সুর মিলানোর শামিল।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলের ঠিকানা হচ্ছে রাজপথ। রাজপথই বাংলাদেশের ইতিহাস বারবার বদলে দেয়। যদি জুলাই সনদ নিয়ে টালবাহানা হয় তবে আমাদের রাজপথই বেছে নিতে হবে এবং গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করতে হবে। কারণ আমরা জুলাইয়ের শহীদ আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ওয়াসিমও আনাসসহ ৬ বছরের শিশু শহীদ রিয়া গোপকে ভুলতে পারবো না। জুলাইয়ের শহীদদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত নতুন বাংলাদেশকে আমরা রক্ষা করবই করবো।

বিক্ষোভ সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা ওহাব মিনার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল মামুন রানা, এবিএম খালিদ হাসান, আমিনুল ইসলাম এফসিএ, শাহাদাতুল্লাহ টুটুল, ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক সেলিম খান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুল হালিম খোকন, শ্রমিক বিষয়ক সম্পাদক শাহ আব্দুর রহমান, এবি যুব পার্টির সদস্য সচিব হাদীউজ্জামান খোকন, গাজীপুর মহানগরের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার আলমগীর হোসাইন, স্বেচ্ছাসেবক পার্টির আহ্বায়ক কেফায়েত হোসাইন তানভীর, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব বারকাজ নাসির আহমদ, পাঠাগার ও গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার ফারুক, গাজীপুর জেলা ও মহানগরের সদস্য সচিব মাসুদ জমাদার রানা, ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব সামিউল ইসলাম সবুজ, স্বেচ্ছাসেবক পার্টির সদস্য সচিব তোফাজ্জল হোসাইন রমিজ, কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক সফিউল বাশার, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ওমর ফারুক, এবি পেশাজীবি কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব শামীম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (ঢাকা) শাজাহান ব্যাপারী ও শ্রমিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক আজিজা সুলতানা, নারী উন্নয়ন বিষয়ক সহ-সম্পাদক আমেনা বেগম, পেশাজীবী কাউন্সিলের যুগ্ম আহ্বায়ক তানভীর ইউসুফ, রমনা থানা এবি পার্টির আহ্বায়ক আব্দুল কাদের মুন্সী, পলাশ থানার আহ্বায়ক কাজল মিয়া।

সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল বিজয়নগর, কাকরাইল, নয়া পল্টন ও পল্টন মোড় হয়ে এবি পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় চত্বরে এসে শেষ হয়।