ঢাকা ০৮:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশ পিটিয়ে আসামি ছিনতাই

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যশোরের কেশবপুরে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে তিন পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামি ছিনিয়ে নিয়েছে স্থানীয়রা।

বুধবার (১ এপ্রিল) রাত দেড়টার দিকে কেশবপুর উপজেলার হিজলডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ছিনিয়ে নেওয়া আসামি জাহাঙ্গীর হোসেনকে ডুমুরিয়া উপজেলার একটি গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

জাহাঙ্গীর হোসেন ওই গ্রামের আলিমুদ্দিনের ছেলে।

আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- কেশবপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আসমত আলী (৫৪), কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম (৩৫) ও কনস্টেবল হাবিবুল্লাহ (৩০)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত দেড়টার দিকে কেশবপুর উপজেলার হিজলডাঙ্গা গ্রামের দুই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি জাহাঙ্গীর হোসেনকে (৩৫) গ্রেফতার করে পুলিশের একটি টিম। জাহাঙ্গীরের ভাই আলামিন ও লিটন মসজিদে ঘোষণা দিয়ে গ্রামবাসীকে পুলিশের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। এ সময় তিনি প্রচার করেন, পুলিশের টিম তার ভাইকে গ্রেফতার করে হত্যা করেছে। এমন ঘোষণার পর এলাকার ৫০ থেকে ৬০ জন জড়ো হয়ে পুলিশ সদস্যদের পিটিয়ে আসামিকে ছিনিয়ে নেয়।

আহত কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম বলেন, আসামি জাহাঙ্গীর হোসেনকে গ্রেফতারের পর মব সৃষ্টি করে আমাদের পিটিয়ে জখম করেছে। এ সময় তারা আসামি ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

কেশবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম জানান, জাহাঙ্গীর হোসেন দুটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে পলাতক ছিলেন। মাদকের মামলায় দুই বছর ও অপরটি পারিবারি মামলায় তিন মাসের সাজা হয়েছে তার। পুলিশ ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামির ভাই মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে গ্রামবাসীকে উত্তেজিত করে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। উত্তেজিত গ্রামবাসী পুলিশকে পিটিয়ে আসামিকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

তিনি বলেন, পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আসামি ছিনতাইয়ের ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশ পিটিয়ে আসামি ছিনতাই

আপডেট সময় ০৩:৩৫:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যশোরের কেশবপুরে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে তিন পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামি ছিনিয়ে নিয়েছে স্থানীয়রা।

বুধবার (১ এপ্রিল) রাত দেড়টার দিকে কেশবপুর উপজেলার হিজলডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ছিনিয়ে নেওয়া আসামি জাহাঙ্গীর হোসেনকে ডুমুরিয়া উপজেলার একটি গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

জাহাঙ্গীর হোসেন ওই গ্রামের আলিমুদ্দিনের ছেলে।

আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- কেশবপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আসমত আলী (৫৪), কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম (৩৫) ও কনস্টেবল হাবিবুল্লাহ (৩০)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত দেড়টার দিকে কেশবপুর উপজেলার হিজলডাঙ্গা গ্রামের দুই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি জাহাঙ্গীর হোসেনকে (৩৫) গ্রেফতার করে পুলিশের একটি টিম। জাহাঙ্গীরের ভাই আলামিন ও লিটন মসজিদে ঘোষণা দিয়ে গ্রামবাসীকে পুলিশের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। এ সময় তিনি প্রচার করেন, পুলিশের টিম তার ভাইকে গ্রেফতার করে হত্যা করেছে। এমন ঘোষণার পর এলাকার ৫০ থেকে ৬০ জন জড়ো হয়ে পুলিশ সদস্যদের পিটিয়ে আসামিকে ছিনিয়ে নেয়।

আহত কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম বলেন, আসামি জাহাঙ্গীর হোসেনকে গ্রেফতারের পর মব সৃষ্টি করে আমাদের পিটিয়ে জখম করেছে। এ সময় তারা আসামি ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

কেশবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম জানান, জাহাঙ্গীর হোসেন দুটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে পলাতক ছিলেন। মাদকের মামলায় দুই বছর ও অপরটি পারিবারি মামলায় তিন মাসের সাজা হয়েছে তার। পুলিশ ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামির ভাই মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে গ্রামবাসীকে উত্তেজিত করে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। উত্তেজিত গ্রামবাসী পুলিশকে পিটিয়ে আসামিকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

তিনি বলেন, পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আসামি ছিনতাইয়ের ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।