ঢাকা ০২:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কারিকুলাম, শিক্ষক ও অবকাঠামোসহ শিক্ষার ৪ স্তম্ভে আমূল পরিবর্তনের ঘোষণা গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর রামিসা হত্যা মামলা: হাইকোর্টে শুনানির পেপারবুক প্রস্তুত প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক বৈঠক দিল্লির বিমানবন্দরে কী ঘটেছে, জানালেন ডা. জাহেদ উর রহমান আগামী তিন মাসের মধ্যে বিডার প্রথম বিদেশি অফিস খোলা হবে চীনে : আশিক চৌধুরী মহাখালী-তেজগাঁও সড়ক অবরোধ আদ-দ্বীন হাসপাতালের অন্য শাখা চলতে বাধা নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ বাজেট বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন ও জনতুষ্টিমূলক: জিএম কাদের দলীয় প্রভাবমুক্ত ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের নির্দেশ অর্থমন্ত্রীর মানবিক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী

তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে খেলা হচ্ছে না ইতালির

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

জেনিৎসার বিলিনো পোলি স্টেডিয়ামে আজ ফুটবল বিধাতা যেন ইতালির দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। ১২ বছরের আক্ষেপ ঘুচিয়ে বিশ্বমঞ্চে ফেরার যে স্বপ্ন নিয়ে জেনিৎসায় পা রেখেছিল আজ্জুরিরা, তা শেষ পর্যন্ত ধূলিসাৎ হয়ে গেল পেনাল্টি শ্যুটআউটে। তাতেই টানা তিনবার ফুটবলের মহাযজ্ঞে দর্শক হয়েই থাকতে হচ্ছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।

প্লে-অফের ফাইনালে প্রথমার্ধে এক গোলে এগিয়েই ছিল ইতালি। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে একটি গোল হজম করলে নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষ হয় ১-১ গোল ব্যবধানে। অতিরিক্ত ৩০ মিনিটের খেলাতেও আসেনি ফলাফল। ফলে ম্যাচটি গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।

টাইব্রেকারের ভাগ্য পরীক্ষায় প্রথম শটেই গোল আদায় করেন বসনিয়ার বেঞ্জামিন তাহিরোভিচ। অন্যদিকে ইতালির হয়ে শট নিতে এসে মিস করেন পিও এস্পোসিতো। দ্বিতীয় শটে দুদলই গোল পায়। পরের শটে বসনিয়া গোল পেলেও মিস করেন ইতালির ব্রায়ান ক্রিস্টান্তে। আর চতুর্থ শটে গোল পেয়ে গেলে ৪-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয় বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার। তাতেই বিশ্বকাপের টিকিট পেয়ে যায় দলটি।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবলের পসরা সাজায় ইতালি। প্রথমার্ধের ১৫তম মিনিটেই দুর্দান্ত এক ফিনিশিংয়ে দলকে লিড এনে দেন ইতালিয়ান ফরোয়ার্ড ময়েস কিন। এই গোলের মাধ্যমে ১২ বছরের বিশ্বকাপ আক্ষেপ মেটানোর পথে বড় এক ধাপ এগিয়ে যায় আজ্জুরিরা। কিন্তু এক গোলে এগিয়ে গেলেও অস্বস্তি নিয়েই বিরতিতে যায় ইতালি। ম্যাচের ৪২তম মিনিটে ইতালির অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার আলেসান্দ্রো বাস্তোনি সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। বসনিয়ার স্ট্রাইকার এডিন জেকো যখন বল নিয়ে ডিবক্সের ঠিক বাইরে বিপজ্জনকভাবে ঢুকে পড়ছিলেন, তখন তাকে ফাউল করে বসেন তিনি। কোনো সময় ক্ষেপন না করে বাস্তোনিকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান রেফারি।

একজন কম নিয়ে খেলায় প্রথমার্ধের শেষদিকে ইতালির রক্ষণভাগে প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করে বসনিয়া। তবে জিয়ানলুইজি ডোনারুমা দৃঢ় গোলকিপিংয়ে প্রথমার্ধে কোনো গোল হজম করেনি চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

দ্বিতীয়ার্ধে একজন বেশি থাকার সুযোগ কাজে লাগিয়ে মুহুর্মুহু আক্রমণে ইতালিকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখে বসনিয়া। যদিও গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি ডোনারুম্মা বেশ কয়েকটি নিশ্চিত গোল বাঁচিয়েছিলেন, কিন্তু ৮২ মিনিটে আর রক্ষা হয়নি। বসনিয়ার এডিন জেকো এবং ডেমিয়রোভিচদের সম্মিলিত একটি আক্রমণ থেকে চমৎকার গোল শোধ করে সমতায় ফেরে স্বাগতিকরা।

নির্ধারিত সময়ে আর কোনো গোল না হওয়ায় ম্যাচটি এখন অতিরিক্ত সময়ে গড়িয়েছে। সেখানে গোল আদায় করতে পারেনি কোনো দলই। ফলে ১-১ গোল ব্যবধানেই শেষ হয় ম্যাচটি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কারিকুলাম, শিক্ষক ও অবকাঠামোসহ শিক্ষার ৪ স্তম্ভে আমূল পরিবর্তনের ঘোষণা গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর

তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে খেলা হচ্ছে না ইতালির

আপডেট সময় ১০:০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

জেনিৎসার বিলিনো পোলি স্টেডিয়ামে আজ ফুটবল বিধাতা যেন ইতালির দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। ১২ বছরের আক্ষেপ ঘুচিয়ে বিশ্বমঞ্চে ফেরার যে স্বপ্ন নিয়ে জেনিৎসায় পা রেখেছিল আজ্জুরিরা, তা শেষ পর্যন্ত ধূলিসাৎ হয়ে গেল পেনাল্টি শ্যুটআউটে। তাতেই টানা তিনবার ফুটবলের মহাযজ্ঞে দর্শক হয়েই থাকতে হচ্ছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।

প্লে-অফের ফাইনালে প্রথমার্ধে এক গোলে এগিয়েই ছিল ইতালি। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে একটি গোল হজম করলে নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষ হয় ১-১ গোল ব্যবধানে। অতিরিক্ত ৩০ মিনিটের খেলাতেও আসেনি ফলাফল। ফলে ম্যাচটি গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।

টাইব্রেকারের ভাগ্য পরীক্ষায় প্রথম শটেই গোল আদায় করেন বসনিয়ার বেঞ্জামিন তাহিরোভিচ। অন্যদিকে ইতালির হয়ে শট নিতে এসে মিস করেন পিও এস্পোসিতো। দ্বিতীয় শটে দুদলই গোল পায়। পরের শটে বসনিয়া গোল পেলেও মিস করেন ইতালির ব্রায়ান ক্রিস্টান্তে। আর চতুর্থ শটে গোল পেয়ে গেলে ৪-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয় বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার। তাতেই বিশ্বকাপের টিকিট পেয়ে যায় দলটি।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবলের পসরা সাজায় ইতালি। প্রথমার্ধের ১৫তম মিনিটেই দুর্দান্ত এক ফিনিশিংয়ে দলকে লিড এনে দেন ইতালিয়ান ফরোয়ার্ড ময়েস কিন। এই গোলের মাধ্যমে ১২ বছরের বিশ্বকাপ আক্ষেপ মেটানোর পথে বড় এক ধাপ এগিয়ে যায় আজ্জুরিরা। কিন্তু এক গোলে এগিয়ে গেলেও অস্বস্তি নিয়েই বিরতিতে যায় ইতালি। ম্যাচের ৪২তম মিনিটে ইতালির অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার আলেসান্দ্রো বাস্তোনি সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। বসনিয়ার স্ট্রাইকার এডিন জেকো যখন বল নিয়ে ডিবক্সের ঠিক বাইরে বিপজ্জনকভাবে ঢুকে পড়ছিলেন, তখন তাকে ফাউল করে বসেন তিনি। কোনো সময় ক্ষেপন না করে বাস্তোনিকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান রেফারি।

একজন কম নিয়ে খেলায় প্রথমার্ধের শেষদিকে ইতালির রক্ষণভাগে প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করে বসনিয়া। তবে জিয়ানলুইজি ডোনারুমা দৃঢ় গোলকিপিংয়ে প্রথমার্ধে কোনো গোল হজম করেনি চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

দ্বিতীয়ার্ধে একজন বেশি থাকার সুযোগ কাজে লাগিয়ে মুহুর্মুহু আক্রমণে ইতালিকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখে বসনিয়া। যদিও গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি ডোনারুম্মা বেশ কয়েকটি নিশ্চিত গোল বাঁচিয়েছিলেন, কিন্তু ৮২ মিনিটে আর রক্ষা হয়নি। বসনিয়ার এডিন জেকো এবং ডেমিয়রোভিচদের সম্মিলিত একটি আক্রমণ থেকে চমৎকার গোল শোধ করে সমতায় ফেরে স্বাগতিকরা।

নির্ধারিত সময়ে আর কোনো গোল না হওয়ায় ম্যাচটি এখন অতিরিক্ত সময়ে গড়িয়েছে। সেখানে গোল আদায় করতে পারেনি কোনো দলই। ফলে ১-১ গোল ব্যবধানেই শেষ হয় ম্যাচটি।