ঢাকা ০৬:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

‘ভুয়া ক্লিনিক-নার্সের মতো ভুয়া ডাক্তার তৈরির কারখানাও বন্ধ করতে হবে’

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

অনিয়মে জর্জরিত বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত।

তিনি বলেন, এমন কিছু মেডিকেল কলেজের ফাইল আছে যারা বিন্দুমাত্র নীতি-নিয়মের তোয়াক্কা করে না। এগুলো ন্যূনতম মান বজায় না রাখলে চলতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, আজ ছুটির দিনে দুপুরে মন্ত্রণালয়ে যান প্রতিমন্ত্রী ড. মুহিত। তার টেবিলে তখন ছিল বেসরকারি মেডিকেল কলেজের কিছু ফাইল।

টেবিলজুড়ে বেসরকারি মেডিকেলের ফাইল দেখিয়ে তিনি বলেন, আমি এমন কিছু মেডিকেল কলেজের ফাইল দেখতে পাচ্ছি, যারা বিন্দুমাত্র নীতি-নিয়মের তোয়াক্কা করছে না। বছরের পর বছর বলার পরেও তারা একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বদলে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মতো কার্যক্রম চালাচ্ছে।

এম এ মুহিত বলেন, অনেক কলেজের নিজস্ব জমি নেই, এমনকি আমানতের দলিলপত্রও নেই। বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) অনুমোদন ছাড়াই চলছে অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান।

ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, সেখানে না আছে হাসপাতাল, না আছে রোগী। তাহলে শিক্ষার্থীরা সেখানে ভর্তি হয়ে কীভাবে চিকিৎসক হিসেবে গড়ে উঠবেন? অভিভাবকরা তাদের সারা জীবনের কষ্টার্জিত অর্থ সন্তানদের পেছনে ব্যয় করছেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা প্রতারিত হচ্ছেন। প্রশিক্ষণহীন এই চিকিৎসকরা যখন বের হবেন, তখন জনগণের জীবন চরম নিরাপত্তাহীনতায় পড়বে।

প্রতিমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন, প্রতিটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজকে একটি ‌‘মিনিমাম স্ট্যান্ডার্ড’ বজায় রাখতে হবে। পর্যাপ্ত জনবল, হাসপাতাল এবং রোগী না থাকলে কোনো প্রতিষ্ঠান চলতে দেওয়া হবে না।

তিনি বর্তমান সরকারকে ‘অনিয়ম থেকে নিয়মের বাংলাদেশ’ গড়ার সরকার হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ভুয়া ক্লিনিক ও নার্সের মতো ভুয়া ডাক্তার তৈরির কারখানাও আমাদের বন্ধ করতে হবে।

জনগণকে এই অভিযানে সমর্থন জানানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনস্বার্থে আমাদের এই লড়াই চলবে। আপনাদের সমর্থন থাকলে আমরা অবশ্যই বিজয়ী হব এবং মানুষের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

‘ভুয়া ক্লিনিক-নার্সের মতো ভুয়া ডাক্তার তৈরির কারখানাও বন্ধ করতে হবে’

আপডেট সময় ০৫:৪৫:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

অনিয়মে জর্জরিত বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত।

তিনি বলেন, এমন কিছু মেডিকেল কলেজের ফাইল আছে যারা বিন্দুমাত্র নীতি-নিয়মের তোয়াক্কা করে না। এগুলো ন্যূনতম মান বজায় না রাখলে চলতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, আজ ছুটির দিনে দুপুরে মন্ত্রণালয়ে যান প্রতিমন্ত্রী ড. মুহিত। তার টেবিলে তখন ছিল বেসরকারি মেডিকেল কলেজের কিছু ফাইল।

টেবিলজুড়ে বেসরকারি মেডিকেলের ফাইল দেখিয়ে তিনি বলেন, আমি এমন কিছু মেডিকেল কলেজের ফাইল দেখতে পাচ্ছি, যারা বিন্দুমাত্র নীতি-নিয়মের তোয়াক্কা করছে না। বছরের পর বছর বলার পরেও তারা একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বদলে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মতো কার্যক্রম চালাচ্ছে।

এম এ মুহিত বলেন, অনেক কলেজের নিজস্ব জমি নেই, এমনকি আমানতের দলিলপত্রও নেই। বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) অনুমোদন ছাড়াই চলছে অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান।

ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, সেখানে না আছে হাসপাতাল, না আছে রোগী। তাহলে শিক্ষার্থীরা সেখানে ভর্তি হয়ে কীভাবে চিকিৎসক হিসেবে গড়ে উঠবেন? অভিভাবকরা তাদের সারা জীবনের কষ্টার্জিত অর্থ সন্তানদের পেছনে ব্যয় করছেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা প্রতারিত হচ্ছেন। প্রশিক্ষণহীন এই চিকিৎসকরা যখন বের হবেন, তখন জনগণের জীবন চরম নিরাপত্তাহীনতায় পড়বে।

প্রতিমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন, প্রতিটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজকে একটি ‌‘মিনিমাম স্ট্যান্ডার্ড’ বজায় রাখতে হবে। পর্যাপ্ত জনবল, হাসপাতাল এবং রোগী না থাকলে কোনো প্রতিষ্ঠান চলতে দেওয়া হবে না।

তিনি বর্তমান সরকারকে ‘অনিয়ম থেকে নিয়মের বাংলাদেশ’ গড়ার সরকার হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ভুয়া ক্লিনিক ও নার্সের মতো ভুয়া ডাক্তার তৈরির কারখানাও আমাদের বন্ধ করতে হবে।

জনগণকে এই অভিযানে সমর্থন জানানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনস্বার্থে আমাদের এই লড়াই চলবে। আপনাদের সমর্থন থাকলে আমরা অবশ্যই বিজয়ী হব এবং মানুষের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করব।