ঢাকা ০২:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

আল-আকসায় প্রবেশে বাধা, রাস্তায় ঈদের নামাজ আদায় ফিলিস্তিনিদের

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

পবিত্র আল-আকসা মসজিদে ফিলিস্তিনিদের ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ের জন্য বাধা দিয়েছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। যা ১৯৬৭ সালের পর প্রথমবারের মতো ঈদের দিনে এই পবিত্র স্থানটি বন্ধ থাকার নজিরবিহীন ঘটনা হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

ইসরায়েলি বাহিনী প্রধান ফটকগুলো বন্ধ করে দেওয়ায় শত শত মুসল্লি মসজিদে প্রবেশ করতে পারেননি। বাধ্য হয়ে তারা মসজিদের প্রবেশদ্বার এবং আশেপাশের রাস্তাগুলোতে নামাজ আদায় করেন।

শুক্রবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার ইসরায়েলি সেনারা মসজিদের ভেতরের চত্বরে মুসল্লিদের প্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের দামেস্ক গেট এলাকায় মুসল্লিরা জড়ো হন। কারণ সেখান থেকেই তারা সবচেয়ে কাছে গিয়ে নামাজ পড়তে পেরেছেন।

জেরুজালেম গভর্নরেট এই পদক্ষেপকে একটি ‘বিপজ্জনক উত্তেজনা বৃদ্ধি’ এবং ‘ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত’ হিসেবে নিন্দা জানিয়েছে।

ওয়াফা সংবাদ সংস্থায় প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো নতুন ‘জুডাইজেশন’ (ইহুদিকরণ) বাস্তবতা চাপিয়ে দেওয়া এবং ফিলিস্তিনি ও ইসলামি পরিবেশ থেকে মসজিদটিকে বিচ্ছিন্ন করা।’

উল্লেখ্য, ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গত ২১ দিন ধরে আল-আকসা মসজিদে মুসল্লিদের প্রবেশ করতে দিচ্ছে না ইসরায়েল।

অন্যদিকে, গাজায় ধ্বংসস্তূপের মাঝেই ঈদ পালন করেছেন ফিলিস্তিনিরা। পরিবারগুলো খোলা জায়গায় এবং ক্ষতিগ্রস্ত মসজিদের সামনে ঈদের নামাজ আদায় করতে সমবেত হন। গণহত্যা এবং বাস্তুচ্যুতির শিকার হওয়া সত্ত্বেও মুসল্লিরা ঈদের ঐতিহ্য বজায় রেখেছেন।

স্থানীয় প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের শেষ দিক থেকে ইসরায়েলি হামলায় গাজার প্রায় ১ হাজার ২৪০টি মসজিদের মধ্যে এক হাজার ১০০টির বেশি ধ্বংস হয়ে গেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

আল-আকসায় প্রবেশে বাধা, রাস্তায় ঈদের নামাজ আদায় ফিলিস্তিনিদের

আপডেট সময় ০৪:৫৫:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

পবিত্র আল-আকসা মসজিদে ফিলিস্তিনিদের ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ের জন্য বাধা দিয়েছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। যা ১৯৬৭ সালের পর প্রথমবারের মতো ঈদের দিনে এই পবিত্র স্থানটি বন্ধ থাকার নজিরবিহীন ঘটনা হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

ইসরায়েলি বাহিনী প্রধান ফটকগুলো বন্ধ করে দেওয়ায় শত শত মুসল্লি মসজিদে প্রবেশ করতে পারেননি। বাধ্য হয়ে তারা মসজিদের প্রবেশদ্বার এবং আশেপাশের রাস্তাগুলোতে নামাজ আদায় করেন।

শুক্রবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার ইসরায়েলি সেনারা মসজিদের ভেতরের চত্বরে মুসল্লিদের প্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের দামেস্ক গেট এলাকায় মুসল্লিরা জড়ো হন। কারণ সেখান থেকেই তারা সবচেয়ে কাছে গিয়ে নামাজ পড়তে পেরেছেন।

জেরুজালেম গভর্নরেট এই পদক্ষেপকে একটি ‘বিপজ্জনক উত্তেজনা বৃদ্ধি’ এবং ‘ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত’ হিসেবে নিন্দা জানিয়েছে।

ওয়াফা সংবাদ সংস্থায় প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো নতুন ‘জুডাইজেশন’ (ইহুদিকরণ) বাস্তবতা চাপিয়ে দেওয়া এবং ফিলিস্তিনি ও ইসলামি পরিবেশ থেকে মসজিদটিকে বিচ্ছিন্ন করা।’

উল্লেখ্য, ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গত ২১ দিন ধরে আল-আকসা মসজিদে মুসল্লিদের প্রবেশ করতে দিচ্ছে না ইসরায়েল।

অন্যদিকে, গাজায় ধ্বংসস্তূপের মাঝেই ঈদ পালন করেছেন ফিলিস্তিনিরা। পরিবারগুলো খোলা জায়গায় এবং ক্ষতিগ্রস্ত মসজিদের সামনে ঈদের নামাজ আদায় করতে সমবেত হন। গণহত্যা এবং বাস্তুচ্যুতির শিকার হওয়া সত্ত্বেও মুসল্লিরা ঈদের ঐতিহ্য বজায় রেখেছেন।

স্থানীয় প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের শেষ দিক থেকে ইসরায়েলি হামলায় গাজার প্রায় ১ হাজার ২৪০টি মসজিদের মধ্যে এক হাজার ১০০টির বেশি ধ্বংস হয়ে গেছে।