ঢাকা ০৯:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বাকপ্রতিবন্ধী এবং নিঃসন্তান এক নারীর গল্পে ‘জ্বীনের বাচ্চা’

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

বাকপ্রতিবন্ধী মৌসুমী হামিদ এবং নিঃসন্তান। এই দুই বাস্তবতা ঘিরেই তাঁর দাম্পত্য ও পারিবারিক জীবনে চরম অশান্তি। স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির অবহেলা, প্রতিবেশীদের কটূক্তি– সব মিলিয়ে তিনি যেন এক নিঃসঙ্গ লড়াইয়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে থাকা এক নারী। এমন গল্পেই নির্মিত হয়েছে ‘জ্বীনের বাচ্চা’। সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে এর ট্রেলার। ট্রেলারের এক পর্যায়ে গ্রামবাংলার প্রচলিত জ্বীন তাড়ানোর কবিরাজি বা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের দৃশ্যও উঠে এসেছে, যা গল্পে রহস্য ও সামাজিক বাস্তবতাকে রূপকের মাধ্যমে প্রকাশ করে। ট্রেলারের অধিকাংশ সময়জুড়ে নানা সংকটে জর্জরিত এক নারীর জীবনসংগ্রামই ফুটে উঠেছে। এতে মৌসুমী হামিদই মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এটি নির্মাণ করেছেন অভিনেতা মোস্তাফিজুর নূর ইমরান। এর আগে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকির ‘ফেউ’-এর মার্শাল কিংবা ‘গুলমোহর-এর রানা তালুকদারসহ আরও দুর্দান্ত সব চরিত্রে দেখা গেছে তাঁকে। এবার প্রথমবারের মতো ক্যামেরার পেছনে। ‘জ্বীনের বাচ্চা’ দিয়ে নির্মাতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটছে তাঁর। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে চরকিতে দেখা যাবে।

‘জ্বীনের বাচ্চা’ নামটা শুনলেই কৌতূহল তৈরি হয়। গল্পের দর্শন প্রসঙ্গে ইমরান বলেন, ‘এটি মূলত মাতৃত্বের গল্প। আমার বিশ্বাস, এই জগতে হোক বা অন্য কোনো জগতে, মাতৃত্বের ভাষা একই। সেই সর্বজনীন অনুভূতিকেই আমি পর্দায় তুলে ধরতে চেয়েছি। পাশাপাশি সমাজের ভেতরে লুকিয়ে থাকা এক ধরনের অদৃশ্য অস্বস্তিকে রূপকভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করেছি এখানে।’

নিজের চরিত্র প্রসঙ্গে মৌসুমী হামিদ জানান, এটি শুধু মাতৃত্বের গল্প নয়; বরং গভীর বেদনার গল্প। তাঁর ভাষায়, ‘চরিত্রটিতে পেইন ছাড়া কিছু নেই। তবে তাঁর কষ্ট কিছুটা লাঘব হয় তখনই, যখন সে নিজেকে কোনো এক শিশুর মা হিসেবে কল্পনা করে বা অনুভব করে।’

অভিনয়ের অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘কথা না বলে শুধু অভিব্যক্তির মাধ্যমে অভিনয় করা ভীষণ কঠিন। চরিত্রের প্রস্তুতির জন্য নির্মাতা আমাকে টানা তিনদিন সেটে কথা বলতে দেননি। সেই নীরবতার কষ্টই হয়তো চরিত্রে বাস্তব বেদনার ছাপ এনে দিয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত দর্শকরাই এর সঠিক মূল্যায়ন করবেন।’

মৌসুমী হামিদের সঙ্গে এতে আরও অভিনয় করেছেন সরকার রওনক রিপন, আজাদ আবুল কালাম, অদ্রিজিৎ মণ্ডল, আনোয়ারুল হক, রিবন খন্দকার। গল্পটি লিখেছেন স্বাক্ষর কুন্ডু দীপ এবং চিত্রনাট্য ও সংলাপ রচনা করেছেন রাজীব হোসেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

বাকপ্রতিবন্ধী এবং নিঃসন্তান এক নারীর গল্পে ‘জ্বীনের বাচ্চা’

আপডেট সময় ০২:২০:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

বাকপ্রতিবন্ধী মৌসুমী হামিদ এবং নিঃসন্তান। এই দুই বাস্তবতা ঘিরেই তাঁর দাম্পত্য ও পারিবারিক জীবনে চরম অশান্তি। স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির অবহেলা, প্রতিবেশীদের কটূক্তি– সব মিলিয়ে তিনি যেন এক নিঃসঙ্গ লড়াইয়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে থাকা এক নারী। এমন গল্পেই নির্মিত হয়েছে ‘জ্বীনের বাচ্চা’। সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে এর ট্রেলার। ট্রেলারের এক পর্যায়ে গ্রামবাংলার প্রচলিত জ্বীন তাড়ানোর কবিরাজি বা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের দৃশ্যও উঠে এসেছে, যা গল্পে রহস্য ও সামাজিক বাস্তবতাকে রূপকের মাধ্যমে প্রকাশ করে। ট্রেলারের অধিকাংশ সময়জুড়ে নানা সংকটে জর্জরিত এক নারীর জীবনসংগ্রামই ফুটে উঠেছে। এতে মৌসুমী হামিদই মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এটি নির্মাণ করেছেন অভিনেতা মোস্তাফিজুর নূর ইমরান। এর আগে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকির ‘ফেউ’-এর মার্শাল কিংবা ‘গুলমোহর-এর রানা তালুকদারসহ আরও দুর্দান্ত সব চরিত্রে দেখা গেছে তাঁকে। এবার প্রথমবারের মতো ক্যামেরার পেছনে। ‘জ্বীনের বাচ্চা’ দিয়ে নির্মাতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটছে তাঁর। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে চরকিতে দেখা যাবে।

‘জ্বীনের বাচ্চা’ নামটা শুনলেই কৌতূহল তৈরি হয়। গল্পের দর্শন প্রসঙ্গে ইমরান বলেন, ‘এটি মূলত মাতৃত্বের গল্প। আমার বিশ্বাস, এই জগতে হোক বা অন্য কোনো জগতে, মাতৃত্বের ভাষা একই। সেই সর্বজনীন অনুভূতিকেই আমি পর্দায় তুলে ধরতে চেয়েছি। পাশাপাশি সমাজের ভেতরে লুকিয়ে থাকা এক ধরনের অদৃশ্য অস্বস্তিকে রূপকভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করেছি এখানে।’

নিজের চরিত্র প্রসঙ্গে মৌসুমী হামিদ জানান, এটি শুধু মাতৃত্বের গল্প নয়; বরং গভীর বেদনার গল্প। তাঁর ভাষায়, ‘চরিত্রটিতে পেইন ছাড়া কিছু নেই। তবে তাঁর কষ্ট কিছুটা লাঘব হয় তখনই, যখন সে নিজেকে কোনো এক শিশুর মা হিসেবে কল্পনা করে বা অনুভব করে।’

অভিনয়ের অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘কথা না বলে শুধু অভিব্যক্তির মাধ্যমে অভিনয় করা ভীষণ কঠিন। চরিত্রের প্রস্তুতির জন্য নির্মাতা আমাকে টানা তিনদিন সেটে কথা বলতে দেননি। সেই নীরবতার কষ্টই হয়তো চরিত্রে বাস্তব বেদনার ছাপ এনে দিয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত দর্শকরাই এর সঠিক মূল্যায়ন করবেন।’

মৌসুমী হামিদের সঙ্গে এতে আরও অভিনয় করেছেন সরকার রওনক রিপন, আজাদ আবুল কালাম, অদ্রিজিৎ মণ্ডল, আনোয়ারুল হক, রিবন খন্দকার। গল্পটি লিখেছেন স্বাক্ষর কুন্ডু দীপ এবং চিত্রনাট্য ও সংলাপ রচনা করেছেন রাজীব হোসেন।