ঢাকা ১২:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করা উচিত: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রুমিন ফারহানার বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ বরগুনায় ডাকবাংলো থেকে দুই শিশু ও মায়ের মরদেহ উদ্ধার মায়ের প্রতি অবহেলা: শাস্তি পাবেন সেই যুগ্ম সচিব বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক এমপিদের সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির জ্ঞান থাকা আবশ্যক : স্পিকার ইরানের সুপ্রিম লিডার মোজতবার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান ট্রাম্প ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না, দাবি ট্রাম্পের

হৃদয়-মায়ার্সের তাণ্ডবে বরিশালের দুরন্ত জয়

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

কাজটা বোলাররাই সেরে রেখেছিলেন। স্বাগতিক সিলেট স্ট্রাইকার্সকে ১২৫ রানেই আটকে দিয়েছিলেন জাহানদাদ খান-রিশাদ হোসেনরা। জয়ের জন্য ফরচুন বরিশালের সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছিল ১২৬ রান। সে রান তুলতে মোটে ১০.৩ ওভার খরচ করেছেন দলটির ব্যাটাররা।

তাওহিদ হৃদয় আর কাইল মায়ার্সের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৭ উইকেটে জয় পেয়েছে বরিশাল। এই জয়ে চার ম্যাচে তিন জয়ে পয়েন্ট তালিকার দুই নম্বরে উঠে এসেছে তামিম ইকবালের দল। টানা তিন হারে তলানিতে চলে গেছে সিলেট।

যদিও সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অবশ্য শুরুতেই হোঁচট খেয়েছিল বরিশাল। আগের ম্যাচে জয়ের নায়ক তামিম ইকবাল এদিন ‘গোল্ডেন ডাক’ মেরে ফিরেছেন। অন্য ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত ৩ বলে ৪ রানের বেশি করতে পারেননি।

তবে ৬ রানে ২ উইকেট হারানো দলকে এরপর টেনে নিয়েছেন তাওহিদ হৃদয় এবং কাইল মায়ার্স। তৃতীয় উইকেটে ১১৬ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিয়েছেন তারা।

দল যখন জয়ের হাতছোঁয়া দূরত্বে তখন ব্যক্তিগত ৪৮ রানে তানজিম সাকিবের দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে যান হৃদয়। তার ২৭ বলে খেলা ইনিংসে ছিল ৮টি চার আর ২টি ছক্কার মার।

হৃদয় ফিরলেও দলকে জিতিয়েই মাঠ ছেড়েছেন মায়ার্স। ৩১ বলে ৫ চার আর ৪ ছক্কায় ৫৯ রানে অপরাজিত থাকেন ক্যারিবীয় এই অলরাউন্ডার।

এর আগে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টস জিতে স্বাগতিকদের ব্যাটিংয়ে পাঠায় বরিশাল। রানের খাতা খোলার আগেই ওপেনার রনি তালুকদারের (০) উইকেট হারায় সিলেট। তবে অন্য ওপেনার রাকিম কর্নওয়াল (১৮), জাকির হাসান (২৫) এবং জর্জ মানসিদের (২৮) ব্যাটে শুরুটা একেবারে মন্দ হয়নি দলটির। ৭ ওভারেই তারা স্কোরবোর্ডে ২ উইকেটে ৭০ রান জমা করেন।

ধসের শুরুটা হয় নবম ওভারে। এক বলের ব্যবধানে মানসি এবং অ্যারন জোনসকে সাজঘরের পথ চেনান জাহানদাদ খান। সেই যে আসা-যাওয়ার মিছিল শুরু, তা আর থামেনি। ২ উইকেটে ৭৬ থেকে মুহূর্তেই ৮ উইকেটে ৮৯ রানে পরিণত হয় দলটি। মাঝে আরিফুল ২৯ বলে ৩ ছক্কা ও ১ চারে ৩৬ রান করে সিলেটকে একশ পার করে দেন।

বরিশালের পক্ষে সর্বোচ্চ তিনটি করে উইকেট পান পাকিস্তানি পেসার জাহানদাদ ও বাংলাদেশের রিশাদ হোসেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হৃদয়-মায়ার্সের তাণ্ডবে বরিশালের দুরন্ত জয়

আপডেট সময় ০৯:৫৫:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৫

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

কাজটা বোলাররাই সেরে রেখেছিলেন। স্বাগতিক সিলেট স্ট্রাইকার্সকে ১২৫ রানেই আটকে দিয়েছিলেন জাহানদাদ খান-রিশাদ হোসেনরা। জয়ের জন্য ফরচুন বরিশালের সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছিল ১২৬ রান। সে রান তুলতে মোটে ১০.৩ ওভার খরচ করেছেন দলটির ব্যাটাররা।

তাওহিদ হৃদয় আর কাইল মায়ার্সের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৭ উইকেটে জয় পেয়েছে বরিশাল। এই জয়ে চার ম্যাচে তিন জয়ে পয়েন্ট তালিকার দুই নম্বরে উঠে এসেছে তামিম ইকবালের দল। টানা তিন হারে তলানিতে চলে গেছে সিলেট।

যদিও সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অবশ্য শুরুতেই হোঁচট খেয়েছিল বরিশাল। আগের ম্যাচে জয়ের নায়ক তামিম ইকবাল এদিন ‘গোল্ডেন ডাক’ মেরে ফিরেছেন। অন্য ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত ৩ বলে ৪ রানের বেশি করতে পারেননি।

তবে ৬ রানে ২ উইকেট হারানো দলকে এরপর টেনে নিয়েছেন তাওহিদ হৃদয় এবং কাইল মায়ার্স। তৃতীয় উইকেটে ১১৬ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিয়েছেন তারা।

দল যখন জয়ের হাতছোঁয়া দূরত্বে তখন ব্যক্তিগত ৪৮ রানে তানজিম সাকিবের দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে যান হৃদয়। তার ২৭ বলে খেলা ইনিংসে ছিল ৮টি চার আর ২টি ছক্কার মার।

হৃদয় ফিরলেও দলকে জিতিয়েই মাঠ ছেড়েছেন মায়ার্স। ৩১ বলে ৫ চার আর ৪ ছক্কায় ৫৯ রানে অপরাজিত থাকেন ক্যারিবীয় এই অলরাউন্ডার।

এর আগে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টস জিতে স্বাগতিকদের ব্যাটিংয়ে পাঠায় বরিশাল। রানের খাতা খোলার আগেই ওপেনার রনি তালুকদারের (০) উইকেট হারায় সিলেট। তবে অন্য ওপেনার রাকিম কর্নওয়াল (১৮), জাকির হাসান (২৫) এবং জর্জ মানসিদের (২৮) ব্যাটে শুরুটা একেবারে মন্দ হয়নি দলটির। ৭ ওভারেই তারা স্কোরবোর্ডে ২ উইকেটে ৭০ রান জমা করেন।

ধসের শুরুটা হয় নবম ওভারে। এক বলের ব্যবধানে মানসি এবং অ্যারন জোনসকে সাজঘরের পথ চেনান জাহানদাদ খান। সেই যে আসা-যাওয়ার মিছিল শুরু, তা আর থামেনি। ২ উইকেটে ৭৬ থেকে মুহূর্তেই ৮ উইকেটে ৮৯ রানে পরিণত হয় দলটি। মাঝে আরিফুল ২৯ বলে ৩ ছক্কা ও ১ চারে ৩৬ রান করে সিলেটকে একশ পার করে দেন।

বরিশালের পক্ষে সর্বোচ্চ তিনটি করে উইকেট পান পাকিস্তানি পেসার জাহানদাদ ও বাংলাদেশের রিশাদ হোসেন।