ঢাকা ০৫:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বাংলাদেশের মতো দলের বিপক্ষে টেস্ট খেলতে চায় না ৩ মোড়ল

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

‘টেস্ট ক্রিকেটকে রক্ষা করতে’ দুই স্তরের কাঠামোয় সাজানোর প্রস্তাব আইসিসিকে দিচ্ছে ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড। সদ্যসমাপ্ত বোর্ডার গাভাস্কার সিরিজের পর এর আলোচনা জোর পেয়েছে বেশ। এর পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মাইকেল ভন ও ভারতীয় কিংবদন্তি রবি শাস্ত্রী।

আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম জানাচ্ছে, এই মাসে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, ভারতের এই দুই স্তরের টেস্ট কাঠামোর প্রস্তাব নিয়ে আলোচনায় বসবেন আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ। এই কাঠামো প্রবর্তন করা হলে বাংলাদেশের মতো দলের জন্য টেস্ট ক্রিকেটে শীর্ষ দলগুলো যেমন ভারত, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট খেলা হবে না আর, যা আবার আর্থিকভাবেও ক্ষতি করতে পারে দলগুলোকে।

ভন ও শাস্ত্রীর প্রস্তাব, টেস্ট ক্রিকেটের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে প্রোমোশন ও রেলিগেশন ব্যবস্থাসহ দ্বিস্তর কাঠামো চালু করা প্রয়োজন। সবশেষ বোর্ডার গাভাস্কার সিরিজ দেখে এই ভাবনা আরও শক্ত হয়েছে ভনের, বিষয়টা জানালেন তিনি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘এই সিরিজটি আমার দৃষ্টিভঙ্গিকে আরও মজবুত করেছে যে ক্রিকেট কোন দিকে যাচ্ছে এবং প্রশাসকদের কী নিয়ে কাজ করা উচিত।’

ভন আরও এক চমকে যাওয়ার মতো প্রস্তাব দিয়েছেন, টেস্ট ক্রিকেটকে চার দিনের করে ফেলা হোক বলে মত দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি এটি একটি চার দিনের পণ্য হওয়া উচিত, যেখানে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সংখ্যক ওভার নিশ্চিত থাকবে, প্রতি সিরিজে অন্তত তিনটি ম্যাচ এবং দুটি স্তর থাকবে, যাতে প্রোমোশন ও রেলিগেশন থাকবে।’

শাস্ত্রী বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের মধ্যে টেস্ট সিরিজ প্রমাণ করেছে, টেস্ট ক্রিকেট এখনও তার নিজস্ব অবস্থান ধরে রাখতে পারে, তবে এটি টিকে থাকতে চাইলে সেরা দলগুলোকে আরও ঘন ঘন একে অপরের মুখোমুখি হতে হবে।’

বিষয়টাকে বিবেচনায় আনা হচ্ছে দেখে আনন্দিত ভন। তিনি বলেন, ‘আমি আনন্দিত যে আইসিসি ২০২৭ সাল থেকে দ্বিস্তর কাঠামোর কথা বিবেচনা করছে, যা প্রতি তিন বছরে দু’বার অ্যাশেজ আয়োজনের সুযোগ দিতে পারে।’

তবে ছোট দলগুলো এতে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। দ্বিস্তর চালু হলে বড় দলগুলো একে অপরের বিপক্ষে বেশি খেলবে, যা ছোট দলগুলোর আয় ও প্রতিযোগিতার সুযোগ কমাবে। ২০১৬ সালেও এমন একটি প্রস্তাব উঠেছিল, কিন্তু ভারতের নেতৃত্বে বিরোধিতার কারণে তা আলোর মুখ দেখেনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

বাংলাদেশের মতো দলের বিপক্ষে টেস্ট খেলতে চায় না ৩ মোড়ল

আপডেট সময় ০১:৪১:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৫

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

‘টেস্ট ক্রিকেটকে রক্ষা করতে’ দুই স্তরের কাঠামোয় সাজানোর প্রস্তাব আইসিসিকে দিচ্ছে ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড। সদ্যসমাপ্ত বোর্ডার গাভাস্কার সিরিজের পর এর আলোচনা জোর পেয়েছে বেশ। এর পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মাইকেল ভন ও ভারতীয় কিংবদন্তি রবি শাস্ত্রী।

আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম জানাচ্ছে, এই মাসে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, ভারতের এই দুই স্তরের টেস্ট কাঠামোর প্রস্তাব নিয়ে আলোচনায় বসবেন আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ। এই কাঠামো প্রবর্তন করা হলে বাংলাদেশের মতো দলের জন্য টেস্ট ক্রিকেটে শীর্ষ দলগুলো যেমন ভারত, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট খেলা হবে না আর, যা আবার আর্থিকভাবেও ক্ষতি করতে পারে দলগুলোকে।

ভন ও শাস্ত্রীর প্রস্তাব, টেস্ট ক্রিকেটের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে প্রোমোশন ও রেলিগেশন ব্যবস্থাসহ দ্বিস্তর কাঠামো চালু করা প্রয়োজন। সবশেষ বোর্ডার গাভাস্কার সিরিজ দেখে এই ভাবনা আরও শক্ত হয়েছে ভনের, বিষয়টা জানালেন তিনি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘এই সিরিজটি আমার দৃষ্টিভঙ্গিকে আরও মজবুত করেছে যে ক্রিকেট কোন দিকে যাচ্ছে এবং প্রশাসকদের কী নিয়ে কাজ করা উচিত।’

ভন আরও এক চমকে যাওয়ার মতো প্রস্তাব দিয়েছেন, টেস্ট ক্রিকেটকে চার দিনের করে ফেলা হোক বলে মত দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি এটি একটি চার দিনের পণ্য হওয়া উচিত, যেখানে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সংখ্যক ওভার নিশ্চিত থাকবে, প্রতি সিরিজে অন্তত তিনটি ম্যাচ এবং দুটি স্তর থাকবে, যাতে প্রোমোশন ও রেলিগেশন থাকবে।’

শাস্ত্রী বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের মধ্যে টেস্ট সিরিজ প্রমাণ করেছে, টেস্ট ক্রিকেট এখনও তার নিজস্ব অবস্থান ধরে রাখতে পারে, তবে এটি টিকে থাকতে চাইলে সেরা দলগুলোকে আরও ঘন ঘন একে অপরের মুখোমুখি হতে হবে।’

বিষয়টাকে বিবেচনায় আনা হচ্ছে দেখে আনন্দিত ভন। তিনি বলেন, ‘আমি আনন্দিত যে আইসিসি ২০২৭ সাল থেকে দ্বিস্তর কাঠামোর কথা বিবেচনা করছে, যা প্রতি তিন বছরে দু’বার অ্যাশেজ আয়োজনের সুযোগ দিতে পারে।’

তবে ছোট দলগুলো এতে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। দ্বিস্তর চালু হলে বড় দলগুলো একে অপরের বিপক্ষে বেশি খেলবে, যা ছোট দলগুলোর আয় ও প্রতিযোগিতার সুযোগ কমাবে। ২০১৬ সালেও এমন একটি প্রস্তাব উঠেছিল, কিন্তু ভারতের নেতৃত্বে বিরোধিতার কারণে তা আলোর মুখ দেখেনি।