ঢাকা ০২:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পে স্কেল বাস্তবায়ন পে কমিশনের প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করছে :অর্থ উপদেষ্টা প্লট দুর্নীতি মামলায় শেখ হাসিনা টিউলিপসহ ১৮ জনের মামলার রায় ২ ফেব্রুয়ারি চুয়াডাঙ্গায় সেনাবাহিনীর হাতে আটকের পর বিএনপি নেতার মৃত্যু ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ও গণভোটই নির্ধারণ করবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ: ড. মুহাম্মদ ইউনূস ব্যক্তির স্বৈরাচার হওয়া রোধেই আইনসভার উচ্চকক্ষ : আলী রীয়াজ ইরানে বিক্ষোভকারীদের ওপর সরকারের দমন-পীড়ন, কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ইরানি জনগণই স্বৈরশাসকদের ক্ষমতাচ্যুত করবে: অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক

ভারতকে হারিয়ে এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের ফাইনালে শক্তিশালী ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। রোববার দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ভারতকে ৫৯ রানে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করে টাইগার যুবারা।

এদিন আগে ব্যাট করে ৪৯.১ ওভারে ১৯৮ রানেই অলআউট বাংলাদেশ যুব দল। টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৩৫.১ ওভারে ১৩৯ রানে অলআউট হয় টুর্নামেন্টের শক্তিশালী প্রতিপক্ষ ভারত।

বাংলাদেশের শিরোপা জয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন ইকবাল হোসেন ইমন, আজিজুল করিম ও ফাহাদ। তাদের বোলিং তোপে বড় কোনো চুটি গড়তে পারেনি ভারত। যে কারণে ৩০০ বলে মাত্র ১৯৯ রানের মামুলি স্কোর তাড়া করতে নেমে জয়ের বন্দরে নোঙর ফেলতে পারেনি ভারত।

রোববার দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে বাংলাদেশ দল। বাংলাদেশ ২০০ রানের কাছাকাছি যেতে পেরেছে মূলত নবম উইকেটে ফরিদ হাসান ও আল ফাহাদের ৩১ রানের জুটিতে।

১৬৭ রানেই ৮ উইকেট হারানো বাংলাদেশের শুরুটা অবশ্য আশা জাগানিয়া ছিল। প্রথম ওভারে যুধাজিৎ গুহর বলে ছক্কা মেরে বাংলাদেশের রানের খাতা খোলেন জাওয়াদ আবরার। অন্য প্রান্তে কালাম সিদ্দিকী অবশ্য রান বের করতে পারছিলেন না। যুধাজিতের বলে আউট হন ১৬ বলে ১ রান করে। জাওয়াদও আউট হন পাওয়ার প্লে শেষ হতেই, ২০ রান করে।

দলের সবচেয়ে বড় তারকা আজিজুল হাকিমও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ১৬ রানে আউট হয়েছেন। আজিজুলের উইকেট বড় ধাক্কা হয়ে আসে বাংলাদেশের ব্যাটিং বিভাগে। কারণ এই টুর্নামেন্টে ব্যাট হাতে বাংলাদেশকে অনেকটা একাই টানছিলেন তিনি।

য় ৩১.৫ ওভারে ১১৫ রানে ৮ উইকেট হারায় ভারত। অষ্টম ব্যাটসম্যান হিসেবে ভারতীয় অধিনায়ক মোহাম্মদ আমান আউট হওয়ার পর বাংলাদেশ শিবিরে স্বস্তির আবহ নেমে আসে।

শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে ৩০০ বলে ১৯৯ রানের মামুলি স্কোর তাড়া করতে নেমে ২৪ রানে ২ ওপেনারের উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। এরপর দলীয় ৪৪ রানে হারায় তৃতীয় উইকেট।

তারপর দলের হাল ধরেন কেপি কার্তিক আর অধিনায়ক মোহাম্মদ আমান। এই জুটিতে তারা ২৯ রান যোগ করেন। এরপর শূন্য রানের ব্যবধানে ভারত পরপর দুই উইকেট হারায়। দলীয় ৮১ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারিয়ে চরম বিপদে পড়ে যায়।

এরপর দলকে একাই টেনে নেনে অধিনায়ক আমান। দলীয় ১১৫ রানে অষ্টম উইকেট হিসেবে তার বিদায়ে জয়ের স্বপ্ন ফিকে হয়ে যায় ভারতে। শেষ পর্যন্ত ৩৫.১ ওভারে ১৩৯ রানে অলআউট হয় ভারত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রিয়ালের নতুন কোচ আরবেলোয়া

ভারতকে হারিয়ে এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০৬:১৮:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৪

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের ফাইনালে শক্তিশালী ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। রোববার দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ভারতকে ৫৯ রানে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করে টাইগার যুবারা।

এদিন আগে ব্যাট করে ৪৯.১ ওভারে ১৯৮ রানেই অলআউট বাংলাদেশ যুব দল। টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৩৫.১ ওভারে ১৩৯ রানে অলআউট হয় টুর্নামেন্টের শক্তিশালী প্রতিপক্ষ ভারত।

বাংলাদেশের শিরোপা জয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন ইকবাল হোসেন ইমন, আজিজুল করিম ও ফাহাদ। তাদের বোলিং তোপে বড় কোনো চুটি গড়তে পারেনি ভারত। যে কারণে ৩০০ বলে মাত্র ১৯৯ রানের মামুলি স্কোর তাড়া করতে নেমে জয়ের বন্দরে নোঙর ফেলতে পারেনি ভারত।

রোববার দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে বাংলাদেশ দল। বাংলাদেশ ২০০ রানের কাছাকাছি যেতে পেরেছে মূলত নবম উইকেটে ফরিদ হাসান ও আল ফাহাদের ৩১ রানের জুটিতে।

১৬৭ রানেই ৮ উইকেট হারানো বাংলাদেশের শুরুটা অবশ্য আশা জাগানিয়া ছিল। প্রথম ওভারে যুধাজিৎ গুহর বলে ছক্কা মেরে বাংলাদেশের রানের খাতা খোলেন জাওয়াদ আবরার। অন্য প্রান্তে কালাম সিদ্দিকী অবশ্য রান বের করতে পারছিলেন না। যুধাজিতের বলে আউট হন ১৬ বলে ১ রান করে। জাওয়াদও আউট হন পাওয়ার প্লে শেষ হতেই, ২০ রান করে।

দলের সবচেয়ে বড় তারকা আজিজুল হাকিমও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ১৬ রানে আউট হয়েছেন। আজিজুলের উইকেট বড় ধাক্কা হয়ে আসে বাংলাদেশের ব্যাটিং বিভাগে। কারণ এই টুর্নামেন্টে ব্যাট হাতে বাংলাদেশকে অনেকটা একাই টানছিলেন তিনি।

য় ৩১.৫ ওভারে ১১৫ রানে ৮ উইকেট হারায় ভারত। অষ্টম ব্যাটসম্যান হিসেবে ভারতীয় অধিনায়ক মোহাম্মদ আমান আউট হওয়ার পর বাংলাদেশ শিবিরে স্বস্তির আবহ নেমে আসে।

শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে ৩০০ বলে ১৯৯ রানের মামুলি স্কোর তাড়া করতে নেমে ২৪ রানে ২ ওপেনারের উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। এরপর দলীয় ৪৪ রানে হারায় তৃতীয় উইকেট।

তারপর দলের হাল ধরেন কেপি কার্তিক আর অধিনায়ক মোহাম্মদ আমান। এই জুটিতে তারা ২৯ রান যোগ করেন। এরপর শূন্য রানের ব্যবধানে ভারত পরপর দুই উইকেট হারায়। দলীয় ৮১ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারিয়ে চরম বিপদে পড়ে যায়।

এরপর দলকে একাই টেনে নেনে অধিনায়ক আমান। দলীয় ১১৫ রানে অষ্টম উইকেট হিসেবে তার বিদায়ে জয়ের স্বপ্ন ফিকে হয়ে যায় ভারতে। শেষ পর্যন্ত ৩৫.১ ওভারে ১৩৯ রানে অলআউট হয় ভারত।