ঢাকা ১১:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য মোদির সমালোচনা করলেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে ভারতে গিয়ে আশ্রয় নেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর দেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন হলে ভারতে শেখ হাসিনার আশ্রয় পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে বারবার প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এবার একই ইস্যুতে প্রশ্ন তুললেন ভারতেরই পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন।

ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রবিবার বিজেপির ইশতেহার প্রকাশের সময় বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দেওয়া নিয়ে হেমন্ত সোরেনকে অভিযুক্ত করেন অমিত শাহ। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ভারতে শেখ হাসিনার আশ্রয় পাওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে অমিত শাহর প্রতি পাল্টা প্রশ্ন তোলেন তিনি।

ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে উদ্দেশ্য করে অমিত শাহ বলেছিলেন, আপনি অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দিয়ে আপনার ভোটব্যাংক বানিয়েছেন। আজ আমি ঝাড়খণ্ডের জনগণকে জানাতে চাই, তুষ্টির রাজনীতির অবসান ঘটিয়ে বিজেপি অনুপ্রবেশকারীদের তাড়িয়ে দেবে এবং ঝাড়খণ্ডকে প্রথম থেকে পুনর্গঠন করবে।

অমিত শাহের এ মন্তব্যের জবাবে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। সরাসরি কেন্দ্রীয় সরকারের দিকে আঙুল তুলে পাল্টা প্রশ্ন করে তিনি বলেন, কীসের ভিত্তিতে হাসিনাকে ভারতে আশ্রয়ে দিয়েছে মোদি সরকার? শেখ হাসিনার হেলিকপ্টার কেন এখানে নামতে দিলেন? আমি জানতে চাই, বাংলাদেশের সঙ্গে বিজেপির কোনো ধরনের অভ্যন্তরীণ বোঝাপড়া আছে কিনা?

সোরেনের দাবি, ঝাড়খণ্ডে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বাংলাদেশে সরবরাহ করা হচ্ছে, আর রাজ্যের মানুষ এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর কারণে সৃষ্ট দূষণ মোকাবিলা করছে।

তিনি বলেন, সীমান্ত পাহারা দেওয়া এবং অনুপ্রবেশ রোধ করা কি কেন্দ্রের দায়িত্ব নয়? এতে রাজ্য সরকারের কোনো ভূমিকা নেই। অনুপ্রবেশকারীরা আপনার (বিজেপি) শাসিত রাজ্যগুলোর মাধ্যমে ভারতে প্রবেশ করে। আপনি সেখানে অনুপ্রবেশ খতিয়ে দেখেন না কেন?

উল্লেখ্য, ৮১ সদস্যের ঝাড়খণ্ড বিধানসভার নির্বাচন দু’টি ধাপে ১৩ ও ২০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। ভোট গণনা করা হবে আগামী ২৩ নভেম্বর। বিজেপিবিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র অধীনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে ঝাড়খণ্ডের বর্তমান ক্ষমতাসীন দল জেএমএম।

আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য মোদির সমালোচনা করলেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ১২:৫৪:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ নভেম্বর ২০২৪

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে ভারতে গিয়ে আশ্রয় নেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর দেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন হলে ভারতে শেখ হাসিনার আশ্রয় পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে বারবার প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এবার একই ইস্যুতে প্রশ্ন তুললেন ভারতেরই পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন।

ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রবিবার বিজেপির ইশতেহার প্রকাশের সময় বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দেওয়া নিয়ে হেমন্ত সোরেনকে অভিযুক্ত করেন অমিত শাহ। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ভারতে শেখ হাসিনার আশ্রয় পাওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে অমিত শাহর প্রতি পাল্টা প্রশ্ন তোলেন তিনি।

ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে উদ্দেশ্য করে অমিত শাহ বলেছিলেন, আপনি অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দিয়ে আপনার ভোটব্যাংক বানিয়েছেন। আজ আমি ঝাড়খণ্ডের জনগণকে জানাতে চাই, তুষ্টির রাজনীতির অবসান ঘটিয়ে বিজেপি অনুপ্রবেশকারীদের তাড়িয়ে দেবে এবং ঝাড়খণ্ডকে প্রথম থেকে পুনর্গঠন করবে।

অমিত শাহের এ মন্তব্যের জবাবে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। সরাসরি কেন্দ্রীয় সরকারের দিকে আঙুল তুলে পাল্টা প্রশ্ন করে তিনি বলেন, কীসের ভিত্তিতে হাসিনাকে ভারতে আশ্রয়ে দিয়েছে মোদি সরকার? শেখ হাসিনার হেলিকপ্টার কেন এখানে নামতে দিলেন? আমি জানতে চাই, বাংলাদেশের সঙ্গে বিজেপির কোনো ধরনের অভ্যন্তরীণ বোঝাপড়া আছে কিনা?

সোরেনের দাবি, ঝাড়খণ্ডে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বাংলাদেশে সরবরাহ করা হচ্ছে, আর রাজ্যের মানুষ এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর কারণে সৃষ্ট দূষণ মোকাবিলা করছে।

তিনি বলেন, সীমান্ত পাহারা দেওয়া এবং অনুপ্রবেশ রোধ করা কি কেন্দ্রের দায়িত্ব নয়? এতে রাজ্য সরকারের কোনো ভূমিকা নেই। অনুপ্রবেশকারীরা আপনার (বিজেপি) শাসিত রাজ্যগুলোর মাধ্যমে ভারতে প্রবেশ করে। আপনি সেখানে অনুপ্রবেশ খতিয়ে দেখেন না কেন?

উল্লেখ্য, ৮১ সদস্যের ঝাড়খণ্ড বিধানসভার নির্বাচন দু’টি ধাপে ১৩ ও ২০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। ভোট গণনা করা হবে আগামী ২৩ নভেম্বর। বিজেপিবিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র অধীনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে ঝাড়খণ্ডের বর্তমান ক্ষমতাসীন দল জেএমএম।