ঢাকা ১২:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হবে আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্রশিবিরকে তরুণ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান সন্তানেরা যুগ্মসচিব-বুয়েট শিক্ষক, তবুও একা ঘরে মরতে হলো বৃদ্ধ মাকে ‘ইরান সরকারের ভিত্তি নড়ে গেছে, এটি ভেঙে পড়তে বাধ্য’ খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত ঈদের দিন স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭৭ বর্তমান সরকার সব মানুষের ধর্মের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: মঈন খান জাতীয় ঐক্য ও দেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঈদের দিন রামিসার পরিবারের সঙ্গে রিজভীর সাক্ষাৎ, জানালেন সমবেদনা

মিয়ানমারে গোলাগুলি, সীমান্তবাসীদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে: ডিসি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বান্দরবানের জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভিন তিবরীজি বলেছেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে গোলাগুলি অব্যাহত থাকার পরিপ্রেক্ষিতে সীমান্তের বাংলাদেশি যেসব পরিবার ঝুঁকির মুখে রয়েছে; তাদের সরিয়ে নিতে ঝুঁকির পরিস্থিতি ও তাদের নিজস্ব মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। সে ব্যাপারে প্রাথমিক প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি খারাপ হলে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

এর আগে ঘুমধুম ইউপি কার্যালয়ে স্থানীয়দের ঝুঁকির বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন জেলা প্রশাসক। এ সময় সঙ্গে ছিলেন বান্দরবানের পুলিশ সুপার মো. তারিকুল ইসলাম।

তুমব্রু সীমান্তে বিজিবি সর্তক অবস্থানে থাকবে জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে সরকার। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসন সার্বক্ষণিক নজরদারি রেখেছে। ঝুঁকির মুখে স্থানীয়দের সরিয়ে নিতে উচ্চপর্যায়ে আলোচনা হয়েছে। এই নিয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত রাখা হয়েছে। আপাতত ৩শ পরিবারকে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। যারা তুমব্রু, ঘুমধুম, ফাত্রাঝিরি ও সীমান্তের খুব কাছের তাদের সরানো হবে।

জেলা প্রশাসক আরও বলেন, সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনায় থাকা ৩শ পরিবারের আশ্রয়ের জন্য স্থান খোঁজা হচ্ছে। মূলকথা সরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে সব কিছু গুছিয়ে রাখা হয়েছে।

এর আগে নিরাপত্তার ঝুঁকির কারণে উখিয়ার কুতুপালংয়ে সরিয়ে নেয়া ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয় এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন বান্দরবানের জেলা প্রশাসক। এ সময় পুলিশ সুপার মো. তারিকুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা ফেরদৌস, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব কুমার বিশ্বাস, নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আজিজ, নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নান্টু কুমার সাহাসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, তুমব্রু সীমান্তে মিয়ানমারের ছোঁড়া মর্টারশেলে ১ জন বাংলাদেশি নাগরিক নিহত ও ৭ জন আহত হন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হবে আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

মিয়ানমারে গোলাগুলি, সীমান্তবাসীদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে: ডিসি

আপডেট সময় ১১:০১:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বান্দরবানের জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভিন তিবরীজি বলেছেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে গোলাগুলি অব্যাহত থাকার পরিপ্রেক্ষিতে সীমান্তের বাংলাদেশি যেসব পরিবার ঝুঁকির মুখে রয়েছে; তাদের সরিয়ে নিতে ঝুঁকির পরিস্থিতি ও তাদের নিজস্ব মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। সে ব্যাপারে প্রাথমিক প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি খারাপ হলে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

এর আগে ঘুমধুম ইউপি কার্যালয়ে স্থানীয়দের ঝুঁকির বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন জেলা প্রশাসক। এ সময় সঙ্গে ছিলেন বান্দরবানের পুলিশ সুপার মো. তারিকুল ইসলাম।

তুমব্রু সীমান্তে বিজিবি সর্তক অবস্থানে থাকবে জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে সরকার। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসন সার্বক্ষণিক নজরদারি রেখেছে। ঝুঁকির মুখে স্থানীয়দের সরিয়ে নিতে উচ্চপর্যায়ে আলোচনা হয়েছে। এই নিয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত রাখা হয়েছে। আপাতত ৩শ পরিবারকে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। যারা তুমব্রু, ঘুমধুম, ফাত্রাঝিরি ও সীমান্তের খুব কাছের তাদের সরানো হবে।

জেলা প্রশাসক আরও বলেন, সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনায় থাকা ৩শ পরিবারের আশ্রয়ের জন্য স্থান খোঁজা হচ্ছে। মূলকথা সরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে সব কিছু গুছিয়ে রাখা হয়েছে।

এর আগে নিরাপত্তার ঝুঁকির কারণে উখিয়ার কুতুপালংয়ে সরিয়ে নেয়া ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয় এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন বান্দরবানের জেলা প্রশাসক। এ সময় পুলিশ সুপার মো. তারিকুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা ফেরদৌস, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব কুমার বিশ্বাস, নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আজিজ, নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নান্টু কুমার সাহাসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, তুমব্রু সীমান্তে মিয়ানমারের ছোঁড়া মর্টারশেলে ১ জন বাংলাদেশি নাগরিক নিহত ও ৭ জন আহত হন।