ঢাকা ০২:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

যেভাবে স্মার্টফোনের নিয়ন্ত্রণ নেয় ‘পেগাসাস স্পাইওয়্যার,’ ঝুঁকি এড়াবেন কীভাবে?

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

বর্তমান যুগ তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। প্রযুক্তির উন্নতির সুযোগ নিয়ে বিশ্বজুড়ে তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার নানা ধরনের অভিযোগ প্রায়ই গণমাধ্যমে পাওয়া যায়। এজন্য বিভিন্ন স্পাইওয়্যার ব্যবহার করা হয়ে থাকে। সম্প্রতি বহুল আলোচিত ‘স্পাইওয়্যার’ হল ইসরায়েলি একটি সংস্থাকর্তৃক উদ্ভাবিত ‘পেগাসাস স্পাইওয়্যার’।

ইসরায়েলি সংস্থা এনএসও গ্রুপের তৈরি এই পেগাসাস স্পাইওয়্যার দিয়ে বিশ্বজুড়ে কয়েক হাজার সরকারি কর্মী, সাংবাদিক, বড় রাজনীতিবিদের ফোনে আড়ি পাতারও অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি ৫০ হাজারের বেশি ফোন নম্বরের একটি তালিকা ফাঁস হয়। ধারণা করা হচ্ছে, ২০১৬ সাল থেকে এনএসও’র গ্রাহকেরা এসব নম্বরে আড়ি পেতেছে।

জেনে নিন স্পাইওয়্যার ‘পেগাসাস’ কীভাবে স্মার্টফোনের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় :

খুদে বার্তা ও কলের মাধ্যমে আইওএস ও অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের স্মার্টফোনের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে স্পাইওয়্যার। এর মাধ্যমে স্মার্টফোনে স্পাইওয়্যারটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইনস্টল হয়ে যায়। এমনকি মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী স্পাইওয়্যারের সেই কলটি রিসিভ না করলেও সফটওয়্যারটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইনস্টল হয়ে যেতে পারে। এরপর আক্রমণকারী ওই ফোনের পুরো সিস্টেম নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়।

এটা এতটাই ভয়ঙ্কর যে, একবার স্পাইওয়্যারটি ইনস্টল হয়ে গেলে সহজেই যে কারও হোয়াটসঅ্যাপ ম্যাসেজিং ও কথা বলা, ভয়েস কল, পাসওয়ার্ড, কন্টাক্ট তালিকা, বিভিন্ন ইভেন্টের ক্যালেন্ডার, ফোনের মাইক্রোফোন এমনকি ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণ ও তাদের হাতে চলে যায়।

ভিক্টিমের মোবাইলের ব্যবহৃত ক্যামেরা দিয়েও যেকোনও সময় ছবি ও ভিডিও ধারণের ক্ষমতা রাখে স্পাইওয়্যারটি।

এছাড়া যেকোনও মুহূর্তে মোবাইল লোকেশন চালু করে স্পাইওয়্যার দেখতে পারবে ভিক্টিম এখন কোথায় আছেন।

এদিকে, আমরা অনেকেই আছি যারা আমাদের মোবাইলের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো এনক্রিপ্ট করে রাখি। কিন্তু আতঙ্কের বিষয় হলো এই স্পাইওয়্যারটি এনক্রিপ্ট করা ফাইলও পড়তে পারে।

মোবাইল ফোনকে সুরক্ষিত রাখার কিছু পরামর্শ :

ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। ফোনে অপরিচিত সাইটের লিংক আসলে তাতে প্রবেশ করবেন না। ফোন যেন অন্য কেউ ব্যবহার করতে না পারে সেজন্য সব ধরনের লক চালু করে দিন। ফোনের নির্ধারিত ওয়েবসাইট ছাড়া অন্য কোনও ওয়েবসাইট থেকে অ্যাপস আপডেট করবেন না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

যেভাবে স্মার্টফোনের নিয়ন্ত্রণ নেয় ‘পেগাসাস স্পাইওয়্যার,’ ঝুঁকি এড়াবেন কীভাবে?

আপডেট সময় ১২:৫৭:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

বর্তমান যুগ তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। প্রযুক্তির উন্নতির সুযোগ নিয়ে বিশ্বজুড়ে তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার নানা ধরনের অভিযোগ প্রায়ই গণমাধ্যমে পাওয়া যায়। এজন্য বিভিন্ন স্পাইওয়্যার ব্যবহার করা হয়ে থাকে। সম্প্রতি বহুল আলোচিত ‘স্পাইওয়্যার’ হল ইসরায়েলি একটি সংস্থাকর্তৃক উদ্ভাবিত ‘পেগাসাস স্পাইওয়্যার’।

ইসরায়েলি সংস্থা এনএসও গ্রুপের তৈরি এই পেগাসাস স্পাইওয়্যার দিয়ে বিশ্বজুড়ে কয়েক হাজার সরকারি কর্মী, সাংবাদিক, বড় রাজনীতিবিদের ফোনে আড়ি পাতারও অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি ৫০ হাজারের বেশি ফোন নম্বরের একটি তালিকা ফাঁস হয়। ধারণা করা হচ্ছে, ২০১৬ সাল থেকে এনএসও’র গ্রাহকেরা এসব নম্বরে আড়ি পেতেছে।

জেনে নিন স্পাইওয়্যার ‘পেগাসাস’ কীভাবে স্মার্টফোনের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় :

খুদে বার্তা ও কলের মাধ্যমে আইওএস ও অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের স্মার্টফোনের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে স্পাইওয়্যার। এর মাধ্যমে স্মার্টফোনে স্পাইওয়্যারটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইনস্টল হয়ে যায়। এমনকি মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী স্পাইওয়্যারের সেই কলটি রিসিভ না করলেও সফটওয়্যারটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইনস্টল হয়ে যেতে পারে। এরপর আক্রমণকারী ওই ফোনের পুরো সিস্টেম নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়।

এটা এতটাই ভয়ঙ্কর যে, একবার স্পাইওয়্যারটি ইনস্টল হয়ে গেলে সহজেই যে কারও হোয়াটসঅ্যাপ ম্যাসেজিং ও কথা বলা, ভয়েস কল, পাসওয়ার্ড, কন্টাক্ট তালিকা, বিভিন্ন ইভেন্টের ক্যালেন্ডার, ফোনের মাইক্রোফোন এমনকি ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণ ও তাদের হাতে চলে যায়।

ভিক্টিমের মোবাইলের ব্যবহৃত ক্যামেরা দিয়েও যেকোনও সময় ছবি ও ভিডিও ধারণের ক্ষমতা রাখে স্পাইওয়্যারটি।

এছাড়া যেকোনও মুহূর্তে মোবাইল লোকেশন চালু করে স্পাইওয়্যার দেখতে পারবে ভিক্টিম এখন কোথায় আছেন।

এদিকে, আমরা অনেকেই আছি যারা আমাদের মোবাইলের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো এনক্রিপ্ট করে রাখি। কিন্তু আতঙ্কের বিষয় হলো এই স্পাইওয়্যারটি এনক্রিপ্ট করা ফাইলও পড়তে পারে।

মোবাইল ফোনকে সুরক্ষিত রাখার কিছু পরামর্শ :

ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। ফোনে অপরিচিত সাইটের লিংক আসলে তাতে প্রবেশ করবেন না। ফোন যেন অন্য কেউ ব্যবহার করতে না পারে সেজন্য সব ধরনের লক চালু করে দিন। ফোনের নির্ধারিত ওয়েবসাইট ছাড়া অন্য কোনও ওয়েবসাইট থেকে অ্যাপস আপডেট করবেন না।