ঢাকা ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

শ্রীলঙ্কার দুর্দান্ত জয়, এশিয়া কাপ থেকে বাংলাদেশের বিদায়

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

হাই-স্কোরিং ম্যাচে ক্ষণে ক্ষণে শ্রীলঙ্কার উইকেট পড়েছে। এরপরও রানের চাকা থামতে দেননি কুশল মেন্ডিস ও দাসুন শানাকা। অতপর এই দুই ব্যাটারও আউট হয়ে গেলে শেষে দলকে দুর্দান্ত জয় এনে দেন করুনারত্নে ও আসিথা ফার্নান্দো। ২ উইকেটের জয়ে টুর্নামেন্টে টিকে রইল লঙ্কানরা। আর এখানেই এশিয়া কাপের যাত্রা থেমে গেল বাংলাদেশের।

বাংলাদেশের দেয়া ১৮৪ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে দুই ওপেনারের সুবাদে ভালো সূচনা পায় শ্রীলঙ্কা। ওপেনিং জুটিতে আসে ৪৫ রান। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে বোলিংয়ে এসেই জোড়া উইকেট তুলে নেন ইবাদত। নিজের করা পরের ওভারে ফেরান দানুস্কা গুনাথিলাকাকে। ২০ রানে পাথুম নিশানকা, ১ রানে চারিথ আশালাঙ্কা ও ১১ রানে ফেরেন গুনাথিলাকা। আর তাসকিন আহমেদের বলে আউট হওয়ার আগে মাত্র ২ রান করেন ভানুকা রাজাপাকসে।

পঞ্চম উইকেট জুটিতে কুশল মেন্ডিস ও দাসুন শানাকার মাত্র ৩৪ বলে ৫৪ রানের জুটিতেই জয়ের স্বপ্ন দেখে শ্রীলঙ্কা। এদিকে ব্যক্তিগত অর্ধশতক পূর্ণ করেন মেন্ডিস। মোস্তাফিজের বলে আউট হওয়ার আগে ৩৭ বলে ৬০ রান করেন তিনি। আর ২ রান করেছেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা।

৩৩ বলে ৪৫ রান করে আউট হন দলনেতা দাসুন শানাকা। ১০ বলে ১৬ রান করেন চামিকা করুনারত্নে। ১০ রানে আসিথা ও শূন্যরানে শূন্যরানে অপরাজিত থাকেন মহেশ থিকসেনা।

এর আগে ম্যাচের শুরুতে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় শ্রীলঙ্কান দলনেতা দাসুন শানাকা। প্রথম ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতায় এবার সাব্বির-মিরাজকে একাদশে এনে ওপেনিংয়ে নামিয়ে দেয় টিম ম্যানেজমেন্ট। সাব্বির না পারলেও আস্থার প্রতিদান দেন মেহেদি মিরাজ। তার দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে পাওয়ার প্লেতেই ৫৫ রান পায় বাংলাদেশ।

এদিকে সপ্তম ওভারের খেলায় ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার করা বলে বোল্ড আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন মেহেদি হাসান মিরাজ। ২৬ বল খেলে দুটি করে চার ও ছয়ে ৩৮ রান করেন তিনি। পরের উইকেটে খেলতে নেমে ৪ রান করে আউট হন উইকেটকিপার ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। এরপর ১৫ বলে ২৪ রান করে আউট হলেন সাকিব আল হাসান।

পঞ্চম উইকেট জুটিতে দুর্দান্ত খেলতে থাকেন আফিফ হোসেন ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এ সময় দুজন মিলে মাত্র ৩৭ বলে গড়নে ৫৭ রানের জুটি। তাতেই বাড়তে থাকেন বাংলাদেশের রান। মাত্র ২২ বলে ৩৯ রান করে আউট হন আফিফ। পরের ওভারে ২২ বলে ২৭ রানে আউট হন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

এরপর ১ রানে আউট হন শেখ মেহেদি হাসান। এরপর তাসকিন আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস শেষ করেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। মাত্র ৯ বলে ২৪ রানে মোসাদ্দেক ও ৬ বলে ১১ রানে তাসকিন অপরাজিত থাকেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

শ্রীলঙ্কার দুর্দান্ত জয়, এশিয়া কাপ থেকে বাংলাদেশের বিদায়

আপডেট সময় ১১:৫৭:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

হাই-স্কোরিং ম্যাচে ক্ষণে ক্ষণে শ্রীলঙ্কার উইকেট পড়েছে। এরপরও রানের চাকা থামতে দেননি কুশল মেন্ডিস ও দাসুন শানাকা। অতপর এই দুই ব্যাটারও আউট হয়ে গেলে শেষে দলকে দুর্দান্ত জয় এনে দেন করুনারত্নে ও আসিথা ফার্নান্দো। ২ উইকেটের জয়ে টুর্নামেন্টে টিকে রইল লঙ্কানরা। আর এখানেই এশিয়া কাপের যাত্রা থেমে গেল বাংলাদেশের।

বাংলাদেশের দেয়া ১৮৪ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে দুই ওপেনারের সুবাদে ভালো সূচনা পায় শ্রীলঙ্কা। ওপেনিং জুটিতে আসে ৪৫ রান। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে বোলিংয়ে এসেই জোড়া উইকেট তুলে নেন ইবাদত। নিজের করা পরের ওভারে ফেরান দানুস্কা গুনাথিলাকাকে। ২০ রানে পাথুম নিশানকা, ১ রানে চারিথ আশালাঙ্কা ও ১১ রানে ফেরেন গুনাথিলাকা। আর তাসকিন আহমেদের বলে আউট হওয়ার আগে মাত্র ২ রান করেন ভানুকা রাজাপাকসে।

পঞ্চম উইকেট জুটিতে কুশল মেন্ডিস ও দাসুন শানাকার মাত্র ৩৪ বলে ৫৪ রানের জুটিতেই জয়ের স্বপ্ন দেখে শ্রীলঙ্কা। এদিকে ব্যক্তিগত অর্ধশতক পূর্ণ করেন মেন্ডিস। মোস্তাফিজের বলে আউট হওয়ার আগে ৩৭ বলে ৬০ রান করেন তিনি। আর ২ রান করেছেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা।

৩৩ বলে ৪৫ রান করে আউট হন দলনেতা দাসুন শানাকা। ১০ বলে ১৬ রান করেন চামিকা করুনারত্নে। ১০ রানে আসিথা ও শূন্যরানে শূন্যরানে অপরাজিত থাকেন মহেশ থিকসেনা।

এর আগে ম্যাচের শুরুতে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় শ্রীলঙ্কান দলনেতা দাসুন শানাকা। প্রথম ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতায় এবার সাব্বির-মিরাজকে একাদশে এনে ওপেনিংয়ে নামিয়ে দেয় টিম ম্যানেজমেন্ট। সাব্বির না পারলেও আস্থার প্রতিদান দেন মেহেদি মিরাজ। তার দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে পাওয়ার প্লেতেই ৫৫ রান পায় বাংলাদেশ।

এদিকে সপ্তম ওভারের খেলায় ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার করা বলে বোল্ড আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন মেহেদি হাসান মিরাজ। ২৬ বল খেলে দুটি করে চার ও ছয়ে ৩৮ রান করেন তিনি। পরের উইকেটে খেলতে নেমে ৪ রান করে আউট হন উইকেটকিপার ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। এরপর ১৫ বলে ২৪ রান করে আউট হলেন সাকিব আল হাসান।

পঞ্চম উইকেট জুটিতে দুর্দান্ত খেলতে থাকেন আফিফ হোসেন ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এ সময় দুজন মিলে মাত্র ৩৭ বলে গড়নে ৫৭ রানের জুটি। তাতেই বাড়তে থাকেন বাংলাদেশের রান। মাত্র ২২ বলে ৩৯ রান করে আউট হন আফিফ। পরের ওভারে ২২ বলে ২৭ রানে আউট হন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

এরপর ১ রানে আউট হন শেখ মেহেদি হাসান। এরপর তাসকিন আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস শেষ করেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। মাত্র ৯ বলে ২৪ রানে মোসাদ্দেক ও ৬ বলে ১১ রানে তাসকিন অপরাজিত থাকেন।