ঢাকা ০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস

বিশ্বের প্রথম ‘কৃত্রিম ভ্রূণ’ তৈরি করলেন ইসরাইলি বিজ্ঞনীরা

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

বিশ্বের প্রথম ‘কৃত্রিম ভ্রূণ’ তৈরি করেছেন ইসরাইলের একদল বিজ্ঞানী। কৃত্রিম এই ভ্রূণের জন্য শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর নিষিক্তকরণের প্রয়োজন হবে না। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

ইসরাইলের ওয়েইজম্যান ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা গবেষণায় দেখেছেন, ইঁদুরের স্টেম সেল একত্রিত করে ভ্রণের প্রাথমিক আকৃতির মতো কাঠামো দেওয়া যেতে পারে। ওই ভ্রুণে অন্ত্রের নালী থেকে শুরু করে মস্তিষ্কের প্রাথমিক গঠন ও হৃদস্পন্দনও থাকবে।

গবেষণায় কিছু কোষকে রাসায়নিক দিয়ে প্রক্রিয়াজাত করা হয়, যা জেনেটিক প্রোগ্রাম চালু করে প্লাসেন্টা বা কুসুমের থলিতে পরিণত হয়, অন্য অঙ্গ ও টিস্যু ছাড়াইিএই ভ্রুণ বিকাশ লাভ করে।

যদিও বেশিরভাগ স্টেম সেল ভ্রূণের মতো গঠন তৈরি করতে ব্যর্থ হয়, তবে প্রায় শূণ্য দশমিক পাঁচ শতাংশ স্টেম সেল মিলিত হয়ে ছোট বলের কারণ ধারণ করে। ওই বল থেকেই স্বতন্ত্র টিস্যু এবং অঙ্গের বিকাশ ঘটে।

অভ্যন্তরীণ গঠন এবং কোষের জেনেটিক প্রোফাইলের পরিপ্রেক্ষিতে প্রাকৃতিক ইঁদুরের ভ্রুণের সঙ্গে তুলনা করলে কৃত্রিম ভ্রূণের ৯৫ শতাংশ মিল রয়েছে।

একে কৃত্রিম ভ্রূণ বলা হচ্ছে কারণ নিষিক্ত ডিম্বাণু ছাড়াই এই ভ্রুণ তৈরি করা হয়। প্রাকৃতিক ভ্রূণের বিকাশের সময় অঙ্গ এবং টিস্যু কীভাবে গঠন করে সে সম্পর্কে গভীরভাবে বোঝার জন্য পরবর্তীতে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

গবেষকদের ধারণা এর ফলে প্রাণীর ওপর পরীক্ষা-নিরীক্ষার হার কমানো সম্ভব। এই গবেষণা মানুষের কোষ এবং টিস্যু প্রতিস্থাপনের জন্য নতুন পথ উন্মোচন করবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, এর মাধ্যমে লিউকেমিয়া রোগীর ত্বকের কোষ বোন ম্যারো স্টেম সেলে রূপান্তর করে তাদের চিকিৎসায় ব্যবহার করা যেতে পারে।

এর আগে গত বছর ওই একই গবেষক দল একটি যান্ত্রিক গর্ভ তৈরি করেছিল। যেখানে প্রাকৃতিকভাবে নিষিক্ত ইঁদুরের ভ্রুণ কয়েকদিন জরায়ুর বাইরেই বেড়ে উঠছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি

বিশ্বের প্রথম ‘কৃত্রিম ভ্রূণ’ তৈরি করলেন ইসরাইলি বিজ্ঞনীরা

আপডেট সময় ১১:২০:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ অগাস্ট ২০২২

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

বিশ্বের প্রথম ‘কৃত্রিম ভ্রূণ’ তৈরি করেছেন ইসরাইলের একদল বিজ্ঞানী। কৃত্রিম এই ভ্রূণের জন্য শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর নিষিক্তকরণের প্রয়োজন হবে না। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

ইসরাইলের ওয়েইজম্যান ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা গবেষণায় দেখেছেন, ইঁদুরের স্টেম সেল একত্রিত করে ভ্রণের প্রাথমিক আকৃতির মতো কাঠামো দেওয়া যেতে পারে। ওই ভ্রুণে অন্ত্রের নালী থেকে শুরু করে মস্তিষ্কের প্রাথমিক গঠন ও হৃদস্পন্দনও থাকবে।

গবেষণায় কিছু কোষকে রাসায়নিক দিয়ে প্রক্রিয়াজাত করা হয়, যা জেনেটিক প্রোগ্রাম চালু করে প্লাসেন্টা বা কুসুমের থলিতে পরিণত হয়, অন্য অঙ্গ ও টিস্যু ছাড়াইিএই ভ্রুণ বিকাশ লাভ করে।

যদিও বেশিরভাগ স্টেম সেল ভ্রূণের মতো গঠন তৈরি করতে ব্যর্থ হয়, তবে প্রায় শূণ্য দশমিক পাঁচ শতাংশ স্টেম সেল মিলিত হয়ে ছোট বলের কারণ ধারণ করে। ওই বল থেকেই স্বতন্ত্র টিস্যু এবং অঙ্গের বিকাশ ঘটে।

অভ্যন্তরীণ গঠন এবং কোষের জেনেটিক প্রোফাইলের পরিপ্রেক্ষিতে প্রাকৃতিক ইঁদুরের ভ্রুণের সঙ্গে তুলনা করলে কৃত্রিম ভ্রূণের ৯৫ শতাংশ মিল রয়েছে।

একে কৃত্রিম ভ্রূণ বলা হচ্ছে কারণ নিষিক্ত ডিম্বাণু ছাড়াই এই ভ্রুণ তৈরি করা হয়। প্রাকৃতিক ভ্রূণের বিকাশের সময় অঙ্গ এবং টিস্যু কীভাবে গঠন করে সে সম্পর্কে গভীরভাবে বোঝার জন্য পরবর্তীতে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

গবেষকদের ধারণা এর ফলে প্রাণীর ওপর পরীক্ষা-নিরীক্ষার হার কমানো সম্ভব। এই গবেষণা মানুষের কোষ এবং টিস্যু প্রতিস্থাপনের জন্য নতুন পথ উন্মোচন করবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, এর মাধ্যমে লিউকেমিয়া রোগীর ত্বকের কোষ বোন ম্যারো স্টেম সেলে রূপান্তর করে তাদের চিকিৎসায় ব্যবহার করা যেতে পারে।

এর আগে গত বছর ওই একই গবেষক দল একটি যান্ত্রিক গর্ভ তৈরি করেছিল। যেখানে প্রাকৃতিকভাবে নিষিক্ত ইঁদুরের ভ্রুণ কয়েকদিন জরায়ুর বাইরেই বেড়ে উঠছিল।