ঢাকা ০২:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

১৬ কোটি লোককে সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

১৬ কোটি লোককে স্বাস্থ্য সেবা দিতে দিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

বৃহস্পতিবার (২১জুলাই) বেলা সাড়ে ১২টায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারে পরিবার কল্যাণ অধিদফতরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তব্যে অনলাইনে যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

জাহিদ মালেক বলেন, বিশ্বের জনসংখ্যা এখন ৮০০ কোটি, যা প্রতি মুহুর্তে বাড়ছে। পৃথিবীর ধারণ ক্ষমতা এক হাজার থেকে ১২০০ কোটির বেশি নয়। বাংলাদেশের জনসংখা সাড়ে ১৬ কোটি। পৃথিবীর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। বাংলাদেশে প্রতি বর্গকিলোমিটার ১২০০ জন লোক বাস করে। জনসংখা বৃদ্ধির দিকে আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর যে সম্পদ আছে, তা সবাই যেন সমানভাবে পায় এবং ভবিষ্যৎ যেন সুরক্ষিত হয়, এটাই এবারের বিশ্ব জনসংখা দিবসের প্রতিপাদ্য। দেশের সাড়ে ১৬ কোটি লোকের জন্য আমাদের স্বাস্থ্য সেবা, খাদ্য, চিকিৎসা এবং কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হয়। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব আমরা এসব সুবিধা বৃদ্ধি করে যাচ্ছি। কিন্তু সব কিছুরই একটা সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রতিবছর দেশে ৩০ লাখ শিশুর জন্ম হয়। ২০ লাখ নতুন লোক কর্মসংস্থানে যোগ দেয়। এই ২০ লাখ মানুষকে সব নাগরিক সুযোগ-সুবিধা দিতে হয়। এটা অত্যন্ত কঠিন। জনসংখা যদি প্রতিনিয়ত বেড়েই যায়, তাহলে সব সুযোগ-সুবিধা দেওয়া সম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেন, আমাদের জনসংখ্যা একটি সঠিক মাত্রায় রাখতে হবে। সম্পদের সঙ্গে জনসংখ্যার সামঞ্জস্য রাখতে হবে। ১৬ কোটি লোকের স্বাস্থ্য সেবা দিতে আমাদের হিমশিম খেতে হয়। প্রতি দশ হাজার লোকের স্বাস্থ্য সেবা দেওয়ার জন্য আমাদের ১০ থেকে ১৫ জন লোক রয়েছে। আমাদের পাশের দেশেও এই জনবল ২৫ থেকে ৩০ জন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার চাহিদা আরও বেশি।

অনুষ্ঠানে আরও যুক্ত ছিলেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব ড. মু: আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব সাইফুল ইসলাম বাদল, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মো. খুরশিদ আলম, পরিবার কল্যাণ অধিদফতরের মহাপরিচালক শাহানারা বানু (গ্রেড -১) প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

১৬ কোটি লোককে সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০১:০৪:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ জুলাই ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

১৬ কোটি লোককে স্বাস্থ্য সেবা দিতে দিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

বৃহস্পতিবার (২১জুলাই) বেলা সাড়ে ১২টায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারে পরিবার কল্যাণ অধিদফতরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তব্যে অনলাইনে যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

জাহিদ মালেক বলেন, বিশ্বের জনসংখ্যা এখন ৮০০ কোটি, যা প্রতি মুহুর্তে বাড়ছে। পৃথিবীর ধারণ ক্ষমতা এক হাজার থেকে ১২০০ কোটির বেশি নয়। বাংলাদেশের জনসংখা সাড়ে ১৬ কোটি। পৃথিবীর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। বাংলাদেশে প্রতি বর্গকিলোমিটার ১২০০ জন লোক বাস করে। জনসংখা বৃদ্ধির দিকে আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর যে সম্পদ আছে, তা সবাই যেন সমানভাবে পায় এবং ভবিষ্যৎ যেন সুরক্ষিত হয়, এটাই এবারের বিশ্ব জনসংখা দিবসের প্রতিপাদ্য। দেশের সাড়ে ১৬ কোটি লোকের জন্য আমাদের স্বাস্থ্য সেবা, খাদ্য, চিকিৎসা এবং কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হয়। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব আমরা এসব সুবিধা বৃদ্ধি করে যাচ্ছি। কিন্তু সব কিছুরই একটা সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রতিবছর দেশে ৩০ লাখ শিশুর জন্ম হয়। ২০ লাখ নতুন লোক কর্মসংস্থানে যোগ দেয়। এই ২০ লাখ মানুষকে সব নাগরিক সুযোগ-সুবিধা দিতে হয়। এটা অত্যন্ত কঠিন। জনসংখা যদি প্রতিনিয়ত বেড়েই যায়, তাহলে সব সুযোগ-সুবিধা দেওয়া সম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেন, আমাদের জনসংখ্যা একটি সঠিক মাত্রায় রাখতে হবে। সম্পদের সঙ্গে জনসংখ্যার সামঞ্জস্য রাখতে হবে। ১৬ কোটি লোকের স্বাস্থ্য সেবা দিতে আমাদের হিমশিম খেতে হয়। প্রতি দশ হাজার লোকের স্বাস্থ্য সেবা দেওয়ার জন্য আমাদের ১০ থেকে ১৫ জন লোক রয়েছে। আমাদের পাশের দেশেও এই জনবল ২৫ থেকে ৩০ জন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার চাহিদা আরও বেশি।

অনুষ্ঠানে আরও যুক্ত ছিলেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব ড. মু: আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব সাইফুল ইসলাম বাদল, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মো. খুরশিদ আলম, পরিবার কল্যাণ অধিদফতরের মহাপরিচালক শাহানারা বানু (গ্রেড -১) প্রমুখ।