ঢাকা ০৪:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেন হরভজন

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেন ভারতীয় স্পিনার হরভজন সিং। আজ শুক্রবার এক টুইটে খেলোয়াড়ি জীবনের ইতি টানার ঘোষণা দেন তিনি।

টুইটে হরভজন লিখেছেন, ‘সব ভালোর শেষ আছে এবং যে খেলাটি আমার জীবনে সবকিছু দিয়েছে তাকে আজ বিদায় বলছি। আমি তাদের ধন্যবাদ জানাতে চাই যারা আমার এই ২৩ বছরের দীর্ঘ এই ভ্রমণকে সুন্দর ও স্মরণীয় করেছেন। আপনাদের আন্তরিক ধন্যবাদ, কৃতজ্ঞতা। ‘

৪১ বছর বয়সে অবসরে যাওয়া এই স্পিনার ১০৩ টেস্টে ৪১৭ উইকেট, ২৩৬ ওয়ানডেতে ২৬৯ উইকেট এবং ২৮ টি-টোয়েন্টিতে ২৫ উইকেট নিয়েছেন।

১৯৯৮ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বেঙ্গালুরুতে টেস্ট অভিষেক হয় হরভজনের। অভিষেক টেস্টে তার প্রথম শিকার অজি ব্যাটার গ্রেগ ব্লেওয়েট। একই বছরের এপ্রিলে শারজাহতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ভারতের জার্সিতে ওয়ানডে অভিষেক হয় তার। এর প্রায় ৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও ২-১ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজ জেতে ভারত। ঐতিহাসিক ওই সিরিজে ৩২ উইকেট নেন ‘ভাজ্জি’। ওই সিরিজের চেন্নাই টেস্টে ৮৪ রানে ৮ উইকেট তার টেস্ট ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং ফিগার।

ভারতের ২০০৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠার পেছনে বড় ভূমিকা ছিল হরভজনের। আসরে তার ঝুলিতে যায় ১১ উইকেট। এরপর ২০০৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তার টি-টোয়েন্টি অভিষেক হয় এবং এক বছর পরে একই ফরম্যাটের বিশ্বকাপ জেতে ভারত। ওই আসরে ৭ উইকেট নিয়ে বড় ভূমিকা রাখেন হরভজন।

বিদেশের মাটিতে ভারতের বেশকিছু স্মরণীয় জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন হরভজন। এর মধ্যে ২০০২ সালে লিডসে এবং ডারবানে (২০১০-১১ মৌসুম) যথাক্রমে ৪ ও ৬ উইকেট নেন তিনি। ২০১০-১১ মৌসুমে কেপটাউন টেস্ট ড্র হলেও ওই ম্যাচে ১২০ রানে ৭ উইকেট তার বিদেশের মাটিতে সেরা বোলিং ফিগার। ২০১৬ সালের টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপে সবশেষ তাকে ভারতের জার্সিতে দেখা গেছে।

হরভজনের আইপিএল ক্যারিয়ারও বেশ উজ্জ্বল। ভারতের এই ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টুর্নামেন্টে ১৬৩ ম্যাচ খেলে মোট ১৫০ উইকেট ঝুলিতে পুরেছিলেন তিনি। ২০১৩ আসরে তিনি মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে ১৯ গড়ে ২৪ উইকেট নেন, যা আইপিএলে তার সেরা পারফরম্যান্স। ১৯৯৭ সালে পাঞ্জাবের হয়ে অভিজ্ঞ এই অফ-স্পিনারের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক হয়, এরপর ১৯৮টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে ৭৮০ উইকেট নেন তিনি।

শুধু বল হাতেই নয়, মাঝে মাঝে ব্যাট হাতেও ঝলক দেখিয়েছেন হরভজন। ২০১০ সালে ঘরের মাটিতে নিউজিল্যান্ড সিরিজে ২টি টেস্ট সেঞ্চুরি হাঁকান তিনি। এই ফরম্যাটে তার ৯টি ফিফটিও আছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেন হরভজন

আপডেট সময় ০৫:৪৬:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেন ভারতীয় স্পিনার হরভজন সিং। আজ শুক্রবার এক টুইটে খেলোয়াড়ি জীবনের ইতি টানার ঘোষণা দেন তিনি।

টুইটে হরভজন লিখেছেন, ‘সব ভালোর শেষ আছে এবং যে খেলাটি আমার জীবনে সবকিছু দিয়েছে তাকে আজ বিদায় বলছি। আমি তাদের ধন্যবাদ জানাতে চাই যারা আমার এই ২৩ বছরের দীর্ঘ এই ভ্রমণকে সুন্দর ও স্মরণীয় করেছেন। আপনাদের আন্তরিক ধন্যবাদ, কৃতজ্ঞতা। ‘

৪১ বছর বয়সে অবসরে যাওয়া এই স্পিনার ১০৩ টেস্টে ৪১৭ উইকেট, ২৩৬ ওয়ানডেতে ২৬৯ উইকেট এবং ২৮ টি-টোয়েন্টিতে ২৫ উইকেট নিয়েছেন।

১৯৯৮ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বেঙ্গালুরুতে টেস্ট অভিষেক হয় হরভজনের। অভিষেক টেস্টে তার প্রথম শিকার অজি ব্যাটার গ্রেগ ব্লেওয়েট। একই বছরের এপ্রিলে শারজাহতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ভারতের জার্সিতে ওয়ানডে অভিষেক হয় তার। এর প্রায় ৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও ২-১ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজ জেতে ভারত। ঐতিহাসিক ওই সিরিজে ৩২ উইকেট নেন ‘ভাজ্জি’। ওই সিরিজের চেন্নাই টেস্টে ৮৪ রানে ৮ উইকেট তার টেস্ট ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং ফিগার।

ভারতের ২০০৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠার পেছনে বড় ভূমিকা ছিল হরভজনের। আসরে তার ঝুলিতে যায় ১১ উইকেট। এরপর ২০০৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তার টি-টোয়েন্টি অভিষেক হয় এবং এক বছর পরে একই ফরম্যাটের বিশ্বকাপ জেতে ভারত। ওই আসরে ৭ উইকেট নিয়ে বড় ভূমিকা রাখেন হরভজন।

বিদেশের মাটিতে ভারতের বেশকিছু স্মরণীয় জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন হরভজন। এর মধ্যে ২০০২ সালে লিডসে এবং ডারবানে (২০১০-১১ মৌসুম) যথাক্রমে ৪ ও ৬ উইকেট নেন তিনি। ২০১০-১১ মৌসুমে কেপটাউন টেস্ট ড্র হলেও ওই ম্যাচে ১২০ রানে ৭ উইকেট তার বিদেশের মাটিতে সেরা বোলিং ফিগার। ২০১৬ সালের টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপে সবশেষ তাকে ভারতের জার্সিতে দেখা গেছে।

হরভজনের আইপিএল ক্যারিয়ারও বেশ উজ্জ্বল। ভারতের এই ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টুর্নামেন্টে ১৬৩ ম্যাচ খেলে মোট ১৫০ উইকেট ঝুলিতে পুরেছিলেন তিনি। ২০১৩ আসরে তিনি মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে ১৯ গড়ে ২৪ উইকেট নেন, যা আইপিএলে তার সেরা পারফরম্যান্স। ১৯৯৭ সালে পাঞ্জাবের হয়ে অভিজ্ঞ এই অফ-স্পিনারের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক হয়, এরপর ১৯৮টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে ৭৮০ উইকেট নেন তিনি।

শুধু বল হাতেই নয়, মাঝে মাঝে ব্যাট হাতেও ঝলক দেখিয়েছেন হরভজন। ২০১০ সালে ঘরের মাটিতে নিউজিল্যান্ড সিরিজে ২টি টেস্ট সেঞ্চুরি হাঁকান তিনি। এই ফরম্যাটে তার ৯টি ফিফটিও আছে।