ঢাকা ০৯:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

রক্তক্ষরণের উপক্রম হলেই ইনজেকশন খালেদা জিয়াকে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কোনো উন্নতি নেই। দুই দিন ধরে পরিপাকতন্ত্রে রক্তক্ষরণের উপক্রম দেখা দিলেই সেলাইনের সঙ্গে ইনজেকশন দিয়ে দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

চিকিৎসকরা বলেছেন, খালেদা জিয়া ভালো নেই। চলমান এই চিকিৎসায় তাঁর সুস্থ হয়ে ওঠার কোনো সম্ভাবনাও নেই। বরং যে কোনো সময় যে কোনো ধরনের অপ্রত্যাশিত ঘটনাও ঘটে যেতে পারে বলে আশঙ্কা ব্যক্ত করেন তারা।

চিকিৎসকরা বলেন, খালেদা জিয়ার শরীরের অনেকগুলো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে, কিন্তু কোনোটারই ফলাফল ইতিবাচক আসেনি। এখন প্রতিদিনই দুই বেলায় মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা বৈঠকে বসছেন। খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পর্যালোচনা করে প্রতিদিনই ওষুধ দিচ্ছেন তারা। বিএনপি চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনও এ কথা স্বীকার করেছেন। বাংলাদেশ প্রতিদিনকে তিনি আরও জানান, বিএনপি চেয়ারপারসনের শরীরের বিভিন্ন প্যারামিটারগুলো নিচের দিকে নেমে যাচ্ছে, আবার সেগুলো ওপরে উঠানোর চেষ্টা করে যাচ্ছেন চিকিৎসকরা। কয়েক দিন ধরেই কমে যাচ্ছে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা। রক্ত কিংবা ওষুধ দিয়ে তার মাত্রা বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। অতিরিক্ত রক্তও আর দেওয়া যাচ্ছে না তাকে। এতে পরিপাকতন্ত্রে রক্তক্ষরণ বেড়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, বর্তমান চিকিৎসায় তাঁর সুস্থ হয়ে ওঠার কোনো সুযোগ নেই। বরং তাঁর শারীরিক অবস্থা দিন দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে। যতই দিন যাচ্ছে তাঁর স্বাস্থ্য ঝুঁকিটা ততই বেড়ে যাচ্ছে। এখন তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়া ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু এই সরকার তাঁকে বিদেশে যেতে অনুমতি দিচ্ছে না।

গত ১৩ নভেম্বর বেগম খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তিনি লিভার সিরোসিস রোগে আক্রান্ত হয়েছেন বলে হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান। একই হাসপাতালের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. শাহাবুদ্দিন আহমেদ তালুকদারের নেতৃত্বে গঠিত ১০ সদস্যের একটি মেডিকেল বোর্ড তাঁর চিকিৎসায় নিয়োজিত রয়েছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

রক্তক্ষরণের উপক্রম হলেই ইনজেকশন খালেদা জিয়াকে

আপডেট সময় ১২:০২:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কোনো উন্নতি নেই। দুই দিন ধরে পরিপাকতন্ত্রে রক্তক্ষরণের উপক্রম দেখা দিলেই সেলাইনের সঙ্গে ইনজেকশন দিয়ে দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

চিকিৎসকরা বলেছেন, খালেদা জিয়া ভালো নেই। চলমান এই চিকিৎসায় তাঁর সুস্থ হয়ে ওঠার কোনো সম্ভাবনাও নেই। বরং যে কোনো সময় যে কোনো ধরনের অপ্রত্যাশিত ঘটনাও ঘটে যেতে পারে বলে আশঙ্কা ব্যক্ত করেন তারা।

চিকিৎসকরা বলেন, খালেদা জিয়ার শরীরের অনেকগুলো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে, কিন্তু কোনোটারই ফলাফল ইতিবাচক আসেনি। এখন প্রতিদিনই দুই বেলায় মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা বৈঠকে বসছেন। খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পর্যালোচনা করে প্রতিদিনই ওষুধ দিচ্ছেন তারা। বিএনপি চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনও এ কথা স্বীকার করেছেন। বাংলাদেশ প্রতিদিনকে তিনি আরও জানান, বিএনপি চেয়ারপারসনের শরীরের বিভিন্ন প্যারামিটারগুলো নিচের দিকে নেমে যাচ্ছে, আবার সেগুলো ওপরে উঠানোর চেষ্টা করে যাচ্ছেন চিকিৎসকরা। কয়েক দিন ধরেই কমে যাচ্ছে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা। রক্ত কিংবা ওষুধ দিয়ে তার মাত্রা বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। অতিরিক্ত রক্তও আর দেওয়া যাচ্ছে না তাকে। এতে পরিপাকতন্ত্রে রক্তক্ষরণ বেড়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, বর্তমান চিকিৎসায় তাঁর সুস্থ হয়ে ওঠার কোনো সুযোগ নেই। বরং তাঁর শারীরিক অবস্থা দিন দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে। যতই দিন যাচ্ছে তাঁর স্বাস্থ্য ঝুঁকিটা ততই বেড়ে যাচ্ছে। এখন তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়া ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু এই সরকার তাঁকে বিদেশে যেতে অনুমতি দিচ্ছে না।

গত ১৩ নভেম্বর বেগম খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তিনি লিভার সিরোসিস রোগে আক্রান্ত হয়েছেন বলে হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান। একই হাসপাতালের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. শাহাবুদ্দিন আহমেদ তালুকদারের নেতৃত্বে গঠিত ১০ সদস্যের একটি মেডিকেল বোর্ড তাঁর চিকিৎসায় নিয়োজিত রয়েছেন।