ঢাকা ০৭:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ট্রুডোর হস্তক্ষেপ চান কানাডার মুসলিমরা

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

হিজাব পরার কারণে কানাডায় এক নারী শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সহায়তা চান মুসলমানরা।

ন্যাশনাল কাউন্সিল অব কানাডিয়ান মুসলিম (এনসিসিএম) সোমবার জানায়, হিজাব পরার অপরাধে শিক্ষককে চাকরি থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর হস্তক্ষেপ চেয়ে তারা একটি আবেদনের জন্য সই সংগ্রহ করছেন। খবর ডেইলি সাবাহর।

কুইবেকে বিল ২১ অনুযায়ী, অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা, নার্স, শিক্ষক, পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালনের সময় কোনো ধরনের ধর্মীয় প্রতীক সম্বলিত পোশাক পরতে পারবেন না। এসবের মধ্যে রয়েছে— পাগড়ি, হিজাব, ক্রস ও টুপি।

এ আইন মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘন করে বলে অভিযোগ এনসিসিএম ও কানাডিয়ান সিভিল লিবার্টিস অ্যাসোসিয়েশনের। সংস্থা দুটি এ আইন বাতিলের জন্য লড়ছে। এনসিসিএম বলছে, এ আইনের কারণে অন্যায়ভাবে ভোগান্তিতে পড়েন মুসলিম নারীরা।

এনসিসিএম-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তফা ফারুক বলেন, ফাতেমা আনোয়ারী একজন সাহসি মুসলিম নারী। যিনি বিদ্যালয়ে হিজাব পরেছেন বলে তাকে শিক্ষকের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। দুঃখের বিষয় হলো— এমন ভোগান্তিতে পড়া তিনি প্রথম বা শেষ নারী নন। বিল ২১ যতদিন আছে ততদিন এমন ঘটনা ঘটতে থাকবে।

ফারুক বলেন, এ ঘটনায় হস্তক্ষেপের জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আবেদনে আপনারা সই করুন। আদালতে, সংবাদমাধ্যমে, রাস্তায়— এ আইন বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আমরা থামব না।

ফাতেমা আনোয়ারী ছিলেন কুইবেকের চেলসি এলেমেন্টারি স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষক। হিজাব পরার অপরাধে নারী এ শিক্ষককে বিতর্কিত প্রাদেশিক আইনের ওপর ভিত্তি করে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আনোয়ারী একটি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, সত্যি কথা বলতে, ওই মুহূর্তে আমি হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলাম। এটি মেনে নেওয়া খুবই কষ্টকর ছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

ট্রুডোর হস্তক্ষেপ চান কানাডার মুসলিমরা

আপডেট সময় ০৪:০১:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

হিজাব পরার কারণে কানাডায় এক নারী শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সহায়তা চান মুসলমানরা।

ন্যাশনাল কাউন্সিল অব কানাডিয়ান মুসলিম (এনসিসিএম) সোমবার জানায়, হিজাব পরার অপরাধে শিক্ষককে চাকরি থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর হস্তক্ষেপ চেয়ে তারা একটি আবেদনের জন্য সই সংগ্রহ করছেন। খবর ডেইলি সাবাহর।

কুইবেকে বিল ২১ অনুযায়ী, অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা, নার্স, শিক্ষক, পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালনের সময় কোনো ধরনের ধর্মীয় প্রতীক সম্বলিত পোশাক পরতে পারবেন না। এসবের মধ্যে রয়েছে— পাগড়ি, হিজাব, ক্রস ও টুপি।

এ আইন মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘন করে বলে অভিযোগ এনসিসিএম ও কানাডিয়ান সিভিল লিবার্টিস অ্যাসোসিয়েশনের। সংস্থা দুটি এ আইন বাতিলের জন্য লড়ছে। এনসিসিএম বলছে, এ আইনের কারণে অন্যায়ভাবে ভোগান্তিতে পড়েন মুসলিম নারীরা।

এনসিসিএম-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তফা ফারুক বলেন, ফাতেমা আনোয়ারী একজন সাহসি মুসলিম নারী। যিনি বিদ্যালয়ে হিজাব পরেছেন বলে তাকে শিক্ষকের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। দুঃখের বিষয় হলো— এমন ভোগান্তিতে পড়া তিনি প্রথম বা শেষ নারী নন। বিল ২১ যতদিন আছে ততদিন এমন ঘটনা ঘটতে থাকবে।

ফারুক বলেন, এ ঘটনায় হস্তক্ষেপের জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আবেদনে আপনারা সই করুন। আদালতে, সংবাদমাধ্যমে, রাস্তায়— এ আইন বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আমরা থামব না।

ফাতেমা আনোয়ারী ছিলেন কুইবেকের চেলসি এলেমেন্টারি স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষক। হিজাব পরার অপরাধে নারী এ শিক্ষককে বিতর্কিত প্রাদেশিক আইনের ওপর ভিত্তি করে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আনোয়ারী একটি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, সত্যি কথা বলতে, ওই মুহূর্তে আমি হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলাম। এটি মেনে নেওয়া খুবই কষ্টকর ছিল।