ঢাকা ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

ট্রুডোর হস্তক্ষেপ চান কানাডার মুসলিমরা

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

হিজাব পরার কারণে কানাডায় এক নারী শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সহায়তা চান মুসলমানরা।

ন্যাশনাল কাউন্সিল অব কানাডিয়ান মুসলিম (এনসিসিএম) সোমবার জানায়, হিজাব পরার অপরাধে শিক্ষককে চাকরি থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর হস্তক্ষেপ চেয়ে তারা একটি আবেদনের জন্য সই সংগ্রহ করছেন। খবর ডেইলি সাবাহর।

কুইবেকে বিল ২১ অনুযায়ী, অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা, নার্স, শিক্ষক, পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালনের সময় কোনো ধরনের ধর্মীয় প্রতীক সম্বলিত পোশাক পরতে পারবেন না। এসবের মধ্যে রয়েছে— পাগড়ি, হিজাব, ক্রস ও টুপি।

এ আইন মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘন করে বলে অভিযোগ এনসিসিএম ও কানাডিয়ান সিভিল লিবার্টিস অ্যাসোসিয়েশনের। সংস্থা দুটি এ আইন বাতিলের জন্য লড়ছে। এনসিসিএম বলছে, এ আইনের কারণে অন্যায়ভাবে ভোগান্তিতে পড়েন মুসলিম নারীরা।

এনসিসিএম-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তফা ফারুক বলেন, ফাতেমা আনোয়ারী একজন সাহসি মুসলিম নারী। যিনি বিদ্যালয়ে হিজাব পরেছেন বলে তাকে শিক্ষকের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। দুঃখের বিষয় হলো— এমন ভোগান্তিতে পড়া তিনি প্রথম বা শেষ নারী নন। বিল ২১ যতদিন আছে ততদিন এমন ঘটনা ঘটতে থাকবে।

ফারুক বলেন, এ ঘটনায় হস্তক্ষেপের জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আবেদনে আপনারা সই করুন। আদালতে, সংবাদমাধ্যমে, রাস্তায়— এ আইন বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আমরা থামব না।

ফাতেমা আনোয়ারী ছিলেন কুইবেকের চেলসি এলেমেন্টারি স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষক। হিজাব পরার অপরাধে নারী এ শিক্ষককে বিতর্কিত প্রাদেশিক আইনের ওপর ভিত্তি করে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আনোয়ারী একটি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, সত্যি কথা বলতে, ওই মুহূর্তে আমি হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলাম। এটি মেনে নেওয়া খুবই কষ্টকর ছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

ট্রুডোর হস্তক্ষেপ চান কানাডার মুসলিমরা

আপডেট সময় ০৪:০১:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

হিজাব পরার কারণে কানাডায় এক নারী শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সহায়তা চান মুসলমানরা।

ন্যাশনাল কাউন্সিল অব কানাডিয়ান মুসলিম (এনসিসিএম) সোমবার জানায়, হিজাব পরার অপরাধে শিক্ষককে চাকরি থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর হস্তক্ষেপ চেয়ে তারা একটি আবেদনের জন্য সই সংগ্রহ করছেন। খবর ডেইলি সাবাহর।

কুইবেকে বিল ২১ অনুযায়ী, অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা, নার্স, শিক্ষক, পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালনের সময় কোনো ধরনের ধর্মীয় প্রতীক সম্বলিত পোশাক পরতে পারবেন না। এসবের মধ্যে রয়েছে— পাগড়ি, হিজাব, ক্রস ও টুপি।

এ আইন মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘন করে বলে অভিযোগ এনসিসিএম ও কানাডিয়ান সিভিল লিবার্টিস অ্যাসোসিয়েশনের। সংস্থা দুটি এ আইন বাতিলের জন্য লড়ছে। এনসিসিএম বলছে, এ আইনের কারণে অন্যায়ভাবে ভোগান্তিতে পড়েন মুসলিম নারীরা।

এনসিসিএম-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তফা ফারুক বলেন, ফাতেমা আনোয়ারী একজন সাহসি মুসলিম নারী। যিনি বিদ্যালয়ে হিজাব পরেছেন বলে তাকে শিক্ষকের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। দুঃখের বিষয় হলো— এমন ভোগান্তিতে পড়া তিনি প্রথম বা শেষ নারী নন। বিল ২১ যতদিন আছে ততদিন এমন ঘটনা ঘটতে থাকবে।

ফারুক বলেন, এ ঘটনায় হস্তক্ষেপের জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আবেদনে আপনারা সই করুন। আদালতে, সংবাদমাধ্যমে, রাস্তায়— এ আইন বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আমরা থামব না।

ফাতেমা আনোয়ারী ছিলেন কুইবেকের চেলসি এলেমেন্টারি স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষক। হিজাব পরার অপরাধে নারী এ শিক্ষককে বিতর্কিত প্রাদেশিক আইনের ওপর ভিত্তি করে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আনোয়ারী একটি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, সত্যি কথা বলতে, ওই মুহূর্তে আমি হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলাম। এটি মেনে নেওয়া খুবই কষ্টকর ছিল।