ঢাকা ০১:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ইরান ও রাশিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর হুশিয়ারি দিল জি-সেভেন জোট

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা রোধে একটি চুক্তিতে রাজি হওয়ার সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে বলে হুশিয়ারি দিয়েছে শিল্পোন্নত দেশগুলোর জোট জি-সেভেন। অন্যদিকে, রাশিয়াকে ইউক্রেন আক্রমণের পরিণতি সম্পর্কেও সতর্ক করেছে সংগঠনটি।

বিশ্বের ধনী দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা উত্তর-পশ্চিম ইংল্যান্ডের লিভারপুলে দু’দিনব্যাপী সম্মেলন থেকে গতকাল রবিবার এই হুশিয়ারি দেন। এই জোট বৈশ্বিক হুমকির বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী ঐক্যফ্রন্ট উপস্থাপন করতে সম্মেলন করেন।

ইরানের বিষয়ে জি-সেভেনের আয়োজক ব্রিটেন বলেছে, ভিয়েনায় পুনরায় আলোচনা শুরুর অর্থ হচ্ছে ইসলামিক প্রজাতন্ত্রটির জন্য একটি গুরুতর সমাধানের উদ্দেশে আলোচনার টেবিলে আসার শেষ সুযোগ। পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ট্রাস আলোচনা শেষ হওয়ার পর এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ইরানের হাতে এখনও সময় আছে এই চুক্তিতে সম্মত হওয়ার।

ইরান এবং বিশ্বশক্তির মধ্যে ২০১৫ সালে করা চুক্তি পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করার জন্য বৃহস্পতিবার আলোচনা পুনরায় শুরু হয়েছে, যা থেকে ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছিল। পশ্চিমা শক্তিগুলো বলছে, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুদ পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহার করা হতে পারে। যদিও ইরান দাবি করে, তারা কেবল একটি বেসামরিক সক্ষমতা বিকশিত করতে চায়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, তিনি চুক্তিতে ফিরে যেতে প্রস্তুত। ইরানের কর্মকর্তারা মনে করেন, তারাও আলোচনায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হওয়ার বিষয়ে আগ্রহী। কিন্তু পশ্চিমা শক্তিগুলো তেহরানকে এই বছরের শুরুর দিকে আলোচনার অগ্রগতিতে পিছিয়ে দেয়ার অভিযোগ এনেছে এবং বলছে, তারা কেবল কালক্ষেপণ করছে।

অন্যদিকে, ইরানের পাশাপাশি সাবেক সোভিয়েত রাষ্ট্র ইউক্রেনে সম্ভাব্য আক্রমণের আশঙ্কা এবং সীমান্তে রাশিয়ার সৈন্য মোতায়েন আলোচনায় গুরুত্ব পায়। ট্রাস বলেন, সকলে একযোগে বলেছে… যে ইউক্রেনে অনুপ্রবেশ, রাশিয়ার জন্য ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

ইরান ও রাশিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর হুশিয়ারি দিল জি-সেভেন জোট

আপডেট সময় ০১:৩৬:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা রোধে একটি চুক্তিতে রাজি হওয়ার সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে বলে হুশিয়ারি দিয়েছে শিল্পোন্নত দেশগুলোর জোট জি-সেভেন। অন্যদিকে, রাশিয়াকে ইউক্রেন আক্রমণের পরিণতি সম্পর্কেও সতর্ক করেছে সংগঠনটি।

বিশ্বের ধনী দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা উত্তর-পশ্চিম ইংল্যান্ডের লিভারপুলে দু’দিনব্যাপী সম্মেলন থেকে গতকাল রবিবার এই হুশিয়ারি দেন। এই জোট বৈশ্বিক হুমকির বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী ঐক্যফ্রন্ট উপস্থাপন করতে সম্মেলন করেন।

ইরানের বিষয়ে জি-সেভেনের আয়োজক ব্রিটেন বলেছে, ভিয়েনায় পুনরায় আলোচনা শুরুর অর্থ হচ্ছে ইসলামিক প্রজাতন্ত্রটির জন্য একটি গুরুতর সমাধানের উদ্দেশে আলোচনার টেবিলে আসার শেষ সুযোগ। পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ট্রাস আলোচনা শেষ হওয়ার পর এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ইরানের হাতে এখনও সময় আছে এই চুক্তিতে সম্মত হওয়ার।

ইরান এবং বিশ্বশক্তির মধ্যে ২০১৫ সালে করা চুক্তি পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করার জন্য বৃহস্পতিবার আলোচনা পুনরায় শুরু হয়েছে, যা থেকে ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছিল। পশ্চিমা শক্তিগুলো বলছে, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুদ পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহার করা হতে পারে। যদিও ইরান দাবি করে, তারা কেবল একটি বেসামরিক সক্ষমতা বিকশিত করতে চায়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, তিনি চুক্তিতে ফিরে যেতে প্রস্তুত। ইরানের কর্মকর্তারা মনে করেন, তারাও আলোচনায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হওয়ার বিষয়ে আগ্রহী। কিন্তু পশ্চিমা শক্তিগুলো তেহরানকে এই বছরের শুরুর দিকে আলোচনার অগ্রগতিতে পিছিয়ে দেয়ার অভিযোগ এনেছে এবং বলছে, তারা কেবল কালক্ষেপণ করছে।

অন্যদিকে, ইরানের পাশাপাশি সাবেক সোভিয়েত রাষ্ট্র ইউক্রেনে সম্ভাব্য আক্রমণের আশঙ্কা এবং সীমান্তে রাশিয়ার সৈন্য মোতায়েন আলোচনায় গুরুত্ব পায়। ট্রাস বলেন, সকলে একযোগে বলেছে… যে ইউক্রেনে অনুপ্রবেশ, রাশিয়ার জন্য ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে।