ঢাকা ০২:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যুগপৎ আন্দোলনের সময় ঘোষিত ৩১ দফা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে’:মির্জা ফখরুল জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে রাশেদ খাঁনের শ্রদ্ধা নিবেদন প্রতিটি কর্মঘণ্টা ও করের প্রতিটি টাকার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে:জনপ্রশাসন উপদেষ্টা জমির উদ্দিন সরকার ছিলেন ‘জেন্টলম্যান ফর এক্সেলেন্স’: প্রধান বিচারপতি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বিমসটেকের সক্রিয় ভূমিকা চায় ঢাকা কাপ্তাই হৃদে নিখোঁজ বিএনপি নেতার লাশ উদ্ধার জোট শরিকদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩৭২ দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের নতুন প্রেস মিনিস্টার সাইদুর যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম

চকলেটের লোভ দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মাদারীপুরে চকলেট দিয়ে দোকানের ভেতর নিয়ে ডেকে নিয়ে চার বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এছাহাক হাওলাদার নামে এক চা দোকানির বিরুদ্ধে।

র‌বিবার বি‌কা‌লে জেলার সদর উপজেলার কুনিয়া ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত এছাহাক হাওলাদার একই এলাকার আকাব্বর হাওলাদার ছেলে।

ভুক্তভোগীদের পরিবার, পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বিকালে বাড়ির উঠানে খেলছিল তিন শিশু। এ সময় পাশের চা দোকানদার এছাহাক শিশুদের কয়েকটি চকলেট দেয়। পরে তাদের কৌশলে দোকানে নিয়ে যায়। দুই শিশু দৌ‌ড়ে চ‌লে গেলেও একজনকে আটক করে রাখেন দোকানি এছাহাক। পরে দোকান বন্ধ করে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে।

শিশুটি চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করলে ভয়ে অভিযুক্ত এছাহাক তাকে ছেড়ে দেয়। বাড়ি গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সব খুলে বললে শিশুটিকে সন্ধ্যার দি‌কে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে তার পরিবার।

হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, ভয় আর আতঙ্ক নিয়ে হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে আছে শিশুটি। বারবার কেঁপে উঠছে। কিছু জিজ্ঞেস করলে এছহাকের কথা বলছে।

শিশুটির মা বলেন, প্রথমে এলাকার লোকজন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছিল। অবস্থা খারাপ মনে করে মেয়েকে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করি। এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

শিশুটির দাদি বলেন, এছাহাকের কঠিন বিচার চাই। এছাহাকের জন্য আমার নাতনির বড় ক্ষতি হয়ে যেত।

মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. সাইফুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিশুটির মধ্যে এখনো ভয় আর আতঙ্ক কাজ করছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল ইসলাম মিঞা বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। মূলত চকলেট দেওয়ার কথা বলে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলে শিশুটির পরিবার অভিযোগ করছে। আমরা আইনগত পদক্ষেপ নিচ্ছি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘যুগপৎ আন্দোলনের সময় ঘোষিত ৩১ দফা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে’:মির্জা ফখরুল

চকলেটের লোভ দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা

আপডেট সময় ০১:০৬:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মাদারীপুরে চকলেট দিয়ে দোকানের ভেতর নিয়ে ডেকে নিয়ে চার বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এছাহাক হাওলাদার নামে এক চা দোকানির বিরুদ্ধে।

র‌বিবার বি‌কা‌লে জেলার সদর উপজেলার কুনিয়া ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত এছাহাক হাওলাদার একই এলাকার আকাব্বর হাওলাদার ছেলে।

ভুক্তভোগীদের পরিবার, পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বিকালে বাড়ির উঠানে খেলছিল তিন শিশু। এ সময় পাশের চা দোকানদার এছাহাক শিশুদের কয়েকটি চকলেট দেয়। পরে তাদের কৌশলে দোকানে নিয়ে যায়। দুই শিশু দৌ‌ড়ে চ‌লে গেলেও একজনকে আটক করে রাখেন দোকানি এছাহাক। পরে দোকান বন্ধ করে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে।

শিশুটি চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করলে ভয়ে অভিযুক্ত এছাহাক তাকে ছেড়ে দেয়। বাড়ি গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সব খুলে বললে শিশুটিকে সন্ধ্যার দি‌কে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে তার পরিবার।

হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, ভয় আর আতঙ্ক নিয়ে হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে আছে শিশুটি। বারবার কেঁপে উঠছে। কিছু জিজ্ঞেস করলে এছহাকের কথা বলছে।

শিশুটির মা বলেন, প্রথমে এলাকার লোকজন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছিল। অবস্থা খারাপ মনে করে মেয়েকে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করি। এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

শিশুটির দাদি বলেন, এছাহাকের কঠিন বিচার চাই। এছাহাকের জন্য আমার নাতনির বড় ক্ষতি হয়ে যেত।

মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. সাইফুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিশুটির মধ্যে এখনো ভয় আর আতঙ্ক কাজ করছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল ইসলাম মিঞা বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। মূলত চকলেট দেওয়ার কথা বলে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলে শিশুটির পরিবার অভিযোগ করছে। আমরা আইনগত পদক্ষেপ নিচ্ছি।