ঢাকা ০১:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

চকলেটের লোভ দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মাদারীপুরে চকলেট দিয়ে দোকানের ভেতর নিয়ে ডেকে নিয়ে চার বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এছাহাক হাওলাদার নামে এক চা দোকানির বিরুদ্ধে।

র‌বিবার বি‌কা‌লে জেলার সদর উপজেলার কুনিয়া ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত এছাহাক হাওলাদার একই এলাকার আকাব্বর হাওলাদার ছেলে।

ভুক্তভোগীদের পরিবার, পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বিকালে বাড়ির উঠানে খেলছিল তিন শিশু। এ সময় পাশের চা দোকানদার এছাহাক শিশুদের কয়েকটি চকলেট দেয়। পরে তাদের কৌশলে দোকানে নিয়ে যায়। দুই শিশু দৌ‌ড়ে চ‌লে গেলেও একজনকে আটক করে রাখেন দোকানি এছাহাক। পরে দোকান বন্ধ করে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে।

শিশুটি চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করলে ভয়ে অভিযুক্ত এছাহাক তাকে ছেড়ে দেয়। বাড়ি গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সব খুলে বললে শিশুটিকে সন্ধ্যার দি‌কে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে তার পরিবার।

হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, ভয় আর আতঙ্ক নিয়ে হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে আছে শিশুটি। বারবার কেঁপে উঠছে। কিছু জিজ্ঞেস করলে এছহাকের কথা বলছে।

শিশুটির মা বলেন, প্রথমে এলাকার লোকজন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছিল। অবস্থা খারাপ মনে করে মেয়েকে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করি। এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

শিশুটির দাদি বলেন, এছাহাকের কঠিন বিচার চাই। এছাহাকের জন্য আমার নাতনির বড় ক্ষতি হয়ে যেত।

মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. সাইফুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিশুটির মধ্যে এখনো ভয় আর আতঙ্ক কাজ করছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল ইসলাম মিঞা বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। মূলত চকলেট দেওয়ার কথা বলে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলে শিশুটির পরিবার অভিযোগ করছে। আমরা আইনগত পদক্ষেপ নিচ্ছি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চকলেটের লোভ দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা

আপডেট সময় ০১:০৬:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মাদারীপুরে চকলেট দিয়ে দোকানের ভেতর নিয়ে ডেকে নিয়ে চার বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এছাহাক হাওলাদার নামে এক চা দোকানির বিরুদ্ধে।

র‌বিবার বি‌কা‌লে জেলার সদর উপজেলার কুনিয়া ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত এছাহাক হাওলাদার একই এলাকার আকাব্বর হাওলাদার ছেলে।

ভুক্তভোগীদের পরিবার, পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বিকালে বাড়ির উঠানে খেলছিল তিন শিশু। এ সময় পাশের চা দোকানদার এছাহাক শিশুদের কয়েকটি চকলেট দেয়। পরে তাদের কৌশলে দোকানে নিয়ে যায়। দুই শিশু দৌ‌ড়ে চ‌লে গেলেও একজনকে আটক করে রাখেন দোকানি এছাহাক। পরে দোকান বন্ধ করে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে।

শিশুটি চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করলে ভয়ে অভিযুক্ত এছাহাক তাকে ছেড়ে দেয়। বাড়ি গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সব খুলে বললে শিশুটিকে সন্ধ্যার দি‌কে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে তার পরিবার।

হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, ভয় আর আতঙ্ক নিয়ে হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে আছে শিশুটি। বারবার কেঁপে উঠছে। কিছু জিজ্ঞেস করলে এছহাকের কথা বলছে।

শিশুটির মা বলেন, প্রথমে এলাকার লোকজন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছিল। অবস্থা খারাপ মনে করে মেয়েকে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করি। এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

শিশুটির দাদি বলেন, এছাহাকের কঠিন বিচার চাই। এছাহাকের জন্য আমার নাতনির বড় ক্ষতি হয়ে যেত।

মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. সাইফুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিশুটির মধ্যে এখনো ভয় আর আতঙ্ক কাজ করছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল ইসলাম মিঞা বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। মূলত চকলেট দেওয়ার কথা বলে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলে শিশুটির পরিবার অভিযোগ করছে। আমরা আইনগত পদক্ষেপ নিচ্ছি।