ঢাকা ০১:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

চকলেটের লোভ দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মাদারীপুরে চকলেট দিয়ে দোকানের ভেতর নিয়ে ডেকে নিয়ে চার বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এছাহাক হাওলাদার নামে এক চা দোকানির বিরুদ্ধে।

র‌বিবার বি‌কা‌লে জেলার সদর উপজেলার কুনিয়া ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত এছাহাক হাওলাদার একই এলাকার আকাব্বর হাওলাদার ছেলে।

ভুক্তভোগীদের পরিবার, পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বিকালে বাড়ির উঠানে খেলছিল তিন শিশু। এ সময় পাশের চা দোকানদার এছাহাক শিশুদের কয়েকটি চকলেট দেয়। পরে তাদের কৌশলে দোকানে নিয়ে যায়। দুই শিশু দৌ‌ড়ে চ‌লে গেলেও একজনকে আটক করে রাখেন দোকানি এছাহাক। পরে দোকান বন্ধ করে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে।

শিশুটি চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করলে ভয়ে অভিযুক্ত এছাহাক তাকে ছেড়ে দেয়। বাড়ি গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সব খুলে বললে শিশুটিকে সন্ধ্যার দি‌কে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে তার পরিবার।

হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, ভয় আর আতঙ্ক নিয়ে হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে আছে শিশুটি। বারবার কেঁপে উঠছে। কিছু জিজ্ঞেস করলে এছহাকের কথা বলছে।

শিশুটির মা বলেন, প্রথমে এলাকার লোকজন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছিল। অবস্থা খারাপ মনে করে মেয়েকে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করি। এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

শিশুটির দাদি বলেন, এছাহাকের কঠিন বিচার চাই। এছাহাকের জন্য আমার নাতনির বড় ক্ষতি হয়ে যেত।

মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. সাইফুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিশুটির মধ্যে এখনো ভয় আর আতঙ্ক কাজ করছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল ইসলাম মিঞা বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। মূলত চকলেট দেওয়ার কথা বলে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলে শিশুটির পরিবার অভিযোগ করছে। আমরা আইনগত পদক্ষেপ নিচ্ছি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

চকলেটের লোভ দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা

আপডেট সময় ০১:০৬:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মাদারীপুরে চকলেট দিয়ে দোকানের ভেতর নিয়ে ডেকে নিয়ে চার বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এছাহাক হাওলাদার নামে এক চা দোকানির বিরুদ্ধে।

র‌বিবার বি‌কা‌লে জেলার সদর উপজেলার কুনিয়া ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত এছাহাক হাওলাদার একই এলাকার আকাব্বর হাওলাদার ছেলে।

ভুক্তভোগীদের পরিবার, পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বিকালে বাড়ির উঠানে খেলছিল তিন শিশু। এ সময় পাশের চা দোকানদার এছাহাক শিশুদের কয়েকটি চকলেট দেয়। পরে তাদের কৌশলে দোকানে নিয়ে যায়। দুই শিশু দৌ‌ড়ে চ‌লে গেলেও একজনকে আটক করে রাখেন দোকানি এছাহাক। পরে দোকান বন্ধ করে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে।

শিশুটি চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করলে ভয়ে অভিযুক্ত এছাহাক তাকে ছেড়ে দেয়। বাড়ি গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সব খুলে বললে শিশুটিকে সন্ধ্যার দি‌কে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে তার পরিবার।

হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, ভয় আর আতঙ্ক নিয়ে হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে আছে শিশুটি। বারবার কেঁপে উঠছে। কিছু জিজ্ঞেস করলে এছহাকের কথা বলছে।

শিশুটির মা বলেন, প্রথমে এলাকার লোকজন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছিল। অবস্থা খারাপ মনে করে মেয়েকে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করি। এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

শিশুটির দাদি বলেন, এছাহাকের কঠিন বিচার চাই। এছাহাকের জন্য আমার নাতনির বড় ক্ষতি হয়ে যেত।

মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. সাইফুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিশুটির মধ্যে এখনো ভয় আর আতঙ্ক কাজ করছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল ইসলাম মিঞা বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। মূলত চকলেট দেওয়ার কথা বলে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলে শিশুটির পরিবার অভিযোগ করছে। আমরা আইনগত পদক্ষেপ নিচ্ছি।