ঢাকা ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘আবরার ফাহাদ’ নামে হল নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করব: শিক্ষামন্ত্রী সীমান্তে বিজিবি এখন সাহস ফিরে পেয়েছে: রাশেদ খান জনবান্ধব নয় গরিবের ওপর চাপানো বাজেট:সংসদে রফিকুল ইসলাম খান বুয়েটকে বিশ্বমানের গবেষণা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে: মাহদী আমিন সাবেক এমপি নুর মোহাম্মদ আটক যেপথে গেছেন শেখ হাসিনা, সেপথে যাবেন তারেক রহমান: মামুনুল হক চাঁদাবাজির সাজা এখন মুচলেকা: সংসদে জামায়াতের টিপ্পনি কক্সবাজার যাওয়ার পথে রেস্টুরেন্টে ফেলে যাওয়া শিশু ফিরে পেল পাকিস্তানি পরিবার ঢাকা-কুয়ালালামপুর কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন উচ্চতায় বদির অনুপস্থিতিতে মাদকের ‘দায়িত্বে’ কে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চাইলেন গয়েশ্বর

সেনবাগে মাদ্রাসা থেকে ফেরার পথে ছাত্রীকে ধর্ষণ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মাদ্রাসা থেকে ছুটির পর বাড়ি ফেরার পথে নোয়াখালীর সেনবাগে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রী (১২) ধর্ষণের শিকার হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টার দিকে উপজেলার বীজবাগ ইউনিয়নের বীরনারায়ণপুর গ্রামের জহিরের ডেকোরেটরে এই ঘটনা ঘটে।

এই ঘটনায় রাত ১০টার দিকে ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা বাদী হয়ে দুজনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সেনবাগ থানায় মামলা দায়ের করেছেন। শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) নির্যাতিত ছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর কথা রয়েছে।

মামলার আসামিরা হলেন বীজবাগ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বীর নারায়ণপুর গ্রামের নজু কারিগর বাড়ির মৃত আব্দুল কাদেরের ছেলে জহির উদ্দিন (৪৫) ও তার সহযোগী একই এলাকার মৃত আলী সারেংয়ের ছেলে হাবীব উল্যাহ (৪৩)।

স্থানীয় বীজবাগ ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান সেলিম উদ্দিন কাজল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাটি জানার সঙ্গে সঙ্গে পরিবারকে থানার সহযোগিতা নিতে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে থানাকে বলেছি।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল হোসেন পাটোয়ারী বলেন, প্রধান অভিযুক্ত জহির পেশায় একজন ডেকোরেটর ব্যবসায়ী। অপর আসামি হাবীব ওই জায়গার মালিক। বিভিন্ন সময় প্রতিবেশী ওই মাদ্রাসাছাত্রীকে টাকা-পয়সা দিয়ে প্রলোভন দেখাতেন জহির। বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই ছাত্রী মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে ডেকোরেটর দোকানের সামনে পৌঁছলে জহির মুখ চেপে ধরে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে স্যাটার বন্ধ করে হাবীবের সহায়তায় ধর্ষণ করেন। এ সময় স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেরে দোকানে হানা দিলে জহির পালিয়ে যান। পরে ছাত্রী তার মা এবং স্থানীয়দের বিষয়টি জানায়। আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে বলে জানান ওসি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘আবরার ফাহাদ’ নামে হল নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করব: শিক্ষামন্ত্রী

সেনবাগে মাদ্রাসা থেকে ফেরার পথে ছাত্রীকে ধর্ষণ

আপডেট সময় ১১:৪৮:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মাদ্রাসা থেকে ছুটির পর বাড়ি ফেরার পথে নোয়াখালীর সেনবাগে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রী (১২) ধর্ষণের শিকার হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টার দিকে উপজেলার বীজবাগ ইউনিয়নের বীরনারায়ণপুর গ্রামের জহিরের ডেকোরেটরে এই ঘটনা ঘটে।

এই ঘটনায় রাত ১০টার দিকে ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা বাদী হয়ে দুজনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সেনবাগ থানায় মামলা দায়ের করেছেন। শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) নির্যাতিত ছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর কথা রয়েছে।

মামলার আসামিরা হলেন বীজবাগ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বীর নারায়ণপুর গ্রামের নজু কারিগর বাড়ির মৃত আব্দুল কাদেরের ছেলে জহির উদ্দিন (৪৫) ও তার সহযোগী একই এলাকার মৃত আলী সারেংয়ের ছেলে হাবীব উল্যাহ (৪৩)।

স্থানীয় বীজবাগ ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান সেলিম উদ্দিন কাজল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাটি জানার সঙ্গে সঙ্গে পরিবারকে থানার সহযোগিতা নিতে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে থানাকে বলেছি।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল হোসেন পাটোয়ারী বলেন, প্রধান অভিযুক্ত জহির পেশায় একজন ডেকোরেটর ব্যবসায়ী। অপর আসামি হাবীব ওই জায়গার মালিক। বিভিন্ন সময় প্রতিবেশী ওই মাদ্রাসাছাত্রীকে টাকা-পয়সা দিয়ে প্রলোভন দেখাতেন জহির। বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই ছাত্রী মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে ডেকোরেটর দোকানের সামনে পৌঁছলে জহির মুখ চেপে ধরে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে স্যাটার বন্ধ করে হাবীবের সহায়তায় ধর্ষণ করেন। এ সময় স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেরে দোকানে হানা দিলে জহির পালিয়ে যান। পরে ছাত্রী তার মা এবং স্থানীয়দের বিষয়টি জানায়। আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে বলে জানান ওসি।