ঢাকা ০৫:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচনে সেনাবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতার যথাযথ প্রয়োগ চায় এনসিপি কানাডায় এমপি মনোনয়ন পেলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডলি ১২ ফেব্রুয়ারির আগে শেরপুর-৩ আসনে তফসিল ঘোষণার সুযোগ নেই: ইসি মাছউদ রিপাবলিকানদের ভোটের নিয়ন্ত্রণ নিতে বললেন ট্রাম্প জয়ের ভার্চুয়াল বক্তব্যে পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া আ.লীগ সমর্থকদের ৪৮ শতাংশের পছন্দ বিএনপি: সিআরএফের জরিপ স্বৈরাচারের মতোই গুপ্তরা এখন নতুন জালিমে পরিণত হয়েছে : তারেক রহমান জুলাই সনদ রক্তের অক্ষরে শপথের স্বাক্ষর: আলী রীয়াজ মা-বোনদের কটু কথা নয়, সম্মান দিলেই বেহেশত পেতে পারি: মির্জা ফখরুল উত্তরবঙ্গকে আমরা কৃষিশিল্পের রাজধানীতে পরিণত করব : জামায়াত আমির

হেফাজত নেতাদের মুক্তি আমাদের হাতে নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আটক হেফাজত নেতাদের মুক্তির বিষয়টি সরকারের হাতে নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেছেন, বিষয়টি আইন বিভাগের হাতে। সেটি আমাদের নিয়ন্ত্রণে নয়।

শনিবার বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ আয়োজিত এক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ বিভিন্ন ঘটনায় অনেকেই আটক হয়েছে। ঘটনা সত্যিকারে যারা ঘটিয়েছে তাদের ছাড়া বাকিদের ছেড়ে দেওয়ার জন্য আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি।

দেশের বিভিন্ন স্থানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেপ্তার হেফাজত নেতাদের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, নির্দোষ নেতাকর্মীদের ক্রমেই ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে তাদের বিরুদ্ধেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যারা সত্যিকার অর্থে ঘটনাগুলো ঘটিয়েছিলেন, তাদের রেখে বাকিদের ছেড়ে দেওয়ার ব্যবস্থা আমরা নিচ্ছি। আমাদের প্রমাণের মধ্যে যেগুলো আসছে, যারা ভদ্রলোক, যারা এগুলোর মধ্যে ছিলেন না, এ রকম কেউ যদি আটক হয়ে থাকেন তাদের তাদের ছেড়ে দিচ্ছি, জামিনের ব্যবস্থা করেছি। বিষয়টি আমাদের হাতে নয়, এটি বিচার বিভাগের হাতে। বিচার বিভাগ আমাদের নিয়ন্ত্রণে নয়।’

আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘আপনারা বলেছেন হেফাজতে ইসলাম অরাজনৈতিক দল। হেফাজত রাজনীতি করে না, নির্বাচনে যায় না। বাইরে থেকে দুষ্কৃতকারীরা এসে আপনাদের অপবাদ অথবা কুমন্ত্রণা দিচ্ছে। সেখানে আপনারা ভুল করেছেন অথবা ভুল করে ফেলেছেন। আমি যদি বিগত দিনগুলোর কথা বলি, যেটা হাটহাজারী এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঘটেছে সেদিন আপনাদের কয়েকজন নেতা আমার বাসায় রাত একটা পর্যন্ত বসেছিলেন। আমি বলেছি, যখন একটা গেদারিং হয়ে যায় তখন উপযুক্ত নেতা না থাকলে সেটা কন্ট্রোল করা যায় না। তাদের বলেছিলাম, আপনারা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চলে যান। না হলে কালকে যে ঘটনা ঘটতে পারে সেটা কন্ট্রোল করতে পারবেন না। কথাটা যথাযথ ভাবেই হয়েছে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বারবার বলতে চাই আপনারা আধ্যাত্মিক লাইনের চর্চা করেন, কুরআন সুন্নাহ অনুযায়ী চলেন। আপনারা যেহেতু অরাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান সেহেতু কেন অনুপ্রবেশ ঘটে? সেখানে আপনাদের সাবধান হওয়া উচিত। আমি যেহেতু মুসলমান তাই আমি কুরআন-সুন্নাহর দেখানো পথে চলতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। কেউ কোরআনকে অপবিত্র করার চেষ্টা করলে আপনাদের যেমন কষ্ট লাগে, আমারও কষ্ট লাগে। তাই বলছি আমরা মুসলমানরা কারও বিশ্বাসের প্রতি অমর্যাদা করি না।’

ওলামা-মাশায়েখ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ, মহাসচিব আল্লামা নুরুল ইসলাম, হেফাজতে ইসলাম নেতা আল্লামা আতাউল্লাহ হাফেজ্জি, অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচনে সেনাবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতার যথাযথ প্রয়োগ চায় এনসিপি

হেফাজত নেতাদের মুক্তি আমাদের হাতে নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:১৮:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আটক হেফাজত নেতাদের মুক্তির বিষয়টি সরকারের হাতে নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেছেন, বিষয়টি আইন বিভাগের হাতে। সেটি আমাদের নিয়ন্ত্রণে নয়।

শনিবার বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ আয়োজিত এক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ বিভিন্ন ঘটনায় অনেকেই আটক হয়েছে। ঘটনা সত্যিকারে যারা ঘটিয়েছে তাদের ছাড়া বাকিদের ছেড়ে দেওয়ার জন্য আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি।

দেশের বিভিন্ন স্থানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেপ্তার হেফাজত নেতাদের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, নির্দোষ নেতাকর্মীদের ক্রমেই ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে তাদের বিরুদ্ধেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যারা সত্যিকার অর্থে ঘটনাগুলো ঘটিয়েছিলেন, তাদের রেখে বাকিদের ছেড়ে দেওয়ার ব্যবস্থা আমরা নিচ্ছি। আমাদের প্রমাণের মধ্যে যেগুলো আসছে, যারা ভদ্রলোক, যারা এগুলোর মধ্যে ছিলেন না, এ রকম কেউ যদি আটক হয়ে থাকেন তাদের তাদের ছেড়ে দিচ্ছি, জামিনের ব্যবস্থা করেছি। বিষয়টি আমাদের হাতে নয়, এটি বিচার বিভাগের হাতে। বিচার বিভাগ আমাদের নিয়ন্ত্রণে নয়।’

আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘আপনারা বলেছেন হেফাজতে ইসলাম অরাজনৈতিক দল। হেফাজত রাজনীতি করে না, নির্বাচনে যায় না। বাইরে থেকে দুষ্কৃতকারীরা এসে আপনাদের অপবাদ অথবা কুমন্ত্রণা দিচ্ছে। সেখানে আপনারা ভুল করেছেন অথবা ভুল করে ফেলেছেন। আমি যদি বিগত দিনগুলোর কথা বলি, যেটা হাটহাজারী এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঘটেছে সেদিন আপনাদের কয়েকজন নেতা আমার বাসায় রাত একটা পর্যন্ত বসেছিলেন। আমি বলেছি, যখন একটা গেদারিং হয়ে যায় তখন উপযুক্ত নেতা না থাকলে সেটা কন্ট্রোল করা যায় না। তাদের বলেছিলাম, আপনারা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চলে যান। না হলে কালকে যে ঘটনা ঘটতে পারে সেটা কন্ট্রোল করতে পারবেন না। কথাটা যথাযথ ভাবেই হয়েছে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বারবার বলতে চাই আপনারা আধ্যাত্মিক লাইনের চর্চা করেন, কুরআন সুন্নাহ অনুযায়ী চলেন। আপনারা যেহেতু অরাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান সেহেতু কেন অনুপ্রবেশ ঘটে? সেখানে আপনাদের সাবধান হওয়া উচিত। আমি যেহেতু মুসলমান তাই আমি কুরআন-সুন্নাহর দেখানো পথে চলতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। কেউ কোরআনকে অপবিত্র করার চেষ্টা করলে আপনাদের যেমন কষ্ট লাগে, আমারও কষ্ট লাগে। তাই বলছি আমরা মুসলমানরা কারও বিশ্বাসের প্রতি অমর্যাদা করি না।’

ওলামা-মাশায়েখ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ, মহাসচিব আল্লামা নুরুল ইসলাম, হেফাজতে ইসলাম নেতা আল্লামা আতাউল্লাহ হাফেজ্জি, অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান প্রমুখ।