ঢাকা ০২:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

আমার আর কিছু করার নেই, খালেদা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রতি যতটুকু মানবিকতা দেখানোর সেটা দেখানো হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমার আর কিছু করার নেই। এখন যা করার আইন করবে।

বুধবার সন্ধ্যায় গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়া প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এই কথা বলেন।

গত শনিবার থেকে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসা করাতে তার পরিবারের পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে। আবেদনটি মতামতের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে গতকাল আইনমন্ত্রী সংসদে জানিয়েছেন, এই আবেদনের ওপর নতুন করে কোনো বিবেচনার সুযোগ নেই। এবার প্রধানমন্ত্রীও জানালেন সেই কথা।

সরকার মানবিক বলেই খালেদা জিয়াকে কারাগারের পরিবর্তে বাসায় থাকার সুযোগ দিয়েছে বলে জানান সরকারপ্রধান। প্রশ্নকারী সাংবাদিকের প্রতি পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, আমার কাছে চান কীভাবে?

এরপর প্রধানমন্ত্রী বিএনপি সরকার ও খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন। বলেন, ‘আপনাকে যে হত্যা করতে চায় তাকে কি গলায় মালা দিতেন?’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কর্নেল রশিদকে বিরোধী দলে বসিয়েছিল কে? খালেদা জিয়া। পাশা একজন খুনি, মারা গেছে, সেই মৃত ব্যক্তিকে প্রমোশন দিয়ে অবসর ভাতা দিয়েছে। গ্রেনেড হামলার পর বলল কী, ভ্যানিটি ব্যাগে করে নাকি আমি গ্রেনেড মেরেছি। কোটালীপাড়ায় বোমা মেরে আমাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। তখন বলেছিল, শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী তো দূরের কথা বিরোধী দলীয় নেতাও হতে পারবে না। রাখে আল্লাহ মারে কে!’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘খালেদা জিয়ার প্রতি দয়া দেখানোর কথা বললে আপনাদের (সাংবাদিকদের) লজ্জা পাওয়া উচিত। আমরা তার বাসায় থাকার ব্যবস্থা করেছি। আমার হাতে যা ছিল করেছি। বাসায় ব্যবস্থা করেছি। বাকিটা আইন করবে।’

খালেদা জিয়ার প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘গ্রেনেড হামলার পর এত জন আহত, ২২ জন মারা গেছে। আমাদেরকে একদিন পার্লামেন্টে আলোচনার সুযোগ পর্যন্ত দেয়নি। এত বড় অমানবিককেও মানবিকতা দেখিয়েছি। আর কত চান? এখন মারে আল্লাহ রাখে কে, এতে বিশ্বাস রাখেন।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

আমার আর কিছু করার নেই, খালেদা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:৫৪:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রতি যতটুকু মানবিকতা দেখানোর সেটা দেখানো হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমার আর কিছু করার নেই। এখন যা করার আইন করবে।

বুধবার সন্ধ্যায় গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়া প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এই কথা বলেন।

গত শনিবার থেকে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসা করাতে তার পরিবারের পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে। আবেদনটি মতামতের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে গতকাল আইনমন্ত্রী সংসদে জানিয়েছেন, এই আবেদনের ওপর নতুন করে কোনো বিবেচনার সুযোগ নেই। এবার প্রধানমন্ত্রীও জানালেন সেই কথা।

সরকার মানবিক বলেই খালেদা জিয়াকে কারাগারের পরিবর্তে বাসায় থাকার সুযোগ দিয়েছে বলে জানান সরকারপ্রধান। প্রশ্নকারী সাংবাদিকের প্রতি পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, আমার কাছে চান কীভাবে?

এরপর প্রধানমন্ত্রী বিএনপি সরকার ও খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন। বলেন, ‘আপনাকে যে হত্যা করতে চায় তাকে কি গলায় মালা দিতেন?’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কর্নেল রশিদকে বিরোধী দলে বসিয়েছিল কে? খালেদা জিয়া। পাশা একজন খুনি, মারা গেছে, সেই মৃত ব্যক্তিকে প্রমোশন দিয়ে অবসর ভাতা দিয়েছে। গ্রেনেড হামলার পর বলল কী, ভ্যানিটি ব্যাগে করে নাকি আমি গ্রেনেড মেরেছি। কোটালীপাড়ায় বোমা মেরে আমাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। তখন বলেছিল, শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী তো দূরের কথা বিরোধী দলীয় নেতাও হতে পারবে না। রাখে আল্লাহ মারে কে!’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘খালেদা জিয়ার প্রতি দয়া দেখানোর কথা বললে আপনাদের (সাংবাদিকদের) লজ্জা পাওয়া উচিত। আমরা তার বাসায় থাকার ব্যবস্থা করেছি। আমার হাতে যা ছিল করেছি। বাসায় ব্যবস্থা করেছি। বাকিটা আইন করবে।’

খালেদা জিয়ার প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘গ্রেনেড হামলার পর এত জন আহত, ২২ জন মারা গেছে। আমাদেরকে একদিন পার্লামেন্টে আলোচনার সুযোগ পর্যন্ত দেয়নি। এত বড় অমানবিককেও মানবিকতা দেখিয়েছি। আর কত চান? এখন মারে আল্লাহ রাখে কে, এতে বিশ্বাস রাখেন।’