ঢাকা ০৭:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শ্রীপুরে অগ্নিকাণ্ডে ৪০ পোশাক শ্রমিকের বসতঘর পুড়ে ছাই ‘জামায়াতকে যারা ইসলামী দল বলে তারা বোকার স্বর্গে বাস করে’:রেজাউল করীম ‘বাংলাদেশিরা আমাদের ভাই’, সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তান অধিনায়ক যারা নতুন করে চাঁদাবাজি-ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসনের নীতি নিয়েছে, তারাই জালেম: নাহিদ বোঝার বদলে পরবর্তী সরকারের কাজ কমিয়ে দিয়ে গেলাম : চুক্তি ইস্যুতে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা অপপ্রচার আর মিথ্যা দিয়ে জাতীয়তাবাদী শক্তির শিকড় উপড়ে ফেলা যাবে না : রিজভী রমজানে সরকারি অফিস চলবে ৯টা থেকে সাড়ে ৩টা নতুন নির্বাচিত এমপিদের সাবেক স্পিকারের শপথ পড়ানোর সুযোগ নেই: আইন উপদেষ্টা পল্লবীতে দুই শিশুসহ একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার চড়া দামে মোস্তাফিজকে কিনল লাহোর

আমরা করোনার ভ্যাকসিন তৈরি করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা নিজেরা ভ্যাকসিন তৈরি করতে চাই। ভ্যাকসিন তৈরির যে বাধাগুলো আছে, সেগুলো আপনাদের সরিয়ে দিতে হবে, উন্মুক্ত করতে হবে। এটি জনগণের প্রাপ্য। জনগণের সম্পদ হিসেবে দিতে হবে।

তিনি বলেন, সারাবিশ্বের কোনো মানুষ যেন ভ্যাকসিন থেকে দূরে থাকতে না পারে। আমাদের সুযোগ দিলে আমরা উৎপাদন করব। আমরা বিশ্বে দিতে পারব, সে সক্ষমতা আমাদের আছে। (টিকা উৎপাদনের ল্যাব তৈরির জন্য) জমিও নিয়ে রেখেছি। এভাবে উদ্যোগ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি।

সোমবার জাতীয় সংসদের ১৫তম অধিবেশনের এক সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে সাম্প্রতিক সফরে দেওয়া বক্তৃতার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আজকে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় আমাদের যে সাফল্য, তা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে— আমি এটিও বলে এসেছি।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে পুরস্কার চালু করায় জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা-ইউনেস্কোকে ধন্যবাদ জানাতে সংসদে একটি প্রস্তাব তোলেন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য সাবেক প্রধান হুইপ আব্দুস শহীদ।

এই প্রস্তাব ওঠানোর পর তা নিয়ে আলোচনা করেন সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। আলোচনা শেষে সংসদে সেটি সর্বস্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

সাধারণ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে দেশের অর্থনীতির উন্নয়নে জাতির পিতার গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে আওয়ামী লীগ সরকারের গৃহীত পদক্ষেপও তুলে ধরেন শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা বলেন, আমার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকসহ আমাদের কিছু ইয়াং সংসদ সদস্য সবাই মিলেই কিন্তু ইয়াংবাংলা স্টার্টআপ প্রোগ্রাম নিয়েছে। এই প্রোগ্রামের জন্য আমরা বিশেষ বরাদ্দও রেখেছি। ছেলেমেয়েরা যদি কেউ উদ্যোগ নিতে চায় আমরা তাদের পাশে দাঁড়াব। অনলাইনে কেনাবেচা, ই-কমার্স, টেন্ডার— এগুলো তো (ইতোমধ্যে) হয়েছে বাংলাদেশে। সামনে আরও সময় আছে, আরও হবে। এক দিনে তো হয় না, ধাপে ধাপে করতে হয়।

বঙ্গবন্ধুর নামে পুরস্কার প্রবর্তন করায় ইউনেস্কোকে ধন্যবাদ জানান শেখ হাসিনা। উগান্ডার মোটিভ ক্রিয়েশনের মতো বাংলাদেশের যুবসমাজও এগিয়ে আসবে বলে আশা প্রকাশ করে শেখ হাসিনা বলেন, উগান্ডা আজ এই পুরস্কার পেয়েছে। একদিন ইনশাল্লাহ বাংলাদেশেরও কোনো না কোনো উদ্যোক্তা এই পুরস্কার পাবে বলে আমি আশা করি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আমরা করোনার ভ্যাকসিন তৈরি করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:৩৪:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা নিজেরা ভ্যাকসিন তৈরি করতে চাই। ভ্যাকসিন তৈরির যে বাধাগুলো আছে, সেগুলো আপনাদের সরিয়ে দিতে হবে, উন্মুক্ত করতে হবে। এটি জনগণের প্রাপ্য। জনগণের সম্পদ হিসেবে দিতে হবে।

তিনি বলেন, সারাবিশ্বের কোনো মানুষ যেন ভ্যাকসিন থেকে দূরে থাকতে না পারে। আমাদের সুযোগ দিলে আমরা উৎপাদন করব। আমরা বিশ্বে দিতে পারব, সে সক্ষমতা আমাদের আছে। (টিকা উৎপাদনের ল্যাব তৈরির জন্য) জমিও নিয়ে রেখেছি। এভাবে উদ্যোগ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি।

সোমবার জাতীয় সংসদের ১৫তম অধিবেশনের এক সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে সাম্প্রতিক সফরে দেওয়া বক্তৃতার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আজকে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় আমাদের যে সাফল্য, তা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে— আমি এটিও বলে এসেছি।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে পুরস্কার চালু করায় জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা-ইউনেস্কোকে ধন্যবাদ জানাতে সংসদে একটি প্রস্তাব তোলেন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য সাবেক প্রধান হুইপ আব্দুস শহীদ।

এই প্রস্তাব ওঠানোর পর তা নিয়ে আলোচনা করেন সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। আলোচনা শেষে সংসদে সেটি সর্বস্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

সাধারণ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে দেশের অর্থনীতির উন্নয়নে জাতির পিতার গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে আওয়ামী লীগ সরকারের গৃহীত পদক্ষেপও তুলে ধরেন শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা বলেন, আমার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকসহ আমাদের কিছু ইয়াং সংসদ সদস্য সবাই মিলেই কিন্তু ইয়াংবাংলা স্টার্টআপ প্রোগ্রাম নিয়েছে। এই প্রোগ্রামের জন্য আমরা বিশেষ বরাদ্দও রেখেছি। ছেলেমেয়েরা যদি কেউ উদ্যোগ নিতে চায় আমরা তাদের পাশে দাঁড়াব। অনলাইনে কেনাবেচা, ই-কমার্স, টেন্ডার— এগুলো তো (ইতোমধ্যে) হয়েছে বাংলাদেশে। সামনে আরও সময় আছে, আরও হবে। এক দিনে তো হয় না, ধাপে ধাপে করতে হয়।

বঙ্গবন্ধুর নামে পুরস্কার প্রবর্তন করায় ইউনেস্কোকে ধন্যবাদ জানান শেখ হাসিনা। উগান্ডার মোটিভ ক্রিয়েশনের মতো বাংলাদেশের যুবসমাজও এগিয়ে আসবে বলে আশা প্রকাশ করে শেখ হাসিনা বলেন, উগান্ডা আজ এই পুরস্কার পেয়েছে। একদিন ইনশাল্লাহ বাংলাদেশেরও কোনো না কোনো উদ্যোক্তা এই পুরস্কার পাবে বলে আমি আশা করি।