ঢাকা ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

প্রথম বাংলাদেশি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে স্কটিশ পার্লামেন্টে শেখ হাসিনা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

স্কটিশ পার্লামেন্টে বক্তব্য রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনিই বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তথা রাজনীতিবিদ যিনি এই সম্মানে ভূষিত হলেন। মঙ্গলবার রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে স্কটিশ পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এই প্রথম দেখলাম বিশ্ব নেতারা সংকট মোকাবেলায় একসাথে কাজ করার প্রয়োজনীয়তা বোধ করেছেন। এটা সম্ভব হয়েছে শুধুমাত্র কোভিডের বাস্তবতার কারণে। আমি এর আগে কখনো বিশ্ব নেতাদের মধ্যে একসাথে কাজ করার কোনো তাড়না দেখিনি।

স্কটিশ পার্লামেন্টের প্রথম বাংলাদেশি এমপি ফয়ছল চৌধুরী এমবিই’র আয়োজনে এবং স্কটিশ পার্লামেন্টের স্পিকার আলিশন জনসনের আমন্ত্রণে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্কটিশ সংসদ সদস্য, ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন শেখ রেহানা, শেখ হাসিনা কন্যা সায়েমা ওয়াজেদ পুতুল, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীসহ আরো অনেকে।

১৫ মিনিটের বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথমেই ধন্যবাদ জানান ফয়ছল চৌধুরী এমবিইকে এমন আয়োজন করার জন্য। এছাড়া স্কটিশ জনগণের আতিথেয়তায় তিনি মুগ্ধতা প্রকাশ করেন। বক্তব্যে তিনি বাংলাদেশের গত ১ দশকের উন্নয়ন নিয়ে কথা বলেন। সেই সাথে বাংলাদেশের আগামী দশকের কর্ম ও উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে ধারনা দেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে বলেন, আমরা গ্লাসগোতে এসেছি সারা পৃথিবী মিলে পরিবেশ ও জলবায়ু উন্নয়নে একটি টেকসই পন্থা খুঁজে বের করার জন্য। সম্প্রতি আইপিসিসি সিক্স এসেসমেন্ট রিপোর্টের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, পৃথিবীতে উষ্ণতা বেড়েছে মারাত্মক, আমাদের পৃথিবীকে উষ্ণতা থেকে রক্ষা করতে হবে। মানুষের সৃষ্টি পরিবেশ বিপন্নতার জন্য বাংলাদেশের মতো দেশগুলো মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। আমরা মাত্র শূন্য দশমিক ৪৭ শতাংশ অবদান রাখছি উষ্ণতা বৃদ্ধিতে কিন্তু পৃথিবীর বড় বড় দেশের জন্য আমাদের ঝুঁকি নিতে হচ্ছে মারাত্মক।

তিনি বলেন, নিজস্ব তহবিলে বাংলাদেশ ক্লাইমেট ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করেছে। ৪৮০ মিলিয়ন ইউএস ডলার বিনিয়োগ করে বাংলাদেশ সরকার ৮০০ প্রজেক্ট হাতে নিয়েছে জলবায়ু রক্ষার গবেষনার জন্য। বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যানে জলবায়ু রক্ষার জন্য বিশদ পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

শেখ হাসিনা স্কটিশ পার্লামেন্টের বক্তব্যে জলবায়ু সম্মেলনে যে ৪টি প্রস্তাব দিয়েছেন সেই প্রস্তাবও তুলে ধরেন। সব শেষে তিনি বাংলায় উপস্থিত স্কটিশ বাংলাদেশি কমিউনিটির সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

প্রথম বাংলাদেশি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে স্কটিশ পার্লামেন্টে শেখ হাসিনা

আপডেট সময় ১২:০৯:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

স্কটিশ পার্লামেন্টে বক্তব্য রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনিই বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তথা রাজনীতিবিদ যিনি এই সম্মানে ভূষিত হলেন। মঙ্গলবার রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে স্কটিশ পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এই প্রথম দেখলাম বিশ্ব নেতারা সংকট মোকাবেলায় একসাথে কাজ করার প্রয়োজনীয়তা বোধ করেছেন। এটা সম্ভব হয়েছে শুধুমাত্র কোভিডের বাস্তবতার কারণে। আমি এর আগে কখনো বিশ্ব নেতাদের মধ্যে একসাথে কাজ করার কোনো তাড়না দেখিনি।

স্কটিশ পার্লামেন্টের প্রথম বাংলাদেশি এমপি ফয়ছল চৌধুরী এমবিই’র আয়োজনে এবং স্কটিশ পার্লামেন্টের স্পিকার আলিশন জনসনের আমন্ত্রণে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্কটিশ সংসদ সদস্য, ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন শেখ রেহানা, শেখ হাসিনা কন্যা সায়েমা ওয়াজেদ পুতুল, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীসহ আরো অনেকে।

১৫ মিনিটের বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথমেই ধন্যবাদ জানান ফয়ছল চৌধুরী এমবিইকে এমন আয়োজন করার জন্য। এছাড়া স্কটিশ জনগণের আতিথেয়তায় তিনি মুগ্ধতা প্রকাশ করেন। বক্তব্যে তিনি বাংলাদেশের গত ১ দশকের উন্নয়ন নিয়ে কথা বলেন। সেই সাথে বাংলাদেশের আগামী দশকের কর্ম ও উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে ধারনা দেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে বলেন, আমরা গ্লাসগোতে এসেছি সারা পৃথিবী মিলে পরিবেশ ও জলবায়ু উন্নয়নে একটি টেকসই পন্থা খুঁজে বের করার জন্য। সম্প্রতি আইপিসিসি সিক্স এসেসমেন্ট রিপোর্টের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, পৃথিবীতে উষ্ণতা বেড়েছে মারাত্মক, আমাদের পৃথিবীকে উষ্ণতা থেকে রক্ষা করতে হবে। মানুষের সৃষ্টি পরিবেশ বিপন্নতার জন্য বাংলাদেশের মতো দেশগুলো মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। আমরা মাত্র শূন্য দশমিক ৪৭ শতাংশ অবদান রাখছি উষ্ণতা বৃদ্ধিতে কিন্তু পৃথিবীর বড় বড় দেশের জন্য আমাদের ঝুঁকি নিতে হচ্ছে মারাত্মক।

তিনি বলেন, নিজস্ব তহবিলে বাংলাদেশ ক্লাইমেট ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করেছে। ৪৮০ মিলিয়ন ইউএস ডলার বিনিয়োগ করে বাংলাদেশ সরকার ৮০০ প্রজেক্ট হাতে নিয়েছে জলবায়ু রক্ষার গবেষনার জন্য। বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যানে জলবায়ু রক্ষার জন্য বিশদ পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

শেখ হাসিনা স্কটিশ পার্লামেন্টের বক্তব্যে জলবায়ু সম্মেলনে যে ৪টি প্রস্তাব দিয়েছেন সেই প্রস্তাবও তুলে ধরেন। সব শেষে তিনি বাংলায় উপস্থিত স্কটিশ বাংলাদেশি কমিউনিটির সবাইকে ধন্যবাদ জানান।