ঢাকা ১০:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ইসরায়েল ধ্বংসও হয়ে যেতে পারে: ইরান

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইরানের বিরুদ্ধে যে কোনো ধরনের আগ্রাসনের দুঃসাহস দেখালে ইসরায়েল ধ্বংস হয়ে যেতে পারে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে তেহরান।

ইসরায়েলের বিভিন্ন হুমকির প্রতিক্রিয়ায় এমন কঠোর বার্তা দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী শামখানি।

দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের বিরুদ্ধে হুমকি ও উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন ইসরায়েলের নেতারা। ইরানের পরমাণু স্থাপনাসহ বিভিন্ন স্থানে হামলা চালানোর জন্য ইসরায়েল বাজেট তৈরি করছে বলেও তাদের গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।

এসবের প্রতিক্রিয়ায় আলী শামখানি বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে নাশকতা চালানোর জন্য দেড়শ’ কোটি ডলার বাজেট বরাদ্দ দেওয়ার পরিবর্তে ইসরায়েলের উচিত ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলার ক্ষতি কাটিয়ে নিজের পুনর্গঠনের জন্য হাজার হাজার কোটি ডলার বাজেট বরাদ্দ দেওয়া।

তিনি বলেন, ইসরায়েলি কর্মকর্তারা গত এক দশকে ইরানের বিরুদ্ধে বহুবার হুমকি দিয়েছেন। যদিও তারা জানেন যে ইরানের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধ করার ক্ষমতা তাদের নেই এবং কোনো হুমকিই তারা বাস্তবায়ন করতে পারবে না। তারপরও যদি তারা ইরানের বিরুদ্ধে সামান্যতম আগ্রাসনের দুঃসাহস দেখায় তাহলে কঠিন জবাব পাবে, যার ফলে ইসরাইল ধ্বংসও হয়ে যেতে পারে। আর এটা উপলব্ধি করেই ইসরাইল অব্যাহত হুমকি দিয়ে যাচ্ছে ইরানকে।

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেত সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র সফর গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে সাক্ষাতে ইরানের বিরুদ্ধে তাদের নতুন কর্মকৌশল তুলে ধরেন। অনেক বড় পরিসরে যুদ্ধে জড়ানোর পরিবর্তে ছোট পরিসরে ইরানে সামরিক হামলা চালানোর পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। এর পাশাপাশি তেহরানের ওপর প্রচণ্ড কূটনৈতিক চাপও বৃদ্ধির কথা বলেন।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের হুমকি আন্তর্জাতিক আইনের প্রকাশ্য লঙ্ঘন। এ ব্যাপারে জাতিসংঘ ও নিরাপত্তা পরিষদ দায়িত্ব এড়াতে পারে না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

ইসরায়েল ধ্বংসও হয়ে যেতে পারে: ইরান

আপডেট সময় ১০:৩২:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইরানের বিরুদ্ধে যে কোনো ধরনের আগ্রাসনের দুঃসাহস দেখালে ইসরায়েল ধ্বংস হয়ে যেতে পারে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে তেহরান।

ইসরায়েলের বিভিন্ন হুমকির প্রতিক্রিয়ায় এমন কঠোর বার্তা দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী শামখানি।

দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের বিরুদ্ধে হুমকি ও উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন ইসরায়েলের নেতারা। ইরানের পরমাণু স্থাপনাসহ বিভিন্ন স্থানে হামলা চালানোর জন্য ইসরায়েল বাজেট তৈরি করছে বলেও তাদের গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।

এসবের প্রতিক্রিয়ায় আলী শামখানি বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে নাশকতা চালানোর জন্য দেড়শ’ কোটি ডলার বাজেট বরাদ্দ দেওয়ার পরিবর্তে ইসরায়েলের উচিত ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলার ক্ষতি কাটিয়ে নিজের পুনর্গঠনের জন্য হাজার হাজার কোটি ডলার বাজেট বরাদ্দ দেওয়া।

তিনি বলেন, ইসরায়েলি কর্মকর্তারা গত এক দশকে ইরানের বিরুদ্ধে বহুবার হুমকি দিয়েছেন। যদিও তারা জানেন যে ইরানের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধ করার ক্ষমতা তাদের নেই এবং কোনো হুমকিই তারা বাস্তবায়ন করতে পারবে না। তারপরও যদি তারা ইরানের বিরুদ্ধে সামান্যতম আগ্রাসনের দুঃসাহস দেখায় তাহলে কঠিন জবাব পাবে, যার ফলে ইসরাইল ধ্বংসও হয়ে যেতে পারে। আর এটা উপলব্ধি করেই ইসরাইল অব্যাহত হুমকি দিয়ে যাচ্ছে ইরানকে।

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেত সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র সফর গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে সাক্ষাতে ইরানের বিরুদ্ধে তাদের নতুন কর্মকৌশল তুলে ধরেন। অনেক বড় পরিসরে যুদ্ধে জড়ানোর পরিবর্তে ছোট পরিসরে ইরানে সামরিক হামলা চালানোর পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। এর পাশাপাশি তেহরানের ওপর প্রচণ্ড কূটনৈতিক চাপও বৃদ্ধির কথা বলেন।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের হুমকি আন্তর্জাতিক আইনের প্রকাশ্য লঙ্ঘন। এ ব্যাপারে জাতিসংঘ ও নিরাপত্তা পরিষদ দায়িত্ব এড়াতে পারে না।