ঢাকা ০৩:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

কাবুল বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ নিতে চান এরদোগান

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আবারও আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েপ এরদোগান।

আঙ্কারায় এক বক্তব্যে তিনি বলেন, অতীতেও তুরস্ক কাবুল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা রক্ষা করেছে।

কাজেই বর্তমানে আবার সেখানে তুর্কি সেনা মোতায়েনে কোনো আপত্তি থাকার কথা নয়।
এরদোগান বলেন, আফগানিস্তান ও কাতারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার পর এই বিমানবন্দরে সেনা মোতায়েন করতে পারে তুরস্ক।

গত আগস্ট মাসে তালেবানের হাতে কাবুলের পতন হওয়ার কয়েক মাস আগে থেকে কাবুল বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ তুরস্কের হাতে ছেড়ে দিতে চেয়েছিল আমেরিকা। মূলত মার্কিন সেনারা আফগানিস্তান ত্যাগ করার পর ওই বিমানবন্দর তালেবানের হামলা থেকে রক্ষা করার কাজে আফগান সেনাবাহিনীকে সাহায্য করার জন্য এ পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সে সময় তালেবান তুর্কি সরকারকে হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলেছিল, আঙ্কারা কাবুল বিমানবন্দরে সেনা মোতায়েন করলে এসব সেনাকে ‘শত্রুসেনা’ বলে গণ্য করা হবে।

কিন্তু ১৫ আগস্ট হঠাৎ করে তালেবানের হাতে কাবুলের পতন হওয়ার পর ওই বিমানবন্দর দিয়ে অপমানজনকভাবে মার্কিন সেনারা পালিয়ে যায়। তালেবান সরকার ক্ষমতা নেওয়ার পর কখনও কাবুল বিমানবন্দরের নিরাপত্তা রক্ষা করার জন্য বিদেশি সেনা মোতায়েনের আগ্রহ জানায়নি। ।

এদিকে, আফগানিস্তানের তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি প্রশ্নে এখনই আঙ্কারা কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না বলে জানান তুর্কি প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, তার সরকার আফগান জনগণের সঙ্গে তালেবান সরকারের আচরণ পর্যবেক্ষণের পরই কেবল এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে।

এর আগে, তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাভুসওগ্লু বলেছিলেন, তার দেশ আফগানিস্তানকে একটি মানবিক সংকটের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য তালেবানকে সহযোগিতা করলেও তালেবান সরকারকে এখনই স্বীকৃতি দেবে না আঙ্কারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

কাবুল বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ নিতে চান এরদোগান

আপডেট সময় ০১:৩২:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আবারও আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েপ এরদোগান।

আঙ্কারায় এক বক্তব্যে তিনি বলেন, অতীতেও তুরস্ক কাবুল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা রক্ষা করেছে।

কাজেই বর্তমানে আবার সেখানে তুর্কি সেনা মোতায়েনে কোনো আপত্তি থাকার কথা নয়।
এরদোগান বলেন, আফগানিস্তান ও কাতারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার পর এই বিমানবন্দরে সেনা মোতায়েন করতে পারে তুরস্ক।

গত আগস্ট মাসে তালেবানের হাতে কাবুলের পতন হওয়ার কয়েক মাস আগে থেকে কাবুল বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ তুরস্কের হাতে ছেড়ে দিতে চেয়েছিল আমেরিকা। মূলত মার্কিন সেনারা আফগানিস্তান ত্যাগ করার পর ওই বিমানবন্দর তালেবানের হামলা থেকে রক্ষা করার কাজে আফগান সেনাবাহিনীকে সাহায্য করার জন্য এ পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সে সময় তালেবান তুর্কি সরকারকে হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলেছিল, আঙ্কারা কাবুল বিমানবন্দরে সেনা মোতায়েন করলে এসব সেনাকে ‘শত্রুসেনা’ বলে গণ্য করা হবে।

কিন্তু ১৫ আগস্ট হঠাৎ করে তালেবানের হাতে কাবুলের পতন হওয়ার পর ওই বিমানবন্দর দিয়ে অপমানজনকভাবে মার্কিন সেনারা পালিয়ে যায়। তালেবান সরকার ক্ষমতা নেওয়ার পর কখনও কাবুল বিমানবন্দরের নিরাপত্তা রক্ষা করার জন্য বিদেশি সেনা মোতায়েনের আগ্রহ জানায়নি। ।

এদিকে, আফগানিস্তানের তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি প্রশ্নে এখনই আঙ্কারা কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না বলে জানান তুর্কি প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, তার সরকার আফগান জনগণের সঙ্গে তালেবান সরকারের আচরণ পর্যবেক্ষণের পরই কেবল এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে।

এর আগে, তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাভুসওগ্লু বলেছিলেন, তার দেশ আফগানিস্তানকে একটি মানবিক সংকটের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য তালেবানকে সহযোগিতা করলেও তালেবান সরকারকে এখনই স্বীকৃতি দেবে না আঙ্কারা।