ঢাকা ০৩:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মুহিবুল্লাহ হত্যায় বিদেশি সংস্থার সম্পৃক্ততা নিয়ে তদন্ত হচ্ছে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালংয়ে শরণার্থী শিবিরে রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহকে গুলি করে হত্যায় বিদেশি কোনো সংস্থার সম্পৃক্ততা রয়েছে কিনা তা নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

তিনি বলেছেন, এ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করে এর আসল কারণ বের করতে কাজ করছি। এতে জড়িতদের শিগগিরই আইনের আওতায় আনতে পারব। এ ঘটনার তদন্ত চলছে। কারা এ অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করার প্রয়াস পাচ্ছে এবং কোনো বিদেশি সংস্থা এর সঙ্গে জড়িত আছে কি না, সবই আমরা তদন্ত করে দেখছি।

রবিবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শারদীয় দুর্গোৎসবের আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভা শেষে ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, আমরা এখনো কিছু বলতে পারছি না। আমরা অনেক কিছুই সন্দেহ করছি। তদন্তের পরই আপনাদেরকে জানাব। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটিকে বিচ্ছিন্ন বলুন, কিংবা উদ্দেশ্যমূলক বলুন, যাই হোক, আমরা তা বের করব।’

২০১৭ সালে আরো রোহিঙ্গার সঙ্গে বাংলাদেশে শরণার্থী হয়ে আসা মুহিবুল্লাহ তার দেশ মিয়ানমারে ফিরতে সোচ্চার ছিলেন। শরণার্থী শিবিরে আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস নামে একটি সংগঠন দাঁড় করিয়ে সেটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন এ রোহিঙ্গা নেতা।

মুহিবুল্লাহ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ওই নেতা মায়ানমারে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে ফিরিয়ে নিতে সবসময় সোচ্চার ছিলেন। আমরা মনে করি ঘটনাটি তদন্ত করে এর মূল কারণ বের করতে হবে। সে অনুযায়ী আমরা কাজও করছি। তাকে যারা হত্যা করেছে বলে আমরা মনে করছি, তাদের শিগগিরই আইনের আওতায় নিয়ে আসতে পারব। আমাদের তদন্ত, সবকিছুই খুব দ্রুত চলছে।’

সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো আছে উল্লেখ করে স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ক্যাম্পগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যথেষ্ট পরিমাণেই আছে। পরিস্থিতিও যথেষ্ট ভালো। আপনারা দেখেছেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে অস্থির পরিবেশ সৃষ্টির জন্য আগেও মিয়ানমার থেকে বিভিন্নভাবে অস্ত্র এসেছে। এ অস্ত্র নিয়ে এবং আধিপত্য বিস্তার করার জন্য বিভিন্ন গ্রুপে মারামারি দেখা গেছে।

এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের চতুর্দিকে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার কাজ চলছে। কিছুদিনের মধ্যে এ কাজ শেষ হবে। এছাড়া সেখানে ওয়াচ টাওয়ার তৈরি করা হচ্ছে। এটির কাজও শিগগিরই শেষ হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

মুহিবুল্লাহ হত্যায় বিদেশি সংস্থার সম্পৃক্ততা নিয়ে তদন্ত হচ্ছে

আপডেট সময় ১১:১২:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অক্টোবর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালংয়ে শরণার্থী শিবিরে রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহকে গুলি করে হত্যায় বিদেশি কোনো সংস্থার সম্পৃক্ততা রয়েছে কিনা তা নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

তিনি বলেছেন, এ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করে এর আসল কারণ বের করতে কাজ করছি। এতে জড়িতদের শিগগিরই আইনের আওতায় আনতে পারব। এ ঘটনার তদন্ত চলছে। কারা এ অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করার প্রয়াস পাচ্ছে এবং কোনো বিদেশি সংস্থা এর সঙ্গে জড়িত আছে কি না, সবই আমরা তদন্ত করে দেখছি।

রবিবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শারদীয় দুর্গোৎসবের আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভা শেষে ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, আমরা এখনো কিছু বলতে পারছি না। আমরা অনেক কিছুই সন্দেহ করছি। তদন্তের পরই আপনাদেরকে জানাব। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটিকে বিচ্ছিন্ন বলুন, কিংবা উদ্দেশ্যমূলক বলুন, যাই হোক, আমরা তা বের করব।’

২০১৭ সালে আরো রোহিঙ্গার সঙ্গে বাংলাদেশে শরণার্থী হয়ে আসা মুহিবুল্লাহ তার দেশ মিয়ানমারে ফিরতে সোচ্চার ছিলেন। শরণার্থী শিবিরে আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস নামে একটি সংগঠন দাঁড় করিয়ে সেটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন এ রোহিঙ্গা নেতা।

মুহিবুল্লাহ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ওই নেতা মায়ানমারে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে ফিরিয়ে নিতে সবসময় সোচ্চার ছিলেন। আমরা মনে করি ঘটনাটি তদন্ত করে এর মূল কারণ বের করতে হবে। সে অনুযায়ী আমরা কাজও করছি। তাকে যারা হত্যা করেছে বলে আমরা মনে করছি, তাদের শিগগিরই আইনের আওতায় নিয়ে আসতে পারব। আমাদের তদন্ত, সবকিছুই খুব দ্রুত চলছে।’

সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো আছে উল্লেখ করে স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ক্যাম্পগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যথেষ্ট পরিমাণেই আছে। পরিস্থিতিও যথেষ্ট ভালো। আপনারা দেখেছেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে অস্থির পরিবেশ সৃষ্টির জন্য আগেও মিয়ানমার থেকে বিভিন্নভাবে অস্ত্র এসেছে। এ অস্ত্র নিয়ে এবং আধিপত্য বিস্তার করার জন্য বিভিন্ন গ্রুপে মারামারি দেখা গেছে।

এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের চতুর্দিকে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার কাজ চলছে। কিছুদিনের মধ্যে এ কাজ শেষ হবে। এছাড়া সেখানে ওয়াচ টাওয়ার তৈরি করা হচ্ছে। এটির কাজও শিগগিরই শেষ হবে।