ঢাকা ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে পুলিশের গাড়ি, দেশজুড়ে সতর্কতা জারি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা দেশের জনগণই নির্ধারণ করবে ইরানের ভবিষ্যৎ: পেজেশকিয়ান সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হয়েছে, হজের বিমান ভাড়া আরও কমবে: পর্যটনমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দায়িত্ব তারেক রহমানের হাতে ন্যস্ত করা হয়েছে : মির্জা ফখরুল জুলাই সনদ নয়, সংবিধান সংশোধনে ব্যস্ত সরকার: মাহমুদা মিতু গণতন্ত্র শক্তিশালী না হলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিশ্চিত হবে না আ.লীগ নেতার ছেলের লাঠির আঘাতে বিএনপি নেতার মৃত্যু গালাগালি ও হামলা দুটোই অতীতমুখী রাজনীতি: মঞ্জু মধ্যস্থতার মাধ্যমে মামলাজট কমিয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব: আইনমন্ত্রী

নজরদারির মাধ্যমে ইভ্যালিকে ব্যবসার সুযোগ দেওয়ার দাবি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নজরদারির মাধ্যমে ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রাসেলকে ব্যবসা করার সুযোগ দেওয়াসহ ৭ দফা দাবি জানিয়েছেন ইভ্যালির মার্চেন্ট এবং ভোক্তারা।

শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) ‘ইভ্যালির মার্চেন্ট এবং ভোক্তাবৃন্দ’ ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ‘আমরা ইভ্যালির প্রায় ৭৪ লাখ গ্রাহক ও প্রায় ৩৫ হাজারের অধিক বিক্রেতা এবং পাঁচ হাজারের অধিক স্থায়ী-অস্থায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারী ইভ্যালির সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। আমরা সবাই জানি ইভ্যালি বর্তমানে বাংলাদেশের প্রথম সারির ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান, সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ডিজিটাল মার্কেট প্লেসে ভোক্তাদের পণ্য ক্রয়ে উদ্বুদ্ধকরণ এবং নতুন হাজার হাজার উদ্যোক্তা তৈরিতে ইভ্যালির ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য। ইভ্যালির ব্যবসায়িক কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে আগামীদিনে বাংলাদেশের জিডিপি বিশ্বের প্রথম ১০ দেশের মধ্যে থাকবে।’

তারা বলেন, ‘কয়েকটি অভিযোগের ভিত্তিতে ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামিমা নাসরিন এবং সিইও মোহাম্মদ রাসেল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে আছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। ব্যবসার পরিধি বড় হলে কিছু অভিযোগ বা সমন্বয়হীনতা থাকতে পারে। আমরা মনে করি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, আইসিটি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, ইক্যাব, মার্চেন্ট, ভোক্তাসহ সকলের প্রতিনিধি ও ইভ্যালির কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি কমিটি করে এই সমন্বয়হীনতা বা সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব।’

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ‘এই সংকট মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হলে প্রায় ৭৫ লাখ পরিবার ঋণগ্রস্ত হয়ে পথে বসার উপক্রম হবে। আমাদের বিশ্বাস সংশ্লিষ্ট সকলের আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসন করে সম্ভাবনাময় একটি প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসা করার সুযোগ দিয়ে লাখ লাখ ভোক্তার স্বপ্নপূরণ এবং হাজার হাজার উদ্যোক্তার ব্যবসায় চালিয়ে যাওয়ার পথ সুগম হবে। ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ই-কমার্স সংশ্লিষ্টদের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

এসময় তারা ৭ দফা দাবি উপস্থাপন করেন। দাবি গুলো হলো-

১. ইভ্যালির সিইও মোহাম্মদ রাসেল এবং চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের মুক্তি দিতে হবে।

২. রাসেলকে নজরদারির মাধ্যমে দিকনির্দেশনা দিয়ে ব্যবসায করার সুযোগ দিতে হবে।

৩. এসক্রো সিস্টেম চালু হওয়ার পূর্বে অর্ডারকৃত পণ্য ডেলিভারি দিতে রাসেল সময় চোয়েছেন। আমরা তাকে সময় দিয়ে সহযোগিতা করতে চাই।

৪. করোনাকালে বিভিন্ন খাতের মতো ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলোকে প্রণোদনা দিতে হবে।

৫. ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলোকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে ব্যাংক গ্যারান্টিসহ বাধ্যাতামূলক লাইসেন্স নিতে হবে।

৬. ই-কমার্স বাংলাদেশের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় খাত, যেখানে হাজার হাজার উদ্যোক্তা সৃষ্টি হচ্ছে এবং লাখ লাখ কর্মসংস্থান হচ্ছে। এই সেক্টরকে সরকারীভাবে সুরক্ষা দিতে হবে।

৭. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে ইক্যাব, পেমেন্ট গেটওয়ে, মার্চেন্ট এবং ভোক্তা প্রতিনিধিদের সমন্বয কমিটি গঠন করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ইভ্যালির মার্চেন্ট এবং ভোক্তাবৃন্দ’র সমন্বয়ক মো. নাসির উদ্দিন, সহ-সমন্বয়ক সাকিব হাসানসহ প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে পুলিশের গাড়ি, দেশজুড়ে সতর্কতা জারি

নজরদারির মাধ্যমে ইভ্যালিকে ব্যবসার সুযোগ দেওয়ার দাবি

আপডেট সময় ০৫:০৫:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অক্টোবর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নজরদারির মাধ্যমে ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রাসেলকে ব্যবসা করার সুযোগ দেওয়াসহ ৭ দফা দাবি জানিয়েছেন ইভ্যালির মার্চেন্ট এবং ভোক্তারা।

শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) ‘ইভ্যালির মার্চেন্ট এবং ভোক্তাবৃন্দ’ ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ‘আমরা ইভ্যালির প্রায় ৭৪ লাখ গ্রাহক ও প্রায় ৩৫ হাজারের অধিক বিক্রেতা এবং পাঁচ হাজারের অধিক স্থায়ী-অস্থায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারী ইভ্যালির সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। আমরা সবাই জানি ইভ্যালি বর্তমানে বাংলাদেশের প্রথম সারির ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান, সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ডিজিটাল মার্কেট প্লেসে ভোক্তাদের পণ্য ক্রয়ে উদ্বুদ্ধকরণ এবং নতুন হাজার হাজার উদ্যোক্তা তৈরিতে ইভ্যালির ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য। ইভ্যালির ব্যবসায়িক কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে আগামীদিনে বাংলাদেশের জিডিপি বিশ্বের প্রথম ১০ দেশের মধ্যে থাকবে।’

তারা বলেন, ‘কয়েকটি অভিযোগের ভিত্তিতে ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামিমা নাসরিন এবং সিইও মোহাম্মদ রাসেল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে আছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। ব্যবসার পরিধি বড় হলে কিছু অভিযোগ বা সমন্বয়হীনতা থাকতে পারে। আমরা মনে করি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, আইসিটি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, ইক্যাব, মার্চেন্ট, ভোক্তাসহ সকলের প্রতিনিধি ও ইভ্যালির কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি কমিটি করে এই সমন্বয়হীনতা বা সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব।’

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ‘এই সংকট মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হলে প্রায় ৭৫ লাখ পরিবার ঋণগ্রস্ত হয়ে পথে বসার উপক্রম হবে। আমাদের বিশ্বাস সংশ্লিষ্ট সকলের আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসন করে সম্ভাবনাময় একটি প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসা করার সুযোগ দিয়ে লাখ লাখ ভোক্তার স্বপ্নপূরণ এবং হাজার হাজার উদ্যোক্তার ব্যবসায় চালিয়ে যাওয়ার পথ সুগম হবে। ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ই-কমার্স সংশ্লিষ্টদের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

এসময় তারা ৭ দফা দাবি উপস্থাপন করেন। দাবি গুলো হলো-

১. ইভ্যালির সিইও মোহাম্মদ রাসেল এবং চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের মুক্তি দিতে হবে।

২. রাসেলকে নজরদারির মাধ্যমে দিকনির্দেশনা দিয়ে ব্যবসায করার সুযোগ দিতে হবে।

৩. এসক্রো সিস্টেম চালু হওয়ার পূর্বে অর্ডারকৃত পণ্য ডেলিভারি দিতে রাসেল সময় চোয়েছেন। আমরা তাকে সময় দিয়ে সহযোগিতা করতে চাই।

৪. করোনাকালে বিভিন্ন খাতের মতো ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলোকে প্রণোদনা দিতে হবে।

৫. ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলোকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে ব্যাংক গ্যারান্টিসহ বাধ্যাতামূলক লাইসেন্স নিতে হবে।

৬. ই-কমার্স বাংলাদেশের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় খাত, যেখানে হাজার হাজার উদ্যোক্তা সৃষ্টি হচ্ছে এবং লাখ লাখ কর্মসংস্থান হচ্ছে। এই সেক্টরকে সরকারীভাবে সুরক্ষা দিতে হবে।

৭. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে ইক্যাব, পেমেন্ট গেটওয়ে, মার্চেন্ট এবং ভোক্তা প্রতিনিধিদের সমন্বয কমিটি গঠন করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ইভ্যালির মার্চেন্ট এবং ভোক্তাবৃন্দ’র সমন্বয়ক মো. নাসির উদ্দিন, সহ-সমন্বয়ক সাকিব হাসানসহ প্রমুখ।