ঢাকা ০৫:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ইরানের প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে নিউইয়র্কে বিক্ষোভ

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বক্তব্য রেখেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি। এর প্রতিবাদে নিউইয়র্কে ডিজিটাল ডিসপ্লের মাধ্যমে অহিংস বিক্ষোভ হয়েছে।

বুধবার একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাইসির বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে নিউইয়র্কে দৃষ্টিনন্দন কয়েকটি ট্রাকের ডিজিটাল ডিসপ্লেতে রাইসি বিরোধী বিভিন্ন বার্তা দেওয়া হয়। ইরানিয়ান আমেরিকান ফর লিবার্টি নামে এক সংগঠনের তরফ থেকে ওই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়।

ওই সংগঠন টুইটারে ওই বিক্ষোভের ভিডিও পোস্ট করেছে। ট্রাকের ডিজিটাল ডিসপ্লেতে ‘ইব্রাহিম রাইসির বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অপরাধের তদন্ত হওয়া উচিত’ আর ‘সন্ত্রাসীদের মনোনীত সরকার’ এর মতো রাইসি বিরোধী বিভিন্ন বার্তা প্রচার করা হয়।

পাশাপাশি প্রচার করা হয় রাইসির বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ সংক্রান্ত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদ। ইরানের রাজধানী তেহরান থেকে মঙ্গলবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বক্তব্য রাখেন রাইসি।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের ডকুমেন্টে জানা যায় কট্টরপন্থি ইব্রাহিম রাইসি কিভাবে ডেথ কমিশনের সদস্য হিসেবে ভূমিকা পালন করেছেন। এই ডেথ কমিশন জোরপূর্বক অপহরণসহ ১৯৮৮ সালে এভিন ও গোহরদাশত কারাগারে হাজার হাজার ভিন্নমতাবলম্বী রাজনৈতিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে। ইরান এখন পর্যন্ত ভুক্তভোগীদের মরদেহ পদ্ধতিগতভাবে গোপন রেখেছে।

অ্যামনেস্টির রিপোর্টে বলা হয়, ইরানের বিচার বিভাগের প্রধান হিসেবে ইব্রাহিম রাইসি মানবাধিকারের প্রতি দমন-পীড়ন চালিয়েছেন।

৬০ বছর বয়সী রাইসি তার কর্মজীবনের বেশিরভাগ সময় সরকারি কৌঁসুলি হিসেবে কাজ করেছেন। তাকে ২০১৯ সালে বিচার বিভাগের প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তারপর থেকে নির্বাচনে ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার আগ পর্যন্ত ইব্রাহিম রাইসি দেশটির বিচার বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

ইরানের প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে নিউইয়র্কে বিক্ষোভ

আপডেট সময় ০৮:৫৭:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বক্তব্য রেখেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি। এর প্রতিবাদে নিউইয়র্কে ডিজিটাল ডিসপ্লের মাধ্যমে অহিংস বিক্ষোভ হয়েছে।

বুধবার একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাইসির বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে নিউইয়র্কে দৃষ্টিনন্দন কয়েকটি ট্রাকের ডিজিটাল ডিসপ্লেতে রাইসি বিরোধী বিভিন্ন বার্তা দেওয়া হয়। ইরানিয়ান আমেরিকান ফর লিবার্টি নামে এক সংগঠনের তরফ থেকে ওই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়।

ওই সংগঠন টুইটারে ওই বিক্ষোভের ভিডিও পোস্ট করেছে। ট্রাকের ডিজিটাল ডিসপ্লেতে ‘ইব্রাহিম রাইসির বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অপরাধের তদন্ত হওয়া উচিত’ আর ‘সন্ত্রাসীদের মনোনীত সরকার’ এর মতো রাইসি বিরোধী বিভিন্ন বার্তা প্রচার করা হয়।

পাশাপাশি প্রচার করা হয় রাইসির বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ সংক্রান্ত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদ। ইরানের রাজধানী তেহরান থেকে মঙ্গলবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বক্তব্য রাখেন রাইসি।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের ডকুমেন্টে জানা যায় কট্টরপন্থি ইব্রাহিম রাইসি কিভাবে ডেথ কমিশনের সদস্য হিসেবে ভূমিকা পালন করেছেন। এই ডেথ কমিশন জোরপূর্বক অপহরণসহ ১৯৮৮ সালে এভিন ও গোহরদাশত কারাগারে হাজার হাজার ভিন্নমতাবলম্বী রাজনৈতিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে। ইরান এখন পর্যন্ত ভুক্তভোগীদের মরদেহ পদ্ধতিগতভাবে গোপন রেখেছে।

অ্যামনেস্টির রিপোর্টে বলা হয়, ইরানের বিচার বিভাগের প্রধান হিসেবে ইব্রাহিম রাইসি মানবাধিকারের প্রতি দমন-পীড়ন চালিয়েছেন।

৬০ বছর বয়সী রাইসি তার কর্মজীবনের বেশিরভাগ সময় সরকারি কৌঁসুলি হিসেবে কাজ করেছেন। তাকে ২০১৯ সালে বিচার বিভাগের প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তারপর থেকে নির্বাচনে ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার আগ পর্যন্ত ইব্রাহিম রাইসি দেশটির বিচার বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।