ঢাকা ০৪:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্ভুল অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশনা ফ্যামিলি কার্ডে অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী আম্মারসহ শিবির নেতাদের হামলায় আহত ২ শিক্ষার্থী কারাগারে বাংলাদেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক যুক্ত হচ্ছে না: ডা. জাহেদ দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু নির্দোষ হয়েও আমি অপরাধী: আইভী বিনিয়োগ সেবা সহজ করতে ৬৬১.৫ কোটি টাকার ‘বাংলাবিজ’ প্রকল্প সরকারের শুধু আইন করে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়: মির্জা ফখরুল মিরসরাই শিল্পাঞ্চলে ৩০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী তুরস্কের সানকো

দশ হাজার টাকায় চাঁদে জমি কিনলেন দুই বাংলাদেশি তরুণ!

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চাঁদে জমি বাণিজ্যের খবর নতুন কিছু নয়। বাস্তবে চোখে না দেখলেও পশ্চিমাদের অনেকেই হুজুগে পড়ে কাড়ি কাড়ি অর্থ গচ্ছা দেন পৃথিবীর উপগ্রহটির ভূমি কিনতে। এই তালিকায় আগে কখনও বাংলাদেশি কারও নাম শোনা গেলেও এবার দেশের দুই তরুণ চাঁদে জমি কিনেছেন বলে খবর চাউর হয়েছে।

এই দুই তরুণের একজন শেখ শাকিল হোসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। অন্যজন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী এস এম শাহিন আলম। তারা দুজনই বন্ধু। দুজনের বাড়িই সাতক্ষীরা।

চাঁদের জমির কথিত বিক্রেতা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ডেনিস হোপের ‘লুনার অ্যাম্বাসি’ থেকে তারা এক একর আয়তনের চন্দ্রভূমি মাত্র ৫৫ ডলারে (বাংলাদেশি মুদ্রায় মাত্র প্রায় পাঁচ হাজার টাকা) কিনেছেন বলে দাবি করেছেন। অর্থাৎ তারা দুজন মাত্র ১১০ ডলারে দুই একর জমি কিনেছেন চাঁদে।

শাকিল ও শাহিনের দাবি, বুধবার তারা চাঁদে কেনা সেই জমির দলিল হাতে পেয়েছেন। চাঁদের মানচিত্রেও উল্লেখ রয়েছে তাদের জমির নির্ধারিত স্থান। জানতে চাইলে এস এম শাহিন আলম বলেন, ‘আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট থেকে শুরু করে প্রতিবেশ দেশ ভারতের অনেক নামীদামী তারকা চাঁদে জমি কিনেছেন। চাঁদে আমাদের জমি থাকবে, এমন শখ থেকেই খোঁজখবর নিতে শুরু করি এবং সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করি।’

চাঁদের দেশে জমি কিনতে পেরে দারুণ খুশি শেখ শাকিল হোসেন। তিনি জানান, ‘কল্পরাজ্যের চাঁদের দেশে এক টুকরো জমি কিনতে পেরে আমরা দারুণ উচ্ছ্বসিত। খুব সম্ভবত, আমরাই প্রথম বাংলাদেশি যারা চাঁদে জমি কিনেছি।’

এর আগে ডেনিস হোপের ‘লুনার অ্যাম্বাসি’ থেকে চাঁদে জমি কিনেছেন সাবেক তিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ, জিমি কার্টার ও রোলান্ড রিগ্যান। চাঁদে জমি কেনার জন্য মার্কিন নাগরিক ডেনিস হোপের ‘লুনার অ্যাম্বাসি’-ই হলো সবচেয়ে জনপ্রিয় কোম্পানি। যার বাংলা অর্থ ‘চন্দ্র দূতাবাস’।

তাদের তথ্যানুযায়ী, চাঁদে জমির দাম একর প্রতি ২৪.৯৯ ডলার থেকে সর্বোচ্চ ৪৯৯ মার্কিন ডলার৷ বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ২১২৫ টাকা থেকে ৪২৪৩৭ টাকা। জানা গেছে, জমি কেনার পর ক্রেতাকে একটি বিক্রয় চুক্তি, কেনা জমির একটি স্যাটালাইট ছবি এবং জমিটির ভৌগোলিক অবস্থান ও মৌজা-পরচার মতো আইনি নথিও পাঠিয়ে থাকে সংস্থাটি৷ এছাড়া, কেউ যদি আরো একটু ব্যয় করতে রাজি থাকে, তাহলে তাদের জন্য চাঁদের সম্পূর্ণ মানচিত্র এবং অন্যান্য তথ্যও সরবরাহ করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

দশ হাজার টাকায় চাঁদে জমি কিনলেন দুই বাংলাদেশি তরুণ!

আপডেট সময় ০৬:৪০:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চাঁদে জমি বাণিজ্যের খবর নতুন কিছু নয়। বাস্তবে চোখে না দেখলেও পশ্চিমাদের অনেকেই হুজুগে পড়ে কাড়ি কাড়ি অর্থ গচ্ছা দেন পৃথিবীর উপগ্রহটির ভূমি কিনতে। এই তালিকায় আগে কখনও বাংলাদেশি কারও নাম শোনা গেলেও এবার দেশের দুই তরুণ চাঁদে জমি কিনেছেন বলে খবর চাউর হয়েছে।

এই দুই তরুণের একজন শেখ শাকিল হোসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। অন্যজন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী এস এম শাহিন আলম। তারা দুজনই বন্ধু। দুজনের বাড়িই সাতক্ষীরা।

চাঁদের জমির কথিত বিক্রেতা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ডেনিস হোপের ‘লুনার অ্যাম্বাসি’ থেকে তারা এক একর আয়তনের চন্দ্রভূমি মাত্র ৫৫ ডলারে (বাংলাদেশি মুদ্রায় মাত্র প্রায় পাঁচ হাজার টাকা) কিনেছেন বলে দাবি করেছেন। অর্থাৎ তারা দুজন মাত্র ১১০ ডলারে দুই একর জমি কিনেছেন চাঁদে।

শাকিল ও শাহিনের দাবি, বুধবার তারা চাঁদে কেনা সেই জমির দলিল হাতে পেয়েছেন। চাঁদের মানচিত্রেও উল্লেখ রয়েছে তাদের জমির নির্ধারিত স্থান। জানতে চাইলে এস এম শাহিন আলম বলেন, ‘আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট থেকে শুরু করে প্রতিবেশ দেশ ভারতের অনেক নামীদামী তারকা চাঁদে জমি কিনেছেন। চাঁদে আমাদের জমি থাকবে, এমন শখ থেকেই খোঁজখবর নিতে শুরু করি এবং সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করি।’

চাঁদের দেশে জমি কিনতে পেরে দারুণ খুশি শেখ শাকিল হোসেন। তিনি জানান, ‘কল্পরাজ্যের চাঁদের দেশে এক টুকরো জমি কিনতে পেরে আমরা দারুণ উচ্ছ্বসিত। খুব সম্ভবত, আমরাই প্রথম বাংলাদেশি যারা চাঁদে জমি কিনেছি।’

এর আগে ডেনিস হোপের ‘লুনার অ্যাম্বাসি’ থেকে চাঁদে জমি কিনেছেন সাবেক তিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ, জিমি কার্টার ও রোলান্ড রিগ্যান। চাঁদে জমি কেনার জন্য মার্কিন নাগরিক ডেনিস হোপের ‘লুনার অ্যাম্বাসি’-ই হলো সবচেয়ে জনপ্রিয় কোম্পানি। যার বাংলা অর্থ ‘চন্দ্র দূতাবাস’।

তাদের তথ্যানুযায়ী, চাঁদে জমির দাম একর প্রতি ২৪.৯৯ ডলার থেকে সর্বোচ্চ ৪৯৯ মার্কিন ডলার৷ বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ২১২৫ টাকা থেকে ৪২৪৩৭ টাকা। জানা গেছে, জমি কেনার পর ক্রেতাকে একটি বিক্রয় চুক্তি, কেনা জমির একটি স্যাটালাইট ছবি এবং জমিটির ভৌগোলিক অবস্থান ও মৌজা-পরচার মতো আইনি নথিও পাঠিয়ে থাকে সংস্থাটি৷ এছাড়া, কেউ যদি আরো একটু ব্যয় করতে রাজি থাকে, তাহলে তাদের জন্য চাঁদের সম্পূর্ণ মানচিত্র এবং অন্যান্য তথ্যও সরবরাহ করা হয়।