ঢাকা ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল পৌনে ৫টায় কেন্দ্রীয় ঔষধাগারে (সেন্ট্রাল মেডিকেল স্টোরস ডিপো,সিএমএসডি) অ্যাম্বুলেন্স হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

জাহিদ মালেক বলেন, আজকে আমরা বলতে পারি করোনা পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বর্তমানে সংক্রমণের হার সাড়ে ৭ শতাংশ, যা ৩৩ শতাংশ হয়েছিল। আজকে মৃত্যু দেখলাম ৪১, যা ২৭০ এ উঠেছিল। করোনায় আমরা অনেককে হারিয়েছি। বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ভারতেও করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশেও কমবেশি করোনা নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এমনিতেই নিয়ন্ত্রণ হয় না। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় করোনা নিয়ন্ত্রণ হয়। করোনাকালে আমাদের অনেক কাজ করতে হয়েছে। একটি ল্যাব থেকে বর্তমানে ৮০০ ল্যাব হয়েছে। প্রতিদিন ১০০টির মতো করোনা টেস্ট হতো। সেখানে বর্তমানে দৈনিক গড়ে ৩০ হাজার টেস্ট করা হচ্ছে। করোনা রোগীর জন্য ১৭ হাজার আলাদা বেড রাখতে হয়েছে। ২০০ টি আইসিইউ থেকে ১৩০০ আইসিইউ তে উন্নিত করা হয়েছে। আরও হাজারখানেক কোভিড আইসিও তৈরি করা হয়েছে। আমাদের ফিল্ড হাসপাতাল তৈরি করতে হয়েছে। এক হাজার বেডের হাসপাতাল তৈরি করায় সারাদেশ থেকে আসা রোগীর চাপ সামলানো সম্ভব হয়েছে। নতুবা এখানে একটি কঠিন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো। প্রতিটা বড় হাসপাতালে বর্তমানে সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। করোনা রোগীর পাশাপাশি অন্যান্য রোগীদের সেবা আমাদের দিতে হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, করোনা রোগীর পাশাপাশি ডেঙ্গু রোগী বাড়ছে। প্রতিদিন আমরা হাসপাতালে দুই থেকে তিনশ ডেঙ্গু রোগী পাচ্ছি। ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার ব্যবস্থাও আমাদের করতে হয়েছে। ডেঙ্গু রোগের চিকিৎসার জন্য আমাদের আলাদা হাসপাতালে ব্যবস্থা করতে হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এর পাশাপাশি আমাদের অনেক নিয়োগের দিতে হয়েছে। চার হাজার চিকিৎসক ও আট হাজার নার্স নিয়োগের অপেক্ষায় আছে। আরও অনেক টেকনোলজিস্ট নিয়োগের অপেক্ষায় আছে।

বক্তব্যের শুরুতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ভারতের সরকার এবং জনগণের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে ১০৯টি অ্যাম্বুলেন্স দেওয়ায় সরকার এবং জনগণের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

আলোচনা শেষে অ্যাম্বুলেন্সগুলোকে বিভিন্ন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, সিএমএসডি পরিচালক আবু হেনা মোর্শেদ জামান উপস্তিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:১৯:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল পৌনে ৫টায় কেন্দ্রীয় ঔষধাগারে (সেন্ট্রাল মেডিকেল স্টোরস ডিপো,সিএমএসডি) অ্যাম্বুলেন্স হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

জাহিদ মালেক বলেন, আজকে আমরা বলতে পারি করোনা পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বর্তমানে সংক্রমণের হার সাড়ে ৭ শতাংশ, যা ৩৩ শতাংশ হয়েছিল। আজকে মৃত্যু দেখলাম ৪১, যা ২৭০ এ উঠেছিল। করোনায় আমরা অনেককে হারিয়েছি। বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ভারতেও করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশেও কমবেশি করোনা নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এমনিতেই নিয়ন্ত্রণ হয় না। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় করোনা নিয়ন্ত্রণ হয়। করোনাকালে আমাদের অনেক কাজ করতে হয়েছে। একটি ল্যাব থেকে বর্তমানে ৮০০ ল্যাব হয়েছে। প্রতিদিন ১০০টির মতো করোনা টেস্ট হতো। সেখানে বর্তমানে দৈনিক গড়ে ৩০ হাজার টেস্ট করা হচ্ছে। করোনা রোগীর জন্য ১৭ হাজার আলাদা বেড রাখতে হয়েছে। ২০০ টি আইসিইউ থেকে ১৩০০ আইসিইউ তে উন্নিত করা হয়েছে। আরও হাজারখানেক কোভিড আইসিও তৈরি করা হয়েছে। আমাদের ফিল্ড হাসপাতাল তৈরি করতে হয়েছে। এক হাজার বেডের হাসপাতাল তৈরি করায় সারাদেশ থেকে আসা রোগীর চাপ সামলানো সম্ভব হয়েছে। নতুবা এখানে একটি কঠিন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো। প্রতিটা বড় হাসপাতালে বর্তমানে সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। করোনা রোগীর পাশাপাশি অন্যান্য রোগীদের সেবা আমাদের দিতে হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, করোনা রোগীর পাশাপাশি ডেঙ্গু রোগী বাড়ছে। প্রতিদিন আমরা হাসপাতালে দুই থেকে তিনশ ডেঙ্গু রোগী পাচ্ছি। ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার ব্যবস্থাও আমাদের করতে হয়েছে। ডেঙ্গু রোগের চিকিৎসার জন্য আমাদের আলাদা হাসপাতালে ব্যবস্থা করতে হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এর পাশাপাশি আমাদের অনেক নিয়োগের দিতে হয়েছে। চার হাজার চিকিৎসক ও আট হাজার নার্স নিয়োগের অপেক্ষায় আছে। আরও অনেক টেকনোলজিস্ট নিয়োগের অপেক্ষায় আছে।

বক্তব্যের শুরুতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ভারতের সরকার এবং জনগণের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে ১০৯টি অ্যাম্বুলেন্স দেওয়ায় সরকার এবং জনগণের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

আলোচনা শেষে অ্যাম্বুলেন্সগুলোকে বিভিন্ন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, সিএমএসডি পরিচালক আবু হেনা মোর্শেদ জামান উপস্তিত ছিলেন।