ঢাকা ১০:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

কিউইদের টি-টোয়েন্টিতে সর্বনিম্ন রানের লজ্জা দিল টাইগাররা

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:  

নিউজিল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে সর্বনিম্ন রানের লজ্জা দিল বাংলাদেশ। পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে প্রথমে ব্যাট করে ১৬.৫ ওভারে ৬০ রানে অলআউট হয় কিউইরা।

অবশ্য এটি কিউইদের সর্বনিম্ন রানের যৌথ রেকর্ড। ২০১৪ বিশ্বকাপে বাংলাদেশেই চট্টগ্রামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১২০ রান তাড়া করতে নেমে ১৫.৩ ওভারে ৬০ রানে অলআউট হয় দলটি।

টস জিতে ব্যাটিং নেওয়ার নিউজিল্যান্ডের এই দলটাকে তৃতীয়সারির বললেও ভুল হবে না। কেননা তাদের বিশ্বকাপে ঘোষিত কোনো ক্রিকেটারই যে এই সিরিজে নেই। তবে একটা ব্যাপার নিয়ে প্রশ্ন জাগতেই পারে, কিছুদিন আগেই অস্ট্রেলিয়ার মতো দল এসে যেখানে বিধ্বস্ত হয়ে ফিরেছে, সেখানে কিউইরা কেমন করে এই দলটি পাঠাল? তার খেসারতই হয়তো প্রথম ম্যাচে দিল।

এদিন ব্যাটিংয়ে শুরুতেই নড়বড়ে ছিল নিউজিল্যান্ড ব্যাটসম্যানরা। পাশাপাশি আগের সিরিজের মতো এবারও ভয়ঙ্কর স্পিন নির্ভর দল গড়ে বাংলাদেশ। তাইতো ঘূর্ণি সামাল দিতেই ঘাম ঝরল ব্ল্যাকক্যাপস ব্যাটসম্যানদের।

প্রথম ওভারেই উইকেট নিয়ে উদযাপনের শুরুটা করলেন মেহেদী হাসান। অভিষেক হওয়া আলোচিত রচিন রবীন্দ্রকে কট এন্ড বোল্ড করে ফেরালেন শূন্য রানে। এক ওভার পর উইল ইয়ংকে বোল্ড করে ফেরান দলের সবচেয়ে বড় স্পিনার সাকিব আল হাসান। মেহেদী-সাকিবে উল্লাস দেখে বসে থাকতে পারেননি তরুণ নাসুম আহমেদও। অজি সিরিজে ঝলক দেখানো এই বাঁহাতি চতুর্থ ওভারে টম ব্লান্ডেল ও অভিজ্ঞ কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমেকে। এরই ফলে দলীয় ৯ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে কোনঠাসা সফরকারীরা।

পঞ্চম উইকেট জুটিতে কিছুটা প্রতিরোধ করার চেষ্টা করলেন অধিনায়ক টম ল্যাথাম ও হেনরি নিকোলস। এ জুটি ৪১ বলে ৩৪ রান যোগ করে। তবে ১১তম ওভারে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন নিজের প্রথম স্পেলে এসেই বাজিমাত করলেন এই জুটি ভেঙে। ২৫ বলে ১৮ রান করা কিউই দলনেতা ল্যাথামকে নাসুমের ক্যাচ বানান তিনি। পরের ওভারেই ফের সাকিবের আঘাত। এবার আরেক অভিষিক্ত কোল ম্যাককোনচিকে শূন্য রানে মাঠ ছাড়া করান বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।

১৩তম ওভারের শেষ বলে ১৮ রান করা নিকোলসকে নিজের দ্বিতীয় শিকার বানান সাইফ। আর শেষদিকে দুই টেলএন্ডারকে ফিরিয়ে উইকেটে ভাগ বসান মোস্তাফিজুর রহমান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

কিউইদের টি-টোয়েন্টিতে সর্বনিম্ন রানের লজ্জা দিল টাইগাররা

আপডেট সময় ০৬:০১:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:  

নিউজিল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে সর্বনিম্ন রানের লজ্জা দিল বাংলাদেশ। পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে প্রথমে ব্যাট করে ১৬.৫ ওভারে ৬০ রানে অলআউট হয় কিউইরা।

অবশ্য এটি কিউইদের সর্বনিম্ন রানের যৌথ রেকর্ড। ২০১৪ বিশ্বকাপে বাংলাদেশেই চট্টগ্রামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১২০ রান তাড়া করতে নেমে ১৫.৩ ওভারে ৬০ রানে অলআউট হয় দলটি।

টস জিতে ব্যাটিং নেওয়ার নিউজিল্যান্ডের এই দলটাকে তৃতীয়সারির বললেও ভুল হবে না। কেননা তাদের বিশ্বকাপে ঘোষিত কোনো ক্রিকেটারই যে এই সিরিজে নেই। তবে একটা ব্যাপার নিয়ে প্রশ্ন জাগতেই পারে, কিছুদিন আগেই অস্ট্রেলিয়ার মতো দল এসে যেখানে বিধ্বস্ত হয়ে ফিরেছে, সেখানে কিউইরা কেমন করে এই দলটি পাঠাল? তার খেসারতই হয়তো প্রথম ম্যাচে দিল।

এদিন ব্যাটিংয়ে শুরুতেই নড়বড়ে ছিল নিউজিল্যান্ড ব্যাটসম্যানরা। পাশাপাশি আগের সিরিজের মতো এবারও ভয়ঙ্কর স্পিন নির্ভর দল গড়ে বাংলাদেশ। তাইতো ঘূর্ণি সামাল দিতেই ঘাম ঝরল ব্ল্যাকক্যাপস ব্যাটসম্যানদের।

প্রথম ওভারেই উইকেট নিয়ে উদযাপনের শুরুটা করলেন মেহেদী হাসান। অভিষেক হওয়া আলোচিত রচিন রবীন্দ্রকে কট এন্ড বোল্ড করে ফেরালেন শূন্য রানে। এক ওভার পর উইল ইয়ংকে বোল্ড করে ফেরান দলের সবচেয়ে বড় স্পিনার সাকিব আল হাসান। মেহেদী-সাকিবে উল্লাস দেখে বসে থাকতে পারেননি তরুণ নাসুম আহমেদও। অজি সিরিজে ঝলক দেখানো এই বাঁহাতি চতুর্থ ওভারে টম ব্লান্ডেল ও অভিজ্ঞ কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমেকে। এরই ফলে দলীয় ৯ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে কোনঠাসা সফরকারীরা।

পঞ্চম উইকেট জুটিতে কিছুটা প্রতিরোধ করার চেষ্টা করলেন অধিনায়ক টম ল্যাথাম ও হেনরি নিকোলস। এ জুটি ৪১ বলে ৩৪ রান যোগ করে। তবে ১১তম ওভারে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন নিজের প্রথম স্পেলে এসেই বাজিমাত করলেন এই জুটি ভেঙে। ২৫ বলে ১৮ রান করা কিউই দলনেতা ল্যাথামকে নাসুমের ক্যাচ বানান তিনি। পরের ওভারেই ফের সাকিবের আঘাত। এবার আরেক অভিষিক্ত কোল ম্যাককোনচিকে শূন্য রানে মাঠ ছাড়া করান বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।

১৩তম ওভারের শেষ বলে ১৮ রান করা নিকোলসকে নিজের দ্বিতীয় শিকার বানান সাইফ। আর শেষদিকে দুই টেলএন্ডারকে ফিরিয়ে উইকেটে ভাগ বসান মোস্তাফিজুর রহমান।