ঢাকা ১১:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১১ দলীয় জোটের সমাবেশ থেকে কর্নেল অলির ‘হুংকার’ তৃণমূল সংগঠনের খোঁজ-খবর ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী বিশ্ববিদ্যালয়, শিল্প কারখানা ও প্রবাসীদের ত্রিপাক্ষিক ইকোসিস্টেম গড়ে তুলবে সরকার: মাহদী আমিন নির্লজ্জ দলীয়করণ করে দুর্নীতিকে জাতীয়করণ করছে সরকার: জামায়াত আমির ধানমন্ডিতে শেখ হাসিনার পরিত্যক্ত ‘সুধাসদন’ থেকে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার রাষ্ট্রপতির হাতে শপথ নিয়ে তাকে সাংবিধানিকভাবে দায়মুক্তি দিয়ে গেছে নাহিদ মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধের কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না: পানিসম্পদমন্ত্রী জুলাইয়ের দিনগুলোই জ্বলন্ত সাক্ষী, ইসলামী আন্দোলন মানবতার পক্ষের শক্তি: চরমোনাই পীর ভারতের আন্দোলনরত ছাত্র-তরুণদেরকে অভিনন্দন নাহিদ ইসলামের

২৫ দিনে ১৩ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয়

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

আগস্টের ২৫ দিনে ১৫৫ কোটি (১.৫৫ বিলিয়ন) ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ৮৫ টাকা ২০ পয়সা ধরে) যার পরিমাণ ১৩ হাজার ২১০ কোটি টাকার বেশি।

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারের নগদ প্রণোদনা ও করোনায় বিদেশ ভ্রমণ নিয়ন্ত্রণের কারণে বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স বেশি এসেছে। ফলে করোনা মহামারির মধ্যেও রেমিট্যান্স প্রবাহ ইতিবাচক রয়েছে।

করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় ১ আগস্ট ব্যাংক বন্ধ ছিল। তাই ২ আগস্ট থেকে রেমিট্যান্সের হিসাব করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২ থেকে ২৬ আগস্ট পর্যন্ত রাষ্ট্রায়ত্ত পাঁচ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৩ কোটি ডলার। বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১১৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার। বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৬৯ লাখ ডলার। বিশেষায়িত ৩টি ব্যাংকের মধ্যে একটিতে এসেছে ২ কোটি ৭৪ লাখ ডলার।

২৫ দিনে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে ইসলামী ব্যাংকে। ব্যাংকটির মাধ্যমে ৪৪ কোটি ৬৫ লাখ ডলার এসেছে। এরপর ডাচ-বাংলা ব্যাংকে প্রায় ১৬ কোটি, অগ্রণী ব্যাংকে ১৩ কোটি ৮২ লাখ, সোনালী ব্যাংকে ৮ কোটি ৯৬ লাখ এবং পূবালী ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৫ কোটি ১৮ লাখ ডলার। তবে এই সময়ে সরকারি বিডিবিএল, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বিদেশি ব্যাংক আল-ফালাহ, হাবিব ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের মাধ্যমে কোনো রেমিট্যান্স পাঠাননি প্রবাসীরা।

রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ায় করোনা মহামারির মধ্যেও দেশের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ একের পর এক রেকর্ড গড়ছে। এর সঙ্গে বৈদেশিক ঋণ সহায়তা যোগ হওয়ায় ২৪ আগস্ট রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাইয়ে প্রবাসীরা ১৮৭ কোটি ১৪ লাখ ৯০ হাজার ডলার (১.৮৭ বিলিয়ন) রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন।

২০২০-২১ অর্থবছরে ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স আসে, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে ৩৬ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি। এর আগে কোনো অর্থবছরে এত বেশি রেমিট্যান্স দেশে আসেনি।

২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

২৫ দিনে ১৩ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয়

আপডেট সময় ১১:১২:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ অগাস্ট ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

আগস্টের ২৫ দিনে ১৫৫ কোটি (১.৫৫ বিলিয়ন) ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ৮৫ টাকা ২০ পয়সা ধরে) যার পরিমাণ ১৩ হাজার ২১০ কোটি টাকার বেশি।

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারের নগদ প্রণোদনা ও করোনায় বিদেশ ভ্রমণ নিয়ন্ত্রণের কারণে বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স বেশি এসেছে। ফলে করোনা মহামারির মধ্যেও রেমিট্যান্স প্রবাহ ইতিবাচক রয়েছে।

করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় ১ আগস্ট ব্যাংক বন্ধ ছিল। তাই ২ আগস্ট থেকে রেমিট্যান্সের হিসাব করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২ থেকে ২৬ আগস্ট পর্যন্ত রাষ্ট্রায়ত্ত পাঁচ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৩ কোটি ডলার। বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১১৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার। বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৬৯ লাখ ডলার। বিশেষায়িত ৩টি ব্যাংকের মধ্যে একটিতে এসেছে ২ কোটি ৭৪ লাখ ডলার।

২৫ দিনে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে ইসলামী ব্যাংকে। ব্যাংকটির মাধ্যমে ৪৪ কোটি ৬৫ লাখ ডলার এসেছে। এরপর ডাচ-বাংলা ব্যাংকে প্রায় ১৬ কোটি, অগ্রণী ব্যাংকে ১৩ কোটি ৮২ লাখ, সোনালী ব্যাংকে ৮ কোটি ৯৬ লাখ এবং পূবালী ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৫ কোটি ১৮ লাখ ডলার। তবে এই সময়ে সরকারি বিডিবিএল, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বিদেশি ব্যাংক আল-ফালাহ, হাবিব ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের মাধ্যমে কোনো রেমিট্যান্স পাঠাননি প্রবাসীরা।

রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ায় করোনা মহামারির মধ্যেও দেশের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ একের পর এক রেকর্ড গড়ছে। এর সঙ্গে বৈদেশিক ঋণ সহায়তা যোগ হওয়ায় ২৪ আগস্ট রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাইয়ে প্রবাসীরা ১৮৭ কোটি ১৪ লাখ ৯০ হাজার ডলার (১.৮৭ বিলিয়ন) রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন।

২০২০-২১ অর্থবছরে ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স আসে, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে ৩৬ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি। এর আগে কোনো অর্থবছরে এত বেশি রেমিট্যান্স দেশে আসেনি।

২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার।