ঢাকা ০৩:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘে বিনা ভোটে প্রস্তাব পাস, ‘মাইলফলক’ বলল বাংলাদেশ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদে সোমবার রাতে এক প্রস্তাব পাস হয়েছে, যাতে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর পক্ষে জবাবদিহিতা, তাদের ওপর চালানো নিপীড়নের বিচার এবং তাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

জেনেভায় জাতিসংঘের বাংলাদেশ মিশন থেকে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছে, ২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণের পর এই প্রথম কোনও প্রস্তাব ভোটাভুটি ছাড়াই জাতিসংঘে গৃহীত হল। এই প্রস্তাবটিকে বাংলাদেশের জন্য একটি ‘বড় মাইলফলক’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই প্রস্তাব গ্রহণের মধ্য দিয়ে রোহিঙ্গা মুসলমান ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের মূল কারণ নিয়ে মানবাধিকার পরিষদে একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত হয়।

জেনেভায় মানবাধিকার পরিষদের ৪৭তম অধিবেশনে বাংলাদেশের উদ্যোগে ইসলামিক সম্মেলন সংস্থা ওআইসি’র সব রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ‘রোহিঙ্গা মুসলিম ও মিয়ানমারের অন্যান্য সংখ্যালঘুদের মানবাধিকার পরিস্থিতি’ শীর্ষক প্রস্তাবটি উপস্থাপিত হয়েছিল।

গৃহীত প্রস্তাবে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যৌন অপরাধসহ সকল প্রকার নির্যাতন, মানবতা-বিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত ও দায়ী ব্যক্তিদের জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিচার ব্যবস্থার আওতায় আনার গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

একইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রক্রিয়া জোরদারেরও আহ্বান জানানো হয়।

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত এবং আন্তর্জাতিক আদালতে চলমান বিচার প্রক্রিয়াকে সমর্থন জানানো হয় পাস হওয়া ওই প্রস্তাবে।

এতে জাতিসংঘ মানবাধিকার হাইকমিশনারকে মিয়ানমার বিষয়ক ‘নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক তথ্যানুসন্ধানী মিশনে’র সুপারিশ বাস্তবায়নের অগ্রগতির ওপর মানবাধিকার পরিষদ এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রতিবেদন উপস্থাপনের অনুরোধ জানানো হয়।

মিয়ানমারে গণহত্যা ও ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়ে ২০১৭ সালের পর কয়েক লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘে বিনা ভোটে প্রস্তাব পাস, ‘মাইলফলক’ বলল বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০২:০৩:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জুলাই ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদে সোমবার রাতে এক প্রস্তাব পাস হয়েছে, যাতে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর পক্ষে জবাবদিহিতা, তাদের ওপর চালানো নিপীড়নের বিচার এবং তাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

জেনেভায় জাতিসংঘের বাংলাদেশ মিশন থেকে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছে, ২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণের পর এই প্রথম কোনও প্রস্তাব ভোটাভুটি ছাড়াই জাতিসংঘে গৃহীত হল। এই প্রস্তাবটিকে বাংলাদেশের জন্য একটি ‘বড় মাইলফলক’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই প্রস্তাব গ্রহণের মধ্য দিয়ে রোহিঙ্গা মুসলমান ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের মূল কারণ নিয়ে মানবাধিকার পরিষদে একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত হয়।

জেনেভায় মানবাধিকার পরিষদের ৪৭তম অধিবেশনে বাংলাদেশের উদ্যোগে ইসলামিক সম্মেলন সংস্থা ওআইসি’র সব রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ‘রোহিঙ্গা মুসলিম ও মিয়ানমারের অন্যান্য সংখ্যালঘুদের মানবাধিকার পরিস্থিতি’ শীর্ষক প্রস্তাবটি উপস্থাপিত হয়েছিল।

গৃহীত প্রস্তাবে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যৌন অপরাধসহ সকল প্রকার নির্যাতন, মানবতা-বিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত ও দায়ী ব্যক্তিদের জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিচার ব্যবস্থার আওতায় আনার গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

একইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রক্রিয়া জোরদারেরও আহ্বান জানানো হয়।

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত এবং আন্তর্জাতিক আদালতে চলমান বিচার প্রক্রিয়াকে সমর্থন জানানো হয় পাস হওয়া ওই প্রস্তাবে।

এতে জাতিসংঘ মানবাধিকার হাইকমিশনারকে মিয়ানমার বিষয়ক ‘নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক তথ্যানুসন্ধানী মিশনে’র সুপারিশ বাস্তবায়নের অগ্রগতির ওপর মানবাধিকার পরিষদ এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রতিবেদন উপস্থাপনের অনুরোধ জানানো হয়।

মিয়ানমারে গণহত্যা ও ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়ে ২০১৭ সালের পর কয়েক লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।