ঢাকা ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ

রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘে বিনা ভোটে প্রস্তাব পাস, ‘মাইলফলক’ বলল বাংলাদেশ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদে সোমবার রাতে এক প্রস্তাব পাস হয়েছে, যাতে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর পক্ষে জবাবদিহিতা, তাদের ওপর চালানো নিপীড়নের বিচার এবং তাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

জেনেভায় জাতিসংঘের বাংলাদেশ মিশন থেকে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছে, ২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণের পর এই প্রথম কোনও প্রস্তাব ভোটাভুটি ছাড়াই জাতিসংঘে গৃহীত হল। এই প্রস্তাবটিকে বাংলাদেশের জন্য একটি ‘বড় মাইলফলক’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই প্রস্তাব গ্রহণের মধ্য দিয়ে রোহিঙ্গা মুসলমান ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের মূল কারণ নিয়ে মানবাধিকার পরিষদে একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত হয়।

জেনেভায় মানবাধিকার পরিষদের ৪৭তম অধিবেশনে বাংলাদেশের উদ্যোগে ইসলামিক সম্মেলন সংস্থা ওআইসি’র সব রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ‘রোহিঙ্গা মুসলিম ও মিয়ানমারের অন্যান্য সংখ্যালঘুদের মানবাধিকার পরিস্থিতি’ শীর্ষক প্রস্তাবটি উপস্থাপিত হয়েছিল।

গৃহীত প্রস্তাবে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যৌন অপরাধসহ সকল প্রকার নির্যাতন, মানবতা-বিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত ও দায়ী ব্যক্তিদের জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিচার ব্যবস্থার আওতায় আনার গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

একইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রক্রিয়া জোরদারেরও আহ্বান জানানো হয়।

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত এবং আন্তর্জাতিক আদালতে চলমান বিচার প্রক্রিয়াকে সমর্থন জানানো হয় পাস হওয়া ওই প্রস্তাবে।

এতে জাতিসংঘ মানবাধিকার হাইকমিশনারকে মিয়ানমার বিষয়ক ‘নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক তথ্যানুসন্ধানী মিশনে’র সুপারিশ বাস্তবায়নের অগ্রগতির ওপর মানবাধিকার পরিষদ এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রতিবেদন উপস্থাপনের অনুরোধ জানানো হয়।

মিয়ানমারে গণহত্যা ও ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়ে ২০১৭ সালের পর কয়েক লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশে পুনরায় বিদ্যুৎ রপ্তানি শুরু করল নেপাল

রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘে বিনা ভোটে প্রস্তাব পাস, ‘মাইলফলক’ বলল বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০২:০৩:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জুলাই ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদে সোমবার রাতে এক প্রস্তাব পাস হয়েছে, যাতে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর পক্ষে জবাবদিহিতা, তাদের ওপর চালানো নিপীড়নের বিচার এবং তাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

জেনেভায় জাতিসংঘের বাংলাদেশ মিশন থেকে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছে, ২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণের পর এই প্রথম কোনও প্রস্তাব ভোটাভুটি ছাড়াই জাতিসংঘে গৃহীত হল। এই প্রস্তাবটিকে বাংলাদেশের জন্য একটি ‘বড় মাইলফলক’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই প্রস্তাব গ্রহণের মধ্য দিয়ে রোহিঙ্গা মুসলমান ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের মূল কারণ নিয়ে মানবাধিকার পরিষদে একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত হয়।

জেনেভায় মানবাধিকার পরিষদের ৪৭তম অধিবেশনে বাংলাদেশের উদ্যোগে ইসলামিক সম্মেলন সংস্থা ওআইসি’র সব রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ‘রোহিঙ্গা মুসলিম ও মিয়ানমারের অন্যান্য সংখ্যালঘুদের মানবাধিকার পরিস্থিতি’ শীর্ষক প্রস্তাবটি উপস্থাপিত হয়েছিল।

গৃহীত প্রস্তাবে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যৌন অপরাধসহ সকল প্রকার নির্যাতন, মানবতা-বিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত ও দায়ী ব্যক্তিদের জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিচার ব্যবস্থার আওতায় আনার গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

একইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রক্রিয়া জোরদারেরও আহ্বান জানানো হয়।

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত এবং আন্তর্জাতিক আদালতে চলমান বিচার প্রক্রিয়াকে সমর্থন জানানো হয় পাস হওয়া ওই প্রস্তাবে।

এতে জাতিসংঘ মানবাধিকার হাইকমিশনারকে মিয়ানমার বিষয়ক ‘নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক তথ্যানুসন্ধানী মিশনে’র সুপারিশ বাস্তবায়নের অগ্রগতির ওপর মানবাধিকার পরিষদ এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রতিবেদন উপস্থাপনের অনুরোধ জানানো হয়।

মিয়ানমারে গণহত্যা ও ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়ে ২০১৭ সালের পর কয়েক লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।