ঢাকা ০৭:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যারা ১৭ বছর দেশের বাইরে ছিল তারাই গুপ্ত: গোলাম পরওয়ার ক্যাম্পাসগুলোকে অস্থিতিশীল করার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রাজপথে নামলে সরকারের পতন ঘটাতে বেশি সময় লাগবে না: ইসহাক সরকার নাটোরে যুবদলের দু’পক্ষে সংঘর্ষ, মোটরসাইকেলে আগুন দোকান ভাঙচুর ধামরাইয়ে ঘরে ঢুকে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যা এনসিপিতে যোগ দিলেন ইসহাক সরকার, রনি ও কাফি শিবির কি রগকাটা, শিবির কি গুপ্ত: গোলাম পরওয়ার দেশের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে চাইলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: অর্থমন্ত্রী ‘শিক্ষকরা কোনো দলের নেতা নন, রাজনীতি করলে শিক্ষকতা ছেড়ে দিন’:কায়সার কামাল দেশে তেলের সংকট নেই, কিছু মানুষ অনৈতিক ব্যবসা করছে: মির্জা ফখরুল

রোহিঙ্গাদের ত্রাণ ও পুনর্বাসনে অংশ নেবে সেনাবাহিনী বল্লেন ওবায়দুল কাদের

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের ত্রাণ ও পুনর্বাসন কাজে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমে সেনাবাহিনী যোগ দিবে এটা সরকারের সিদ্ধান্ত।’ বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের জন্য নানা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের দেওয়া ত্রাণ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

এ সময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম, স্থানীয় সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন, পুলিশ সুপার ইকবাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন। পরে ত্রাণগুলো জেলা প্রশাসকের কাছে হস্তান্তর করেন মন্ত্রী।

গত দুইদিন ধরে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ত্রাণ বিতরণ করেন সেতুমন্ত্রী। আজ বিকালেও তার টেকনাফের শামলাপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণ বিতরণের কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৪ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর ২৯টি চৌকিতে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে দেশটির সেনাবাহিনী রোহিঙ্গা অধ্যুষিত রাখাইন রাজ্যে অভিযান শুরু করে। রোহিঙ্গাদের বাড়ি ঘরে অগ্নিসংযোগ, বোমা নিক্ষেপ, গুলি করে ও গলা কেটে রোহিঙ্গাদের হত্যার অভিযোগ ওঠে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে।

২৫ আগস্ট থেকে রোহিঙ্গারা দলে দলে বাংলাদেশে আসতে শুরু করে। জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক শরণার্থী সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, এ পর্যন্ত প্রায় চার লাখ ১০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। আশ্রয়ের জন্য আসা এসব রোহিঙ্গাদের সরকার নানা সুযোগ সুবিধা দিয়ে যাচ্ছে। তাদের একত্রিত করার লক্ষ্যে উখিয়ার কুতুপালং ও বালুখালীতে দুই হাজার একর জায়গা নির্ধারণ করে সরকার। এ কারণে রোহিঙ্গাদের ছড়িয়ে পড়া রোধ ও শৃঙ্খলা রক্ষায় ২৫টি চেকপোস্ট ও ১২টি পেট্রোল টিমসহ গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা কাজ করছে। অতিরিক্ত পাঁচজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, চার প্লাটুন বিজিবি, ৬০ জন অফিসারসহ ৩৬০ জন পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এছাড়াও আনসার সদস্য, স্কাউট সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবী সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমানে সেখানে ত্রাণ কার্যক্রমের পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের নিবন্ধন ও স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার কাজ চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

রোহিঙ্গাদের ত্রাণ ও পুনর্বাসনে অংশ নেবে সেনাবাহিনী বল্লেন ওবায়দুল কাদের

আপডেট সময় ১১:৫২:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের ত্রাণ ও পুনর্বাসন কাজে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমে সেনাবাহিনী যোগ দিবে এটা সরকারের সিদ্ধান্ত।’ বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের জন্য নানা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের দেওয়া ত্রাণ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

এ সময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম, স্থানীয় সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন, পুলিশ সুপার ইকবাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন। পরে ত্রাণগুলো জেলা প্রশাসকের কাছে হস্তান্তর করেন মন্ত্রী।

গত দুইদিন ধরে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ত্রাণ বিতরণ করেন সেতুমন্ত্রী। আজ বিকালেও তার টেকনাফের শামলাপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণ বিতরণের কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৪ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর ২৯টি চৌকিতে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে দেশটির সেনাবাহিনী রোহিঙ্গা অধ্যুষিত রাখাইন রাজ্যে অভিযান শুরু করে। রোহিঙ্গাদের বাড়ি ঘরে অগ্নিসংযোগ, বোমা নিক্ষেপ, গুলি করে ও গলা কেটে রোহিঙ্গাদের হত্যার অভিযোগ ওঠে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে।

২৫ আগস্ট থেকে রোহিঙ্গারা দলে দলে বাংলাদেশে আসতে শুরু করে। জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক শরণার্থী সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, এ পর্যন্ত প্রায় চার লাখ ১০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। আশ্রয়ের জন্য আসা এসব রোহিঙ্গাদের সরকার নানা সুযোগ সুবিধা দিয়ে যাচ্ছে। তাদের একত্রিত করার লক্ষ্যে উখিয়ার কুতুপালং ও বালুখালীতে দুই হাজার একর জায়গা নির্ধারণ করে সরকার। এ কারণে রোহিঙ্গাদের ছড়িয়ে পড়া রোধ ও শৃঙ্খলা রক্ষায় ২৫টি চেকপোস্ট ও ১২টি পেট্রোল টিমসহ গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা কাজ করছে। অতিরিক্ত পাঁচজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, চার প্লাটুন বিজিবি, ৬০ জন অফিসারসহ ৩৬০ জন পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এছাড়াও আনসার সদস্য, স্কাউট সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবী সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমানে সেখানে ত্রাণ কার্যক্রমের পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের নিবন্ধন ও স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার কাজ চলছে।