ঢাকা ০৮:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে এনসিপির প্রতিনিধিদলের বৈঠক গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার ৬ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে কাঁপল পাকিস্তান, একজনের মৃত্যু ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে: জোনায়েদ সাকি অনিয়মের প্রমাণ থাকলে যেকোনো বিচার মেনে নিতে প্রস্তুত: আসিফ এক্সপ্রেসওয়েতে চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে আগুন, প্রাণে রক্ষা পেলেন রোগীসহ চারজন ক্ষমতা হস্তান্তর ও গণভোট নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর প্রচেষ্টা অভিযোগ প্রেস সচিবের ‘ক্ষমতায় গেলে গণঅভ্যুত্থানে হতাহতদের পরিবারকে পুনর্বাসন করবে বিএনপি’:রিজভী রাজনৈতিক দলের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে : ইসি আনোয়ারুল বিসমিল্লাহ সারা জীবন থাকবে, সব সময়ই থাকবে: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

মাহমুদউল্লাহ-তাসকিন বীরত্বে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪৬৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও তাসকিন আহমেদের ব্যাটি দৃঢ়তায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৪৬৮ রান তুলেছে বাংলাদেশ। ২৭৮ বলে ১৭টি চার ও একটি ছক্কায় ১৫০ রানে অপরাজিত থাকেন রিয়াদ।

টাইগারদের শেষ ব্যাসম্যান হিসেবে এবাদত হোসেন শূন্য রানে ব্লেসিং মুজারবানির বলে বিদায় নেন। মাহমুদউল্লাহর টেস্ট ক্যারিয়ারে একটি সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর। এরআগে তার সর্বোচ্চ স্কোর ছিল ১৪৬।

দেশের হয়ে নবম উইকেট জুটিতে আগের রেকর্ড ভেঙে দেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও তাসকিন আহমেদ। ২৭৬ বলে ১৯১ রানের পার্টনারশিপ গড়েছেন তারা। এরপর দারুণ ব্যাটিং করা তাসকিন ১৩৪ বলে ১১টি চারের সাহায্যে ৭৫ রান করে মিল্টন শাম্বার বলে বোল্ড হয়ে মাঠ ছাড়েন। জিম্বাবুয়ের মাটিতে বাংলাদেশের যেকোনো জুটিতেও এটি রেকর্ড পার্টনারশিপ।

আগের জুটিটিতেও অবশ্য রিয়াদের অবদান ছিল। ২০১২ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খুলনা টেস্টে নবম উইকেটে আবুল হাসানকে নিয়ে ১৯৭ বলে ১৮৪ রান করেছিলেন এই তারকা ব্যাটসম্যান। যদিও রিয়াদ-তাসকিনের সামনে বিশ্বরেকর্ডের হাতছানি ছিল। ১৯৯৮ সালে জোহান্নেসবার্গ টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার মার্ক বাউচার ও প্যাট স্যামকক্স ১৯৫ রান করেছিলেন। রিয়াদ-তাসকিনের এই জুটিটি এখন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

আগের দিন টপ অর্ডারের ব্যর্থতার পর ঘুরে দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশের মিডল অর্ডার। দ্বিতীয় দিন দলীয় সংগ্রহটাকে বিশাল আকার দিচ্ছে লোয়ার মিডল অর্ডার। বিশেষ করে নবম উইকেট রেকর্গ গড়ে বড় ভূমিকা রাখছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও তাসকিন আহমেদ।

দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশের রানের চাকা সচল রাখার মূল কৃতিত্ব রিয়াদের। দীর্ঘদিন পর টেস্ট ক্রিকেটে ফেরা এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান এরইমধ্যে নিজের ৫০তম ম্যাচে দেখা পেয়েছেন পঞ্চম সেঞ্চুরির। ১৯৫ বল খেলে ১১টি চার ও ১টি ছক্কায় ইনিংসটি সাজিয়েছেন তিনি।

মাহমুদউল্লাহর পাশে পার্শ্ব-নায়কের ভূমিকায় দেখা দিয়েছেন লোয়ার মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান তাসকিন আহমেদ। মূলত পেসার হলেও ব্যাট হাতে দুর্দান্ত সব শট খেলে তিনি তুলে নিয়েছেন টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি, তাও মাত্র ৬৯ বলে। আছে ৮টি চারের মার। অবশ্য ব্যক্তিগত ৩৪ রানে একবার দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ তুলে দিয়ে বেঁচে যান তিনি।

এর আগে গতকাল বুধবার হারারে স্পোর্টস ক্লাব গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত টেস্টের প্রথম দিনে বাংলাদেশ ৮ উইকেটে ২৯৪ রান তোলে। ৫৪ রানে অপরাজিত ছিলেন ‘সাইলেন্ট কিলার’ মাহমুদউল্লাহ। আর তাসকিন অপরাজিত ছিলেন ১৩ রানে।

প্রথম দিনে সেরা স্কোরার ছিলেন লিটন দাস। দুঃখজনকভাবে ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি থেকে ৫ রান দূরে থাকতে তিনি আউট হয়ে যান। লিটনের ১৪৭ বলে ১৩ চারে ৯৫ রানের ইনিংস থামে ডোনাল্ড ত্রিপানোর বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছে।

টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হকও তিন অংকের মোটামুটি কাছে চলে গিয়েছিলেন। তিনিও ৯২ বলে ৭০ রান করেন। বাউন্ডারি মারেন ১৩টি। এছাড়া সাইফ (০), সাদমান (২৩), শান্ত (২), মুশফিক (১১), সাকিব (৩), মিরাজ (০)- কেউই মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেননি।

প্রথম দিনের শেষদিকে ক্যারিয়ারের টেস্ট ফিফটি তুলে নেন মাহমুদউল্লাহ। আর দ্বিতীয় দিনে পেলেন তিন অংকের দেখাও।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাহমুদউল্লাহ-তাসকিন বীরত্বে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪৬৮

আপডেট সময় ০৬:২৪:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জুলাই ২০২১

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও তাসকিন আহমেদের ব্যাটি দৃঢ়তায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৪৬৮ রান তুলেছে বাংলাদেশ। ২৭৮ বলে ১৭টি চার ও একটি ছক্কায় ১৫০ রানে অপরাজিত থাকেন রিয়াদ।

টাইগারদের শেষ ব্যাসম্যান হিসেবে এবাদত হোসেন শূন্য রানে ব্লেসিং মুজারবানির বলে বিদায় নেন। মাহমুদউল্লাহর টেস্ট ক্যারিয়ারে একটি সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর। এরআগে তার সর্বোচ্চ স্কোর ছিল ১৪৬।

দেশের হয়ে নবম উইকেট জুটিতে আগের রেকর্ড ভেঙে দেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও তাসকিন আহমেদ। ২৭৬ বলে ১৯১ রানের পার্টনারশিপ গড়েছেন তারা। এরপর দারুণ ব্যাটিং করা তাসকিন ১৩৪ বলে ১১টি চারের সাহায্যে ৭৫ রান করে মিল্টন শাম্বার বলে বোল্ড হয়ে মাঠ ছাড়েন। জিম্বাবুয়ের মাটিতে বাংলাদেশের যেকোনো জুটিতেও এটি রেকর্ড পার্টনারশিপ।

আগের জুটিটিতেও অবশ্য রিয়াদের অবদান ছিল। ২০১২ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খুলনা টেস্টে নবম উইকেটে আবুল হাসানকে নিয়ে ১৯৭ বলে ১৮৪ রান করেছিলেন এই তারকা ব্যাটসম্যান। যদিও রিয়াদ-তাসকিনের সামনে বিশ্বরেকর্ডের হাতছানি ছিল। ১৯৯৮ সালে জোহান্নেসবার্গ টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার মার্ক বাউচার ও প্যাট স্যামকক্স ১৯৫ রান করেছিলেন। রিয়াদ-তাসকিনের এই জুটিটি এখন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

আগের দিন টপ অর্ডারের ব্যর্থতার পর ঘুরে দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশের মিডল অর্ডার। দ্বিতীয় দিন দলীয় সংগ্রহটাকে বিশাল আকার দিচ্ছে লোয়ার মিডল অর্ডার। বিশেষ করে নবম উইকেট রেকর্গ গড়ে বড় ভূমিকা রাখছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও তাসকিন আহমেদ।

দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশের রানের চাকা সচল রাখার মূল কৃতিত্ব রিয়াদের। দীর্ঘদিন পর টেস্ট ক্রিকেটে ফেরা এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান এরইমধ্যে নিজের ৫০তম ম্যাচে দেখা পেয়েছেন পঞ্চম সেঞ্চুরির। ১৯৫ বল খেলে ১১টি চার ও ১টি ছক্কায় ইনিংসটি সাজিয়েছেন তিনি।

মাহমুদউল্লাহর পাশে পার্শ্ব-নায়কের ভূমিকায় দেখা দিয়েছেন লোয়ার মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান তাসকিন আহমেদ। মূলত পেসার হলেও ব্যাট হাতে দুর্দান্ত সব শট খেলে তিনি তুলে নিয়েছেন টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি, তাও মাত্র ৬৯ বলে। আছে ৮টি চারের মার। অবশ্য ব্যক্তিগত ৩৪ রানে একবার দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ তুলে দিয়ে বেঁচে যান তিনি।

এর আগে গতকাল বুধবার হারারে স্পোর্টস ক্লাব গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত টেস্টের প্রথম দিনে বাংলাদেশ ৮ উইকেটে ২৯৪ রান তোলে। ৫৪ রানে অপরাজিত ছিলেন ‘সাইলেন্ট কিলার’ মাহমুদউল্লাহ। আর তাসকিন অপরাজিত ছিলেন ১৩ রানে।

প্রথম দিনে সেরা স্কোরার ছিলেন লিটন দাস। দুঃখজনকভাবে ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি থেকে ৫ রান দূরে থাকতে তিনি আউট হয়ে যান। লিটনের ১৪৭ বলে ১৩ চারে ৯৫ রানের ইনিংস থামে ডোনাল্ড ত্রিপানোর বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছে।

টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হকও তিন অংকের মোটামুটি কাছে চলে গিয়েছিলেন। তিনিও ৯২ বলে ৭০ রান করেন। বাউন্ডারি মারেন ১৩টি। এছাড়া সাইফ (০), সাদমান (২৩), শান্ত (২), মুশফিক (১১), সাকিব (৩), মিরাজ (০)- কেউই মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেননি।

প্রথম দিনের শেষদিকে ক্যারিয়ারের টেস্ট ফিফটি তুলে নেন মাহমুদউল্লাহ। আর দ্বিতীয় দিনে পেলেন তিন অংকের দেখাও।