ঢাকা ০৭:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘ফেলুদা’খ্যাত অভিনেতা বিপ্লব মারা গেছেন আচরণবিধি লঙ্ঘনে শাস্তি পেলেন নাহিদা-শারমিন পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে কাজ করছে সরকার : অর্থমন্ত্রী কুমিল্লায় মহাসড়কের পাশে মিলল কাস্টমস কর্মকর্তার রক্তাক্ত মরদেহ অর্থনীতি মজবুত করতে প্রাণিসম্পদ খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী হাজার চেষ্টা করলেও আ.লীগ হতে পারবেন না: বিএনপিকে জামায়াত আমির কার্ড দিতে গিয়ে বিএনপির তেল ফুরিয়ে গেছে: নাহিদ ইসলাম চলতি বছরেই হবে ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী আ.লীগ দুর্নীতি করে অর্থনীতির বেহাল দশা করে গেছে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সঙ্গে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক

আড়াই ঘণ্টার বৃষ্টিতে ভেঙে পড়ল প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আড়াই ঘণ্টার বৃষ্টিতে ভেঙে পড়েছে মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের দু’টি ঘর। মঙ্গলবার বিকালে গোপালগঞ্জের সদর উপজেলার মধুপুর গ্রামের মধুপুর প্রকল্প এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ভেঙে পড়া একটি ঘরের মালিক মো. ইব্রাহীম জানান, পেশাগত কাজে বাইরে থাকায় ঘটনার সময় তার স্ত্রী-সন্তানরা ঘরে ছিল না। কাজ থেকে ফিরে এসে দেখেন বারান্দাসহ ঘরের অনেকটা অংশ ভেঙে পড়েছে। ভুক্তভোগী আরেক বাসিন্দা মাহফুজা বলেন, ওইদিন বিকালের বৃষ্টিতে বালু সরে গিয়ে আমার ঘরেরও অনেকটা অংশ ভেঙে পড়েছে।

প্রকল্পের অনেক বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেছেন, অন্য ঘরগুলোও নানা ঝুঁকিতে রয়েছে। ৫ মাস আগে তারা ঘরগুলো পেয়েছেন।

এরইমধ্যে অনেক ঘরেরই দেয়াল ও মেঝে থেকে পলেস্তারা খসে পড়ছে। সামান্য বৃষ্টিতেই টিনের চালার বিভিন্ন স্থান দিয়ে পানি পড়ে বিছানাপত্র সব ভিজে যাচ্ছে। ঘরের ভেতরে পানি জমে, জানালা-দরজাও নড়বড়ে। তাই ঝড়-বাদলের এমন দিনে নানা শঙ্কা নিয়ে তারা সেখানে বসবাস করছেন।

সরকারের বরাদ্দকৃত ঘর ভাঙার খবর পেয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

আড়াই ঘণ্টার বৃষ্টিতে ভেঙে পড়ল প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর

আপডেট সময় ০৪:৪৬:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জুলাই ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আড়াই ঘণ্টার বৃষ্টিতে ভেঙে পড়েছে মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের দু’টি ঘর। মঙ্গলবার বিকালে গোপালগঞ্জের সদর উপজেলার মধুপুর গ্রামের মধুপুর প্রকল্প এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ভেঙে পড়া একটি ঘরের মালিক মো. ইব্রাহীম জানান, পেশাগত কাজে বাইরে থাকায় ঘটনার সময় তার স্ত্রী-সন্তানরা ঘরে ছিল না। কাজ থেকে ফিরে এসে দেখেন বারান্দাসহ ঘরের অনেকটা অংশ ভেঙে পড়েছে। ভুক্তভোগী আরেক বাসিন্দা মাহফুজা বলেন, ওইদিন বিকালের বৃষ্টিতে বালু সরে গিয়ে আমার ঘরেরও অনেকটা অংশ ভেঙে পড়েছে।

প্রকল্পের অনেক বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেছেন, অন্য ঘরগুলোও নানা ঝুঁকিতে রয়েছে। ৫ মাস আগে তারা ঘরগুলো পেয়েছেন।

এরইমধ্যে অনেক ঘরেরই দেয়াল ও মেঝে থেকে পলেস্তারা খসে পড়ছে। সামান্য বৃষ্টিতেই টিনের চালার বিভিন্ন স্থান দিয়ে পানি পড়ে বিছানাপত্র সব ভিজে যাচ্ছে। ঘরের ভেতরে পানি জমে, জানালা-দরজাও নড়বড়ে। তাই ঝড়-বাদলের এমন দিনে নানা শঙ্কা নিয়ে তারা সেখানে বসবাস করছেন।

সরকারের বরাদ্দকৃত ঘর ভাঙার খবর পেয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।