ঢাকা ০২:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পে স্কেল বাস্তবায়ন পে কমিশনের প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করছে :অর্থ উপদেষ্টা প্লট দুর্নীতি মামলায় শেখ হাসিনা টিউলিপসহ ১৮ জনের মামলার রায় ২ ফেব্রুয়ারি চুয়াডাঙ্গায় সেনাবাহিনীর হাতে আটকের পর বিএনপি নেতার মৃত্যু ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ও গণভোটই নির্ধারণ করবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ: ড. মুহাম্মদ ইউনূস ব্যক্তির স্বৈরাচার হওয়া রোধেই আইনসভার উচ্চকক্ষ : আলী রীয়াজ ইরানে বিক্ষোভকারীদের ওপর সরকারের দমন-পীড়ন, কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ইরানি জনগণই স্বৈরশাসকদের ক্ষমতাচ্যুত করবে: অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক

ধর্মান্তরিত হয়ে ছাত্রীকে বিয়ে করে আত্মগোপনে গৃহশিক্ষক

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাজীপুরের শ্রীপুরে প্রাইভেট পড়ানোর ফাঁকে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ধর্মান্তরিত হয়ে এক মুসলিম কলেজছাত্রীকে বিয়ে করার মাধ্যমে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে এক গৃহশিক্ষক ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই ছাত্রী বাদী হয়ে গৃহশিক্ষকসহ পরিবারের তিনজনকে অভিযুক্ত করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযুক্তরা হলো- উপজেলার গাড়ারণ গ্রামের দিলীপ কুমার শর্মার ছেলে মো. মিঠুন (৩০), তার বাবা দিলীপ কুমার শর্মা (৫৫) ও বড় ভাই কংকট শর্মা (৩২)।

স্কুলছাত্রী জানিয়েছেন, মিঠুন কুমার শর্মা ওরফে মো. মিঠুন দীর্ঘদিন যাবৎ গৃহশিক্ষক হিসেবে তাকে পড়াতেন। এ সুবাদে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। সম্প্রতি মেয়ের পরিবার অন্যত্র বিয়ে ঠিক করলে মিঠুন ধর্মান্তরিত হয়ে তাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয়। পরে দুজনের পরামর্শে তারা বাড়ি ছেড়ে মাওনা চৌরাস্তা এলাকার মিঠুনের বন্ধুর বোনের বাড়িতে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বাসা ভাড়া নেয়।

পরে মিঠুন ১ জুন নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে হিন্দু ধর্ম থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন এবং ওইদিনই তাকে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে বিয়ে করেন। এ সময় তারা ছাত্রীর মামা কামরুজ্জামানের সহযোগিতা নেয়। পরে মিঠুন গত ৫ জুন গাজীপুর সদর উপজেলার মনিপুর পপুলার হাসপাতালে সুন্নতে খাতনার কাজও সম্পন্ন করেন।

ভিকটিম আরও জানান, সম্পূর্ণ কাজ করার পর গত বৃহস্পতিবার বিয়ের কাবিন সম্পন্ন করার জন্য তাকে ভাড়া বাড়িতে রেখে কাজি অফিসে যায় মিঠুন। সেখান থেকে বড় ভাই কংকট শর্মা বাবা-মা অসুস্থ থাকার কথা জানিয়ে মিঠুনকে ফুসলিয়ে বাড়ি নিয়ে আটকে রাখে। একবার ফোনে জানিয়েছে তাকে তার পরিবার আটকে রেখেছে। পরে সে মিঠুনের সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ করতে পারেনি।

এদিকে গত সোমবার ভাড়া বাড়ির মালিক তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। এখন মিঠুনের পরিবার তাকে আটকে রেখে আমাদের আলাদা করতে চাইছে বলে অভিযোগ করেছে ওই ছাত্রী।

ছাত্রীর চাচা জুয়েল জানান, থানায় অভিযোগ দায়েরের পর থেকেই মিঠুনের ভাই কংকট শর্মা তার পরিবারকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিচ্ছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত কংকট শর্মা জানান, তারা মিঠুনকে লুকিয়ে রেখে আমাদের ওপর দোষ চাপিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। আমাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা।

এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার এসআই মো. জিন্নাহ জানান, বিষয়টি প্রেমঘটিত। উভয়পক্ষ জানিয়েছেন মিঠুন ধর্মান্তরিত হয়ে বিয়ে করেছেন। তাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রিয়ালের নতুন কোচ আরবেলোয়া

ধর্মান্তরিত হয়ে ছাত্রীকে বিয়ে করে আত্মগোপনে গৃহশিক্ষক

আপডেট সময় ১০:২৬:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুন ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাজীপুরের শ্রীপুরে প্রাইভেট পড়ানোর ফাঁকে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ধর্মান্তরিত হয়ে এক মুসলিম কলেজছাত্রীকে বিয়ে করার মাধ্যমে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে এক গৃহশিক্ষক ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই ছাত্রী বাদী হয়ে গৃহশিক্ষকসহ পরিবারের তিনজনকে অভিযুক্ত করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযুক্তরা হলো- উপজেলার গাড়ারণ গ্রামের দিলীপ কুমার শর্মার ছেলে মো. মিঠুন (৩০), তার বাবা দিলীপ কুমার শর্মা (৫৫) ও বড় ভাই কংকট শর্মা (৩২)।

স্কুলছাত্রী জানিয়েছেন, মিঠুন কুমার শর্মা ওরফে মো. মিঠুন দীর্ঘদিন যাবৎ গৃহশিক্ষক হিসেবে তাকে পড়াতেন। এ সুবাদে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। সম্প্রতি মেয়ের পরিবার অন্যত্র বিয়ে ঠিক করলে মিঠুন ধর্মান্তরিত হয়ে তাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয়। পরে দুজনের পরামর্শে তারা বাড়ি ছেড়ে মাওনা চৌরাস্তা এলাকার মিঠুনের বন্ধুর বোনের বাড়িতে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বাসা ভাড়া নেয়।

পরে মিঠুন ১ জুন নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে হিন্দু ধর্ম থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন এবং ওইদিনই তাকে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে বিয়ে করেন। এ সময় তারা ছাত্রীর মামা কামরুজ্জামানের সহযোগিতা নেয়। পরে মিঠুন গত ৫ জুন গাজীপুর সদর উপজেলার মনিপুর পপুলার হাসপাতালে সুন্নতে খাতনার কাজও সম্পন্ন করেন।

ভিকটিম আরও জানান, সম্পূর্ণ কাজ করার পর গত বৃহস্পতিবার বিয়ের কাবিন সম্পন্ন করার জন্য তাকে ভাড়া বাড়িতে রেখে কাজি অফিসে যায় মিঠুন। সেখান থেকে বড় ভাই কংকট শর্মা বাবা-মা অসুস্থ থাকার কথা জানিয়ে মিঠুনকে ফুসলিয়ে বাড়ি নিয়ে আটকে রাখে। একবার ফোনে জানিয়েছে তাকে তার পরিবার আটকে রেখেছে। পরে সে মিঠুনের সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ করতে পারেনি।

এদিকে গত সোমবার ভাড়া বাড়ির মালিক তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। এখন মিঠুনের পরিবার তাকে আটকে রেখে আমাদের আলাদা করতে চাইছে বলে অভিযোগ করেছে ওই ছাত্রী।

ছাত্রীর চাচা জুয়েল জানান, থানায় অভিযোগ দায়েরের পর থেকেই মিঠুনের ভাই কংকট শর্মা তার পরিবারকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিচ্ছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত কংকট শর্মা জানান, তারা মিঠুনকে লুকিয়ে রেখে আমাদের ওপর দোষ চাপিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। আমাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা।

এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার এসআই মো. জিন্নাহ জানান, বিষয়টি প্রেমঘটিত। উভয়পক্ষ জানিয়েছেন মিঠুন ধর্মান্তরিত হয়ে বিয়ে করেছেন। তাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।