ঢাকা ০৯:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জামায়াতকে ডেপুটি স্পিকার পদ নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্বকাপে ব্যর্থতা : পাকিস্তান দলের প্রত্যেককে ৫০ লাখ রুপি জরিমানা চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’, হটলাইন চালু করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশি অভিবাসীদের ভিসা দেওয়া স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র কারচুপির অভিযোগ,ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে বিএনপির আরও ৪ প্রার্থী বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীদের দায়িত্ব নিল আমিরাত মিসাইলের আঘাতে বিধ্বস্ত মার্কিন এফ-১৫ ফাইটার জেট, দাবি ইরানের

ধর্মান্তরিত হয়ে ছাত্রীকে বিয়ে করে আত্মগোপনে গৃহশিক্ষক

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাজীপুরের শ্রীপুরে প্রাইভেট পড়ানোর ফাঁকে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ধর্মান্তরিত হয়ে এক মুসলিম কলেজছাত্রীকে বিয়ে করার মাধ্যমে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে এক গৃহশিক্ষক ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই ছাত্রী বাদী হয়ে গৃহশিক্ষকসহ পরিবারের তিনজনকে অভিযুক্ত করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযুক্তরা হলো- উপজেলার গাড়ারণ গ্রামের দিলীপ কুমার শর্মার ছেলে মো. মিঠুন (৩০), তার বাবা দিলীপ কুমার শর্মা (৫৫) ও বড় ভাই কংকট শর্মা (৩২)।

স্কুলছাত্রী জানিয়েছেন, মিঠুন কুমার শর্মা ওরফে মো. মিঠুন দীর্ঘদিন যাবৎ গৃহশিক্ষক হিসেবে তাকে পড়াতেন। এ সুবাদে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। সম্প্রতি মেয়ের পরিবার অন্যত্র বিয়ে ঠিক করলে মিঠুন ধর্মান্তরিত হয়ে তাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয়। পরে দুজনের পরামর্শে তারা বাড়ি ছেড়ে মাওনা চৌরাস্তা এলাকার মিঠুনের বন্ধুর বোনের বাড়িতে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বাসা ভাড়া নেয়।

পরে মিঠুন ১ জুন নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে হিন্দু ধর্ম থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন এবং ওইদিনই তাকে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে বিয়ে করেন। এ সময় তারা ছাত্রীর মামা কামরুজ্জামানের সহযোগিতা নেয়। পরে মিঠুন গত ৫ জুন গাজীপুর সদর উপজেলার মনিপুর পপুলার হাসপাতালে সুন্নতে খাতনার কাজও সম্পন্ন করেন।

ভিকটিম আরও জানান, সম্পূর্ণ কাজ করার পর গত বৃহস্পতিবার বিয়ের কাবিন সম্পন্ন করার জন্য তাকে ভাড়া বাড়িতে রেখে কাজি অফিসে যায় মিঠুন। সেখান থেকে বড় ভাই কংকট শর্মা বাবা-মা অসুস্থ থাকার কথা জানিয়ে মিঠুনকে ফুসলিয়ে বাড়ি নিয়ে আটকে রাখে। একবার ফোনে জানিয়েছে তাকে তার পরিবার আটকে রেখেছে। পরে সে মিঠুনের সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ করতে পারেনি।

এদিকে গত সোমবার ভাড়া বাড়ির মালিক তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। এখন মিঠুনের পরিবার তাকে আটকে রেখে আমাদের আলাদা করতে চাইছে বলে অভিযোগ করেছে ওই ছাত্রী।

ছাত্রীর চাচা জুয়েল জানান, থানায় অভিযোগ দায়েরের পর থেকেই মিঠুনের ভাই কংকট শর্মা তার পরিবারকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিচ্ছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত কংকট শর্মা জানান, তারা মিঠুনকে লুকিয়ে রেখে আমাদের ওপর দোষ চাপিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। আমাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা।

এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার এসআই মো. জিন্নাহ জানান, বিষয়টি প্রেমঘটিত। উভয়পক্ষ জানিয়েছেন মিঠুন ধর্মান্তরিত হয়ে বিয়ে করেছেন। তাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের

ধর্মান্তরিত হয়ে ছাত্রীকে বিয়ে করে আত্মগোপনে গৃহশিক্ষক

আপডেট সময় ১০:২৬:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুন ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাজীপুরের শ্রীপুরে প্রাইভেট পড়ানোর ফাঁকে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ধর্মান্তরিত হয়ে এক মুসলিম কলেজছাত্রীকে বিয়ে করার মাধ্যমে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে এক গৃহশিক্ষক ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই ছাত্রী বাদী হয়ে গৃহশিক্ষকসহ পরিবারের তিনজনকে অভিযুক্ত করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযুক্তরা হলো- উপজেলার গাড়ারণ গ্রামের দিলীপ কুমার শর্মার ছেলে মো. মিঠুন (৩০), তার বাবা দিলীপ কুমার শর্মা (৫৫) ও বড় ভাই কংকট শর্মা (৩২)।

স্কুলছাত্রী জানিয়েছেন, মিঠুন কুমার শর্মা ওরফে মো. মিঠুন দীর্ঘদিন যাবৎ গৃহশিক্ষক হিসেবে তাকে পড়াতেন। এ সুবাদে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। সম্প্রতি মেয়ের পরিবার অন্যত্র বিয়ে ঠিক করলে মিঠুন ধর্মান্তরিত হয়ে তাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয়। পরে দুজনের পরামর্শে তারা বাড়ি ছেড়ে মাওনা চৌরাস্তা এলাকার মিঠুনের বন্ধুর বোনের বাড়িতে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বাসা ভাড়া নেয়।

পরে মিঠুন ১ জুন নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে হিন্দু ধর্ম থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন এবং ওইদিনই তাকে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে বিয়ে করেন। এ সময় তারা ছাত্রীর মামা কামরুজ্জামানের সহযোগিতা নেয়। পরে মিঠুন গত ৫ জুন গাজীপুর সদর উপজেলার মনিপুর পপুলার হাসপাতালে সুন্নতে খাতনার কাজও সম্পন্ন করেন।

ভিকটিম আরও জানান, সম্পূর্ণ কাজ করার পর গত বৃহস্পতিবার বিয়ের কাবিন সম্পন্ন করার জন্য তাকে ভাড়া বাড়িতে রেখে কাজি অফিসে যায় মিঠুন। সেখান থেকে বড় ভাই কংকট শর্মা বাবা-মা অসুস্থ থাকার কথা জানিয়ে মিঠুনকে ফুসলিয়ে বাড়ি নিয়ে আটকে রাখে। একবার ফোনে জানিয়েছে তাকে তার পরিবার আটকে রেখেছে। পরে সে মিঠুনের সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ করতে পারেনি।

এদিকে গত সোমবার ভাড়া বাড়ির মালিক তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। এখন মিঠুনের পরিবার তাকে আটকে রেখে আমাদের আলাদা করতে চাইছে বলে অভিযোগ করেছে ওই ছাত্রী।

ছাত্রীর চাচা জুয়েল জানান, থানায় অভিযোগ দায়েরের পর থেকেই মিঠুনের ভাই কংকট শর্মা তার পরিবারকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিচ্ছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত কংকট শর্মা জানান, তারা মিঠুনকে লুকিয়ে রেখে আমাদের ওপর দোষ চাপিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। আমাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা।

এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার এসআই মো. জিন্নাহ জানান, বিষয়টি প্রেমঘটিত। উভয়পক্ষ জানিয়েছেন মিঠুন ধর্মান্তরিত হয়ে বিয়ে করেছেন। তাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।