ঢাকা ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সীমান্ত হত্যাকে বৈধতা দিয়েছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির বর্ষপূতি: শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগোতে হবে: ডা. জুবাইদা লুটপাটের জন্য ছাত্রজনতা রক্ত দেয়নি: হাসনাত আবদুল্লাহ যুক্তরাষ্ট্র ইরানে আঘাত না হানলে আজ ইসরাইলের অস্তিত্ব থাকত না: ডোনাল্ড ট্রাম্প রাজধানীতে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা গণতন্ত্র না থাকায় অনেক এলাকার সমস্যা গুরুত্ব পায়নি: ডেপুটি স্পিকার ছাত্র-জনতার অধিকার রক্ষায় দলীয় প্রভাবমুক্ত রাষ্ট্রকাঠামো গড়ার বিকল্প নেই:নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী স্কুলমুখী করতে সাড়ে তিন লাখ শিশুকে স্কুল ড্রেস দেবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

আট হাজারের বেশি শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ১০৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন আট হাজার ৩৬৪ জন। দেশে করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর আজই প্রথম আট হাজারের ঘর অতিক্রম করল শনাক্তের সংখ্যা। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মারা গেছেন আরও ১০৪ জন।

এ নিয়ে দেশে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ২৭৬ জনে। আর মোট শনাক্তের সংখ্যা আট লাখ ৯৬ হাজার ৭৭০ জন।

সোমবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৩৫ হাজার ৫৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ২৩ দশমিক ৮৬ শতাংশ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন তিন হাজার ৫৭০ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন আট লাখ সাত হাজার ৬৭৩ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃতদের মধ্যে খুলনায় সবচেয়ে বেশি ৩৫ জন মারা গেছেন। এছাড়া ঢাকায় ২৭ জন, চট্টগ্রামে ১৯, রাজশাহীতে ৭, বরিশালে ২, রংপুরে ৯ এবং ময়মনসিংহে পাঁচজন মারা গেছেন।

মারা যাওয়া ১০৪ জনের মধ্যে পুরুষ ৬৮ জন ও নারী ৩৬ জন। দেশে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে পুরুষ মারা গেছেন ১০ হাজার ১৮৬ জন, আর নারী মারা গেছেন চার হাজার ৯০ জন।

২৪ ঘণ্টায় মৃত ১০৪ জনের মধ্যে বয়স বিবেচনায় ষাটোর্ধ্ব রয়েছেন ৫৮ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে আছেন ২৩ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে আছেন ১৪ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে চার জন, আর ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে আছেন পাঁচজন।

মারা যাওয়া ১০৪ জনের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ৮২ জন, বেসরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ১৫ জন এবং বাড়িতে মারা গেছেন সাতজন।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর খবর আসে। কয়েক মাস সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার ঊর্ধ্বগতিতে থাকার পর অনেকটা নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। চলতি বছরের শুরুতে করোনাভাইরাসের প্রকোপ অনেকটা নিয়ন্ত্রণে ছিল। তখন শনাক্তের হারও ৫ শতাংশের নিচে নেমেছিল। তবে গত মার্চ মাস থেকে মৃত্যু ও শনাক্ত আবার বাড়তে থাকে।

বিশেষজ্ঞরা এটাকে বাংলাদেশে করোনার ‘দ্বিতীয় ঢেউ’ বলছেন। করোনা সংক্রমণ মারাত্মক আকার ধারণ করায় প্রথমে ২১ এপ্রিল ও পরে তা বাড়িয়ে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বিধিনিষেধ জারি করে সরকার। এরপর সেটি ধাপে ধাপে বাড়িয়ে ১৬ জুলাই পর্যন্ত করা হয়েছে। ইতিমধ্যে আজ সোমবার থেকে দেশে সীমিত পরিসরে লকডাউন শুরু হয়েছে। ১ জুলাই বৃহস্পতিবার থেকে এক সপ্তাহের জন্য সর্বাত্মক লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছে সরকার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী

আট হাজারের বেশি শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ১০৪

আপডেট সময় ০৮:০৩:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুন ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন আট হাজার ৩৬৪ জন। দেশে করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর আজই প্রথম আট হাজারের ঘর অতিক্রম করল শনাক্তের সংখ্যা। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মারা গেছেন আরও ১০৪ জন।

এ নিয়ে দেশে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ২৭৬ জনে। আর মোট শনাক্তের সংখ্যা আট লাখ ৯৬ হাজার ৭৭০ জন।

সোমবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৩৫ হাজার ৫৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ২৩ দশমিক ৮৬ শতাংশ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন তিন হাজার ৫৭০ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন আট লাখ সাত হাজার ৬৭৩ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃতদের মধ্যে খুলনায় সবচেয়ে বেশি ৩৫ জন মারা গেছেন। এছাড়া ঢাকায় ২৭ জন, চট্টগ্রামে ১৯, রাজশাহীতে ৭, বরিশালে ২, রংপুরে ৯ এবং ময়মনসিংহে পাঁচজন মারা গেছেন।

মারা যাওয়া ১০৪ জনের মধ্যে পুরুষ ৬৮ জন ও নারী ৩৬ জন। দেশে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে পুরুষ মারা গেছেন ১০ হাজার ১৮৬ জন, আর নারী মারা গেছেন চার হাজার ৯০ জন।

২৪ ঘণ্টায় মৃত ১০৪ জনের মধ্যে বয়স বিবেচনায় ষাটোর্ধ্ব রয়েছেন ৫৮ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে আছেন ২৩ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে আছেন ১৪ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে চার জন, আর ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে আছেন পাঁচজন।

মারা যাওয়া ১০৪ জনের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ৮২ জন, বেসরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ১৫ জন এবং বাড়িতে মারা গেছেন সাতজন।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর খবর আসে। কয়েক মাস সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার ঊর্ধ্বগতিতে থাকার পর অনেকটা নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। চলতি বছরের শুরুতে করোনাভাইরাসের প্রকোপ অনেকটা নিয়ন্ত্রণে ছিল। তখন শনাক্তের হারও ৫ শতাংশের নিচে নেমেছিল। তবে গত মার্চ মাস থেকে মৃত্যু ও শনাক্ত আবার বাড়তে থাকে।

বিশেষজ্ঞরা এটাকে বাংলাদেশে করোনার ‘দ্বিতীয় ঢেউ’ বলছেন। করোনা সংক্রমণ মারাত্মক আকার ধারণ করায় প্রথমে ২১ এপ্রিল ও পরে তা বাড়িয়ে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বিধিনিষেধ জারি করে সরকার। এরপর সেটি ধাপে ধাপে বাড়িয়ে ১৬ জুলাই পর্যন্ত করা হয়েছে। ইতিমধ্যে আজ সোমবার থেকে দেশে সীমিত পরিসরে লকডাউন শুরু হয়েছে। ১ জুলাই বৃহস্পতিবার থেকে এক সপ্তাহের জন্য সর্বাত্মক লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছে সরকার।