ঢাকা ০৩:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

হাসিনা-আব্বাস আলোচনায় রোহিঙ্গা ইস্যু

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

নিউইয়র্কে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস মিয়ানমার সঙ্কট এবং হাজার হাজার রোহিঙ্গা মুসলমানের দুর্দশা নিয়ে আলোচনা করেছেন। স্থানীয় সময় সোমবার রাতে নিউইয়র্কের গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলে এক বৈঠককালে দুই নেতার মধ্যে এ বিষয়ে আলাপ হয়।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সেক্রেটারি ইহসানুল করিম জানিয়েছেন, বৈঠককালে মাহমুদ আব্বাস ফিলিস্তিনের বর্তমান অবস্থা প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। এ সময় শেখ হাসিনা ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। প্রেস সেক্রেটারি বলেন, ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতিতে ‘দুর্যোগ’ আখ্যা দিয়ে তাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহমর্মিতার বেশ প্রশংসা করেন।

আব্বাস বলেন, সব জায়গার সব মানুষই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মানবিক আচরণের প্রশংসা করছে। এ সময় শেখ হাসিনা বলেন, মানুষ হিসেবে সবার মধ্যেই মানবিক গুণাবলি থাকতে হবে। তিনি জানান, বাংলাদেশে বর্তমানে অস্থায়ী আয়োজনের মধ্যেই সাত লাখ শরণার্থী বসবাস করে আসছে।

কিন্তু মিয়ানমারকে অবশ্যই তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে হবে বলে জোর দিয়ে বলেন প্রধানমন্ত্রী। এর জন্য মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ প্রয়োগ করতে বাংলাদেশে আহ্বান জানিয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ সময় রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশে সরকার যেসব ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে তা ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্টের কাছে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, শরণার্থীদের যন্ত্রণার কথা তিনি জানেন। কারণ ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর তিনি ও তার বোন শেখ রেহানাকে ছয় বছর শরণার্থীর জীবন কাটাতে হয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, রোহিঙ্গাদের পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য সরকার তাদের নিবন্ধন করছে।

দুই নেতার বৈঠককালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী এবং পররাষ্ট্র সচিব এম শহিদুল হক উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার থেকে অনুষ্ঠিত হতে চলা জাতিসংঘের ৭২তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস নিউইয়র্ক সফর করছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

হাসিনা-আব্বাস আলোচনায় রোহিঙ্গা ইস্যু

আপডেট সময় ০২:২২:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

নিউইয়র্কে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস মিয়ানমার সঙ্কট এবং হাজার হাজার রোহিঙ্গা মুসলমানের দুর্দশা নিয়ে আলোচনা করেছেন। স্থানীয় সময় সোমবার রাতে নিউইয়র্কের গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলে এক বৈঠককালে দুই নেতার মধ্যে এ বিষয়ে আলাপ হয়।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সেক্রেটারি ইহসানুল করিম জানিয়েছেন, বৈঠককালে মাহমুদ আব্বাস ফিলিস্তিনের বর্তমান অবস্থা প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। এ সময় শেখ হাসিনা ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। প্রেস সেক্রেটারি বলেন, ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতিতে ‘দুর্যোগ’ আখ্যা দিয়ে তাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহমর্মিতার বেশ প্রশংসা করেন।

আব্বাস বলেন, সব জায়গার সব মানুষই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মানবিক আচরণের প্রশংসা করছে। এ সময় শেখ হাসিনা বলেন, মানুষ হিসেবে সবার মধ্যেই মানবিক গুণাবলি থাকতে হবে। তিনি জানান, বাংলাদেশে বর্তমানে অস্থায়ী আয়োজনের মধ্যেই সাত লাখ শরণার্থী বসবাস করে আসছে।

কিন্তু মিয়ানমারকে অবশ্যই তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে হবে বলে জোর দিয়ে বলেন প্রধানমন্ত্রী। এর জন্য মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ প্রয়োগ করতে বাংলাদেশে আহ্বান জানিয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ সময় রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশে সরকার যেসব ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে তা ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্টের কাছে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, শরণার্থীদের যন্ত্রণার কথা তিনি জানেন। কারণ ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর তিনি ও তার বোন শেখ রেহানাকে ছয় বছর শরণার্থীর জীবন কাটাতে হয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, রোহিঙ্গাদের পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য সরকার তাদের নিবন্ধন করছে।

দুই নেতার বৈঠককালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী এবং পররাষ্ট্র সচিব এম শহিদুল হক উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার থেকে অনুষ্ঠিত হতে চলা জাতিসংঘের ৭২তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস নিউইয়র্ক সফর করছেন।