ঢাকা ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রুমায় দুর্গম পাড়ায় হামের উপসর্গে ১৫ দিনে ৮ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪১ মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী সারের ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা: কৃষিমন্ত্রী ছাত্রলীগের প্রতি মায়াকান্না দেখানো সাংবাদিকদের জড়ো করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ পক্ষপাতদুষ্ট নিয়োগ অবিলম্বে বাতিল করতে হবে: গোলাম পরওয়ার বাংলাদেশকে ‘কম দামে’ ইউরিয়া সার দিতে চায় রাশিয়া প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে : ডিএনসিসি প্রশাসক নতুন আরেকটি সিটি করপোরেশন হচ্ছে ধর্ষকদের রক্ষাকারীকে শিক্ষামন্ত্রী বানিয়েছে মোদি সরকার: রাহুল গান্ধী

হাসিনা-আব্বাস আলোচনায় রোহিঙ্গা ইস্যু

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

নিউইয়র্কে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস মিয়ানমার সঙ্কট এবং হাজার হাজার রোহিঙ্গা মুসলমানের দুর্দশা নিয়ে আলোচনা করেছেন। স্থানীয় সময় সোমবার রাতে নিউইয়র্কের গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলে এক বৈঠককালে দুই নেতার মধ্যে এ বিষয়ে আলাপ হয়।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সেক্রেটারি ইহসানুল করিম জানিয়েছেন, বৈঠককালে মাহমুদ আব্বাস ফিলিস্তিনের বর্তমান অবস্থা প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। এ সময় শেখ হাসিনা ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। প্রেস সেক্রেটারি বলেন, ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতিতে ‘দুর্যোগ’ আখ্যা দিয়ে তাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহমর্মিতার বেশ প্রশংসা করেন।

আব্বাস বলেন, সব জায়গার সব মানুষই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মানবিক আচরণের প্রশংসা করছে। এ সময় শেখ হাসিনা বলেন, মানুষ হিসেবে সবার মধ্যেই মানবিক গুণাবলি থাকতে হবে। তিনি জানান, বাংলাদেশে বর্তমানে অস্থায়ী আয়োজনের মধ্যেই সাত লাখ শরণার্থী বসবাস করে আসছে।

কিন্তু মিয়ানমারকে অবশ্যই তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে হবে বলে জোর দিয়ে বলেন প্রধানমন্ত্রী। এর জন্য মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ প্রয়োগ করতে বাংলাদেশে আহ্বান জানিয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ সময় রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশে সরকার যেসব ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে তা ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্টের কাছে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, শরণার্থীদের যন্ত্রণার কথা তিনি জানেন। কারণ ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর তিনি ও তার বোন শেখ রেহানাকে ছয় বছর শরণার্থীর জীবন কাটাতে হয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, রোহিঙ্গাদের পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য সরকার তাদের নিবন্ধন করছে।

দুই নেতার বৈঠককালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী এবং পররাষ্ট্র সচিব এম শহিদুল হক উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার থেকে অনুষ্ঠিত হতে চলা জাতিসংঘের ৭২তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস নিউইয়র্ক সফর করছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রুমায় দুর্গম পাড়ায় হামের উপসর্গে ১৫ দিনে ৮ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪১

হাসিনা-আব্বাস আলোচনায় রোহিঙ্গা ইস্যু

আপডেট সময় ০২:২২:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

নিউইয়র্কে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস মিয়ানমার সঙ্কট এবং হাজার হাজার রোহিঙ্গা মুসলমানের দুর্দশা নিয়ে আলোচনা করেছেন। স্থানীয় সময় সোমবার রাতে নিউইয়র্কের গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলে এক বৈঠককালে দুই নেতার মধ্যে এ বিষয়ে আলাপ হয়।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সেক্রেটারি ইহসানুল করিম জানিয়েছেন, বৈঠককালে মাহমুদ আব্বাস ফিলিস্তিনের বর্তমান অবস্থা প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। এ সময় শেখ হাসিনা ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। প্রেস সেক্রেটারি বলেন, ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতিতে ‘দুর্যোগ’ আখ্যা দিয়ে তাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহমর্মিতার বেশ প্রশংসা করেন।

আব্বাস বলেন, সব জায়গার সব মানুষই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মানবিক আচরণের প্রশংসা করছে। এ সময় শেখ হাসিনা বলেন, মানুষ হিসেবে সবার মধ্যেই মানবিক গুণাবলি থাকতে হবে। তিনি জানান, বাংলাদেশে বর্তমানে অস্থায়ী আয়োজনের মধ্যেই সাত লাখ শরণার্থী বসবাস করে আসছে।

কিন্তু মিয়ানমারকে অবশ্যই তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে হবে বলে জোর দিয়ে বলেন প্রধানমন্ত্রী। এর জন্য মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ প্রয়োগ করতে বাংলাদেশে আহ্বান জানিয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ সময় রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশে সরকার যেসব ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে তা ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্টের কাছে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, শরণার্থীদের যন্ত্রণার কথা তিনি জানেন। কারণ ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর তিনি ও তার বোন শেখ রেহানাকে ছয় বছর শরণার্থীর জীবন কাটাতে হয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, রোহিঙ্গাদের পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য সরকার তাদের নিবন্ধন করছে।

দুই নেতার বৈঠককালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী এবং পররাষ্ট্র সচিব এম শহিদুল হক উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার থেকে অনুষ্ঠিত হতে চলা জাতিসংঘের ৭২তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস নিউইয়র্ক সফর করছেন।