ঢাকা ০৭:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২০০ কোটি ডলার ঋণ নাকি অনুদান, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বললেন ‘এখানে খোঁচাখুঁচির কিছু নাই’ হরমুজ প্রণালী ‘স্থায়ীভাবে’ খুলে দেওয়া হচ্ছে: ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ একটি ‘ভুল’: ব্রিটিশ চ্যান্সেলর নবীর অবমাননায় মৃত্যুদণ্ডের আইন দাবি এমপি হানজালার টিপাইমুখ বাঁধ আমাদের নিজেদের তৈরি দুর্যোগ: স্পিকার বাংলাদেশকে ২ কোটি ১৯ লাখ হাম-রুবেলার টিকা দেবে যুক্তরাষ্ট্র জ্বালানি চাহিদা মেটাতে উন্নয়ন অংশীদারদের কাছে ২শ’ কোটি ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে এলাকার সড়কের জন্য ‘ভিক্ষা’ চাইলেন হাসনাত আবদুল্লাহ আত্মীয়ের কুলখানি শেষে ফিরছিলেন বাড়ি, পথে কাভার্ড ভ্যান কেড়ে নিল মা-ছেলের প্রাণ বনানীতে বহুতল ভবনে আগুন

মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে সহিংসতা বন্ধ করতে হবে: জোলি

অাকাশ বিনোদন ডেস্ক:
মিয়ানমারে দেশটির সেনাবাহিনী হাতে নির্মম নির্যাতনের শিকার রোহিঙ্গা মুসলিমদের পাশে দাঁড়ালেন হলিউড অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। জানিয়েছেন মিয়ানমারের প্রতি তীব্র নিন্দা। সেই সাথে দেশটির নেত্রী অং সান সু চিকে নীরবতা ভেঙে সেখানকার সহিংসতা বন্ধের আহ্বান এই অভিনেত্রীর।
রবিবার এক সাক্ষাৎকারে জোলি বলেন, এটা একেবারেই পরিষ্কার যে সেনাবাহিনীকে সহিংসতা বন্ধ করতে হবে এবং শরণার্থীদের নিজ দেশে ফেরতের অনুমতি দিতে হবে। রোহিঙ্গাদের নাগরিক অধিকার দেয়া উচিত। আমরা সকলেই চাই যে, এই অবস্থায় অং সান সু চি মানবাধিকারের কণ্ঠস্বর হবেন।
উল্লেখ্য, জাতিসংঘের হিসেবে, রাখাইনের সাম্প্রতিক সহিংসতায় প্রায় ৪ লাখ ১০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। এরমধ্যে অং সান সু চি আবার বলেছেন, মিয়ানমারে নাকি কোন রোহিঙ্গা নিধনের ঘটনা ঘটেনি।
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে সহিংসতা বন্ধ করতে হবে: জোলি

আপডেট সময় ০২:৩০:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭
অাকাশ বিনোদন ডেস্ক:
মিয়ানমারে দেশটির সেনাবাহিনী হাতে নির্মম নির্যাতনের শিকার রোহিঙ্গা মুসলিমদের পাশে দাঁড়ালেন হলিউড অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। জানিয়েছেন মিয়ানমারের প্রতি তীব্র নিন্দা। সেই সাথে দেশটির নেত্রী অং সান সু চিকে নীরবতা ভেঙে সেখানকার সহিংসতা বন্ধের আহ্বান এই অভিনেত্রীর।
রবিবার এক সাক্ষাৎকারে জোলি বলেন, এটা একেবারেই পরিষ্কার যে সেনাবাহিনীকে সহিংসতা বন্ধ করতে হবে এবং শরণার্থীদের নিজ দেশে ফেরতের অনুমতি দিতে হবে। রোহিঙ্গাদের নাগরিক অধিকার দেয়া উচিত। আমরা সকলেই চাই যে, এই অবস্থায় অং সান সু চি মানবাধিকারের কণ্ঠস্বর হবেন।
উল্লেখ্য, জাতিসংঘের হিসেবে, রাখাইনের সাম্প্রতিক সহিংসতায় প্রায় ৪ লাখ ১০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। এরমধ্যে অং সান সু চি আবার বলেছেন, মিয়ানমারে নাকি কোন রোহিঙ্গা নিধনের ঘটনা ঘটেনি।