ঢাকা ১২:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ঢাকা থেকে কলকাতায় ট্রেনে যেতে লাগবে মাত্র সাড়ে ৩ ঘণ্টা!

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

তিন বছর পর ট্রেনে ঢাকা থেকে কলকাতা যেতে লাগবে মাত্র সাড়ে ৩ ঘণ্টা। পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর এমন সুযোগ মিলবে দুই প্রতিবেশী দেশের যাত্রীদের। এ নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে হিন্দুস্তান টাইমস।

খবরে বলা হয়, ঢাকা-কলতাতা যেই পথ অতিক্রম করতে এখন লাগে ১০ ঘণ্টা, তা অনায়াসে সাড়ে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টায় করা যাবে।

হিন্দুস্তান টাইমস তাদের প্রতিদেবনে উল্লেখ করা হয়, সড়ক পথে ঢাকা-কলকাতা যোগাযোগের জন্য একটা সময়ে সারাদিন লেগে যেত। দূরত্ব তো আছেই, সঙ্গে ছিল পদ্মা তীরে ফেরির জন্যে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা। তবে পদ্মা নদীর উপর তৈরি হয়ে যাচ্ছে সেতু। দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান ঘটিয়ে জুন মাসেই চালু হতে চলেছে এই সেতু। এদিতে রেল সেতু তৈরি হতে সময় লাগবে আরও প্রায় তিনবছর। আর সেই রেলসেতু তৈরি হয়ে গেলেই কমে যাবে কলকাতা থেকে ঢাকা যাওয়ার সময়। যেই পথ অতিক্রম করতে লাগত ১০ ঘণ্টা, তা অনায়াসে সাড়ে ৩, ৪ ঘণ্টায় পার করা যাবে।

বর্তমানে কলকাতা স্টেশন থেকে মৈত্রী এক্সপ্রেসে কলকাতা থেকে ঢাকা যাওয়া যায়। কলকাতা থেকে ঢাকা যেতে এই ট্রেনে প্রায় ১০ ঘণ্টা লাগে। বাংলাদেশের রেলমন্ত্রী মহম্মদ নূরুল ইসলাম সুজনের দাবি, ২০২৪ সালের মার্চে পদ্মা নদীর উপর রেলসেতু চালু হলেই কলকাতা থেকে ঢাকা বা ঢাকা থেকে কলকাতা যাতায়াত করতে সময় লাগবে মাত্র সাড়ে তিন ঘণ্টা।

হিন্দুস্তান টাইমস আরও জানায়, কলকাতা থেকে আগরতলা যেতে রেলে ৩০ ঘণ্টা লাগে। সেই সময়ও কমে আসতে পারে ৬ ঘণ্টায়। উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই কলকাতা থেকে আগরতলা বাস চলে ঢাকা হয়ে। পদ্মা সেতু নির্মাণ হলে রেল পরিষেবাও চালু করা হতে পারে এই রুটে।

বর্তমানে কলকাতা স্টেশন থেকে নদীয়া হয়ে গেদে হয়ে সীমান্ত স্টেশন দর্শনা পার করে বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে পৌঁছায় মৈত্রী এক্সপ্রেস। এই রুটে ৪০০ কিলোমিটার রেলপথ পাড়ি দিতে হয়। এর মধ্যে বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে ২৮০ কিলোমিটার ও ভারতের মধ্যে ১২৯ কিলোমিটার। তবে পদ্মা সেতু নির্মাণ কাজ শেষ হলে কলকাতা স্টেশন থেকে বনগাঁ জংশন হয়ে হরিদাসপুর সীমান্ত দিয়ে বেনাপোল হয়ে যশোর, নড়াইল, ফরিদপুরের ভাঙ্গা হয়ে ঢাকা পৌঁছতে পারবে ট্রেনটি। এই রুটে মাত্র ২৫১ কিলোমিটার রেলপথ যেতে হবে। এই পথে গেলে পশ্চিমবঙ্গে ২৫১ কিলোমিটার রেলপথ এবং বাংলাদেশে ১৭২ কিলোমিটার পথ পার করতে হবে। যা পার করতে মৈত্রী এক্সপ্রেসের গতিতে সাড়ে তিন ঘণ্টার বেশি লাগার কথা নয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

ঢাকা থেকে কলকাতায় ট্রেনে যেতে লাগবে মাত্র সাড়ে ৩ ঘণ্টা!

আপডেট সময় ০৫:৫৪:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুন ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

তিন বছর পর ট্রেনে ঢাকা থেকে কলকাতা যেতে লাগবে মাত্র সাড়ে ৩ ঘণ্টা। পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর এমন সুযোগ মিলবে দুই প্রতিবেশী দেশের যাত্রীদের। এ নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে হিন্দুস্তান টাইমস।

খবরে বলা হয়, ঢাকা-কলতাতা যেই পথ অতিক্রম করতে এখন লাগে ১০ ঘণ্টা, তা অনায়াসে সাড়ে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টায় করা যাবে।

হিন্দুস্তান টাইমস তাদের প্রতিদেবনে উল্লেখ করা হয়, সড়ক পথে ঢাকা-কলকাতা যোগাযোগের জন্য একটা সময়ে সারাদিন লেগে যেত। দূরত্ব তো আছেই, সঙ্গে ছিল পদ্মা তীরে ফেরির জন্যে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা। তবে পদ্মা নদীর উপর তৈরি হয়ে যাচ্ছে সেতু। দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান ঘটিয়ে জুন মাসেই চালু হতে চলেছে এই সেতু। এদিতে রেল সেতু তৈরি হতে সময় লাগবে আরও প্রায় তিনবছর। আর সেই রেলসেতু তৈরি হয়ে গেলেই কমে যাবে কলকাতা থেকে ঢাকা যাওয়ার সময়। যেই পথ অতিক্রম করতে লাগত ১০ ঘণ্টা, তা অনায়াসে সাড়ে ৩, ৪ ঘণ্টায় পার করা যাবে।

বর্তমানে কলকাতা স্টেশন থেকে মৈত্রী এক্সপ্রেসে কলকাতা থেকে ঢাকা যাওয়া যায়। কলকাতা থেকে ঢাকা যেতে এই ট্রেনে প্রায় ১০ ঘণ্টা লাগে। বাংলাদেশের রেলমন্ত্রী মহম্মদ নূরুল ইসলাম সুজনের দাবি, ২০২৪ সালের মার্চে পদ্মা নদীর উপর রেলসেতু চালু হলেই কলকাতা থেকে ঢাকা বা ঢাকা থেকে কলকাতা যাতায়াত করতে সময় লাগবে মাত্র সাড়ে তিন ঘণ্টা।

হিন্দুস্তান টাইমস আরও জানায়, কলকাতা থেকে আগরতলা যেতে রেলে ৩০ ঘণ্টা লাগে। সেই সময়ও কমে আসতে পারে ৬ ঘণ্টায়। উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই কলকাতা থেকে আগরতলা বাস চলে ঢাকা হয়ে। পদ্মা সেতু নির্মাণ হলে রেল পরিষেবাও চালু করা হতে পারে এই রুটে।

বর্তমানে কলকাতা স্টেশন থেকে নদীয়া হয়ে গেদে হয়ে সীমান্ত স্টেশন দর্শনা পার করে বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে পৌঁছায় মৈত্রী এক্সপ্রেস। এই রুটে ৪০০ কিলোমিটার রেলপথ পাড়ি দিতে হয়। এর মধ্যে বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে ২৮০ কিলোমিটার ও ভারতের মধ্যে ১২৯ কিলোমিটার। তবে পদ্মা সেতু নির্মাণ কাজ শেষ হলে কলকাতা স্টেশন থেকে বনগাঁ জংশন হয়ে হরিদাসপুর সীমান্ত দিয়ে বেনাপোল হয়ে যশোর, নড়াইল, ফরিদপুরের ভাঙ্গা হয়ে ঢাকা পৌঁছতে পারবে ট্রেনটি। এই রুটে মাত্র ২৫১ কিলোমিটার রেলপথ যেতে হবে। এই পথে গেলে পশ্চিমবঙ্গে ২৫১ কিলোমিটার রেলপথ এবং বাংলাদেশে ১৭২ কিলোমিটার পথ পার করতে হবে। যা পার করতে মৈত্রী এক্সপ্রেসের গতিতে সাড়ে তিন ঘণ্টার বেশি লাগার কথা নয়।