ঢাকা ০২:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

নাফ নদী থেকে শিশুসহ তিন রোহিঙ্গার মরদেহ উদ্ধার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার নাফনদী থেকে দুই শিশু ও এক নারী রোহিঙ্গার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (১২ জুন) দুপুরে উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের মৌলভীবাজার এলাকা সংলগ্ন নাফনদী থেকে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত তিনজন উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জানে আলমের স্ত্রী শমসিদা ও তার দুই সন্তান।

স্থানীয়রা জানায়, সকালে নাফনদীতে মরদেহ ভাসতে দেখে লোকজন পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান জানান, নিহত তিনজনই উখিয়ার বালুখালীর ১১ নম্বর রোহিঙ্গা শিবিরের বাসিন্দা। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, শুক্রবার (১১ জুন) দিনগত রাতে সপরিবারে নাফ নদী পার হয়ে মিয়ানমারে যাওয়ার চেষ্টা করছিল তারা। ধারণা করা হচ্ছে, পথিমধ্যে তাদের বহনকরা নৌকাটি ডুবে যায়।

তিনি জানান, দুই শিশুসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা গেলে জানে আলমের সন্ধান পাওয়া যায়নি।

তিন রোহিঙ্গা নারী ও শিশুর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ওসি হাফিজুর।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রশ্নফাঁস রোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে সরকার: মাহদী আমিন

নাফ নদী থেকে শিশুসহ তিন রোহিঙ্গার মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় ০৫:০২:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ জুন ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার নাফনদী থেকে দুই শিশু ও এক নারী রোহিঙ্গার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (১২ জুন) দুপুরে উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের মৌলভীবাজার এলাকা সংলগ্ন নাফনদী থেকে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত তিনজন উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জানে আলমের স্ত্রী শমসিদা ও তার দুই সন্তান।

স্থানীয়রা জানায়, সকালে নাফনদীতে মরদেহ ভাসতে দেখে লোকজন পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান জানান, নিহত তিনজনই উখিয়ার বালুখালীর ১১ নম্বর রোহিঙ্গা শিবিরের বাসিন্দা। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, শুক্রবার (১১ জুন) দিনগত রাতে সপরিবারে নাফ নদী পার হয়ে মিয়ানমারে যাওয়ার চেষ্টা করছিল তারা। ধারণা করা হচ্ছে, পথিমধ্যে তাদের বহনকরা নৌকাটি ডুবে যায়।

তিনি জানান, দুই শিশুসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা গেলে জানে আলমের সন্ধান পাওয়া যায়নি।

তিন রোহিঙ্গা নারী ও শিশুর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ওসি হাফিজুর।