ঢাকা ০৪:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ফিলিস্তিন জনগণকে হত্যায় যুক্তরাষ্ট্রও সমান অপরাধী: হামাস

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ফিলিস্তিনে ইসরাইলের আগ্রাসন ও গণহত্যা সমর্থন করে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন যে বক্তব্য দিয়েছেন, তার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস।

ব্লিঙ্কেন গত সোমবার এক বক্তব্যে ফিলিস্তিন জনগণের ওপর তেলআবিবের সাম্প্রতিক আগ্রাসনকে ‘আত্মরক্ষা’ বলে উল্লেখ করেন এবং ইহুদিবাদী ইসরাইলের প্রতি আমেরিকার পূর্ণ সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলে ঘোষণা করেন। খবর ফিলিস্তিন বার্তা সংস্থা শাহাবের।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা ইসরাইলের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সমরাস্ত্রের পাশাপাশি আয়রন ডোম প্রতিরক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী করে দেওয়ার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছি।

এর প্রতিক্রিয়ায় হামাস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আমরা কুদস দখলদার ইসরাইল সরকারের প্রতি আমেরিকার সামরিক সমর্থন এবং তেলআবিবের হাতে অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র তুলে দেওয়ার মার্কিন নীতির তীব্র নিন্দা জানাই। আমেরিকা এ সমর্থনের মাধ্যমে ফিলিস্তিনের নিরস্ত্র সাধারণ জনগণকে হত্যার অপরাধে সমান অংশীদারে পরিণত হয়েছে।

হামাসের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে— আমেরিকা যদি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্তরিক হয়, তবে তাকে স্বাধীনচেতা ফিলিস্তিন জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতি সম্মান জানাতে হবে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবে ফিলিস্তিন জনগণকে তাদের মাতৃভূমিতে ফিরে যাওয়ার যে অধিকার দেওয়া হয়েছে তা বাস্তবায়নে ওয়াশিংটনকে সহযোগিতা করতে হবে।

গত ১০ থেকে ২১ মে পর্যন্ত অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইহুদিবাদী ইসরাইলের পাশবিক হামলায় ৬৯ শিশু, ৩৯ নারী ও ১৭ বৃদ্ধসহ ২৭০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

মার্কিন সমর্থনে চালানো এ হামলায় আহত হন আরও ১৯১০ ফিলিস্তিনি নাগরিক। এই ১১ দিনে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ ইসরাইলি হামলার নিন্দা জানাতে ও হামলা বন্ধ করতে তিনবার বৈঠকে বসলেও আমেরিকার বিরোধিতার কারণে তেলআবিবের বিরুদ্ধে কোনো প্রস্তাব পাস করা সম্ভব হয়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

ফিলিস্তিন জনগণকে হত্যায় যুক্তরাষ্ট্রও সমান অপরাধী: হামাস

আপডেট সময় ০১:২৭:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জুন ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ফিলিস্তিনে ইসরাইলের আগ্রাসন ও গণহত্যা সমর্থন করে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন যে বক্তব্য দিয়েছেন, তার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস।

ব্লিঙ্কেন গত সোমবার এক বক্তব্যে ফিলিস্তিন জনগণের ওপর তেলআবিবের সাম্প্রতিক আগ্রাসনকে ‘আত্মরক্ষা’ বলে উল্লেখ করেন এবং ইহুদিবাদী ইসরাইলের প্রতি আমেরিকার পূর্ণ সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলে ঘোষণা করেন। খবর ফিলিস্তিন বার্তা সংস্থা শাহাবের।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা ইসরাইলের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সমরাস্ত্রের পাশাপাশি আয়রন ডোম প্রতিরক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী করে দেওয়ার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছি।

এর প্রতিক্রিয়ায় হামাস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আমরা কুদস দখলদার ইসরাইল সরকারের প্রতি আমেরিকার সামরিক সমর্থন এবং তেলআবিবের হাতে অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র তুলে দেওয়ার মার্কিন নীতির তীব্র নিন্দা জানাই। আমেরিকা এ সমর্থনের মাধ্যমে ফিলিস্তিনের নিরস্ত্র সাধারণ জনগণকে হত্যার অপরাধে সমান অংশীদারে পরিণত হয়েছে।

হামাসের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে— আমেরিকা যদি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্তরিক হয়, তবে তাকে স্বাধীনচেতা ফিলিস্তিন জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতি সম্মান জানাতে হবে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবে ফিলিস্তিন জনগণকে তাদের মাতৃভূমিতে ফিরে যাওয়ার যে অধিকার দেওয়া হয়েছে তা বাস্তবায়নে ওয়াশিংটনকে সহযোগিতা করতে হবে।

গত ১০ থেকে ২১ মে পর্যন্ত অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইহুদিবাদী ইসরাইলের পাশবিক হামলায় ৬৯ শিশু, ৩৯ নারী ও ১৭ বৃদ্ধসহ ২৭০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

মার্কিন সমর্থনে চালানো এ হামলায় আহত হন আরও ১৯১০ ফিলিস্তিনি নাগরিক। এই ১১ দিনে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ ইসরাইলি হামলার নিন্দা জানাতে ও হামলা বন্ধ করতে তিনবার বৈঠকে বসলেও আমেরিকার বিরোধিতার কারণে তেলআবিবের বিরুদ্ধে কোনো প্রস্তাব পাস করা সম্ভব হয়নি।