ঢাকা ০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে জ্বালানি সংকট নেই, অসাধু চক্র কৃত্রিম লাইনে বাজার অস্থির করছে:জ্বালানি মন্ত্রী কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ‘পেপ্যাল’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী আমরা ভালো হয়ে গেলে দেশও ভালো হয়ে যাবে: শফিকুর রহমান ২৫ এপ্রিল ঢাকায় সমাবেশের ডাক দিল জামায়াত হান্নান মাসউদ, আপনি সরকারি দলে যোগ দিয়েছেন নাকি: স্পিকার ক্যাম্পাসে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ চলতে দেওয়া হবে না: ছাত্রদল সম্পাদক নাছির ডিআইজিসহ ১৩ পুলিশ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে তনু হত্যা মামলা: ১০ বছর পর সাবেক সেনাসদস্য গ্রেফতার, ৩ দিনের রিমান্ডে কর জরিপের একটা বড় প্রজেক্ট নিতে চাই: এনবিআর চেয়ারম্যান গণমাধ্যম ও রাজনীতিতে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি নিশ্চিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

চিকিৎসার অভাবে ভুগছেন ৩ পুলিশ অফিসারের মা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ছেলেরা পুলিশ অফিসার, এর পরও উন্নত চিকিৎসার অভাবে ভুগছেন বরিশালের বাবুগঞ্জের মোছা. মনোয়ারা বেগম (৭০)। এর আগে খাবারের জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন তিনি। কিন্তু এখন তাও পারছেন না। কারণ বয়সের ভারে স্বাভাবিক অবস্থায় হাঁটতে পারছেন না। জানা গেছে, এই হতভাগ্য বৃদ্ধার ৫ ছেলের মধ্যে তিনজন পুলিশে চাকরি করেন। তার একমাত্র মেয়ে সেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। কিন্তু কেউ তার খোঁজ-খবর রাখছেন তারা।

জানা গেছে, বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামের আয়ুব আলীর সঙ্গে বিয়ে হয় মনোয়ারা বেগমের। অভাব-অনটনের সংসার হলেও ৬ সন্তান নিয়ে সুখেই দিন কাটছিল তাদের। কিন্তু ২০০৪ সালের ১ অক্টোবর আয়ুব আলী মারা গেলে মনোয়ারার জীবনে অন্ধকার নেমে আসে। এর পরও তিনি ৬ সন্তানকে সাধ্যমতো শিক্ষিত করেছেন।

এ ব্যাপারে মনোয়ারার এক ছেলে ইজিবাইক চালক গিয়াস উদ্দিন বলেন, আমি সামান্য আয়ের মানুষ। কোনোরকমে বেঁচে আছি। তারপরও আমার সাধ্যমতো মাকে চিকিৎসা দেবার চেষ্টা করছি। কিন্তু মায়ের দরকার ভালো মানের চিকিৎসা। আমার তিন ভাই পুলিশ অফিসার। তারা তাদের স্ত্রী-সন্তান নিয়ে অন্যত্র থাকেন। কিন্তু মায়ের কোনো খোঁজ-খবর রাখেন না।

তবে বড় ছেলে পুলিশের এসআই ফারুখ হোসেন বলেন, আমার মাকে আমরা অনেকবার চিকিৎসা করিয়েছি। তার কাগজপত্র আমার কাছে আছে। বর্তমানে মা বেশি অসুস্থ। তাকে উন্নতমানের চিকিৎসা দেওয়া দরকার। কিন্তু আমরা দুই ভাই মিলে মাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনতে চাইলে গিয়াস উদ্দিন বাধা দেয় এবং আমাদের ফিরে আসতে বাধ্য করে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

দেশে জ্বালানি সংকট নেই, অসাধু চক্র কৃত্রিম লাইনে বাজার অস্থির করছে:জ্বালানি মন্ত্রী

চিকিৎসার অভাবে ভুগছেন ৩ পুলিশ অফিসারের মা

আপডেট সময় ১০:৪১:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ছেলেরা পুলিশ অফিসার, এর পরও উন্নত চিকিৎসার অভাবে ভুগছেন বরিশালের বাবুগঞ্জের মোছা. মনোয়ারা বেগম (৭০)। এর আগে খাবারের জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন তিনি। কিন্তু এখন তাও পারছেন না। কারণ বয়সের ভারে স্বাভাবিক অবস্থায় হাঁটতে পারছেন না। জানা গেছে, এই হতভাগ্য বৃদ্ধার ৫ ছেলের মধ্যে তিনজন পুলিশে চাকরি করেন। তার একমাত্র মেয়ে সেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। কিন্তু কেউ তার খোঁজ-খবর রাখছেন তারা।

জানা গেছে, বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামের আয়ুব আলীর সঙ্গে বিয়ে হয় মনোয়ারা বেগমের। অভাব-অনটনের সংসার হলেও ৬ সন্তান নিয়ে সুখেই দিন কাটছিল তাদের। কিন্তু ২০০৪ সালের ১ অক্টোবর আয়ুব আলী মারা গেলে মনোয়ারার জীবনে অন্ধকার নেমে আসে। এর পরও তিনি ৬ সন্তানকে সাধ্যমতো শিক্ষিত করেছেন।

এ ব্যাপারে মনোয়ারার এক ছেলে ইজিবাইক চালক গিয়াস উদ্দিন বলেন, আমি সামান্য আয়ের মানুষ। কোনোরকমে বেঁচে আছি। তারপরও আমার সাধ্যমতো মাকে চিকিৎসা দেবার চেষ্টা করছি। কিন্তু মায়ের দরকার ভালো মানের চিকিৎসা। আমার তিন ভাই পুলিশ অফিসার। তারা তাদের স্ত্রী-সন্তান নিয়ে অন্যত্র থাকেন। কিন্তু মায়ের কোনো খোঁজ-খবর রাখেন না।

তবে বড় ছেলে পুলিশের এসআই ফারুখ হোসেন বলেন, আমার মাকে আমরা অনেকবার চিকিৎসা করিয়েছি। তার কাগজপত্র আমার কাছে আছে। বর্তমানে মা বেশি অসুস্থ। তাকে উন্নতমানের চিকিৎসা দেওয়া দরকার। কিন্তু আমরা দুই ভাই মিলে মাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনতে চাইলে গিয়াস উদ্দিন বাধা দেয় এবং আমাদের ফিরে আসতে বাধ্য করে।